শুক্রবার, ২৪ জুন, ২০১৬

সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত খিলাফতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস

সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত খিলাফতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস


ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশের পরবর্তী দিন তথা ১৮ই রমাদ্বান শরীফ ইয়াওমুল আহাদ শরীফ সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সম্মানিত খিলাফতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ! অতঃপর তিনি ৬ মাস সম্মানিত খিলাফত মুবারক পরিচালনা মুবারক করেন। সুবহানাল্লাহ! সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- عَنْ حَضْرَتْ جَابِرِ بْنِ سَـمُرَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰی عَنْهُ قَالَ سَـمِعْتُ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُوْلُ لَا يَزَالُ الْاِسْلَامُ عَزِيْزًا اِلَى اثْنَىْ عَشَرَ خَلِيْفَةً كُلُّهُمْ مّـِنْ قُرَيْشٍ وَفِىْ رِوَايَةٍ لَا تَزَالُ أُمَّتِىْ عَلَى الْحَقِﹼ ظَاهِرِيْنَ ولَا يَزَالُ اَمْرُ أُمَّتِىْ صَالِـحًا لَا يَضُرُّهُمْ عَدَاوَةُ مَنْ عَادَاهُمْ حَتّٰى يَلِيَهُمُ اثْنَا عَشَرَ خَلِيْفَةً كُلُّهُمْ مّـِنْ قُرَيْشٍ وَفِىْ رِوَايَةٍ لَا يَزَالُ الدِﹼيْنُ قَائِمًا حَتّٰى تَقُوْمَ السَّاعَةُ أَوْ يَكُوْنَ عَلَيْهِمُ اثْنَا عَشَرَ خَلِيْفَةً كُلُّهُمْ مّـِنْ قُرَيْشٍ. “হযরত জাবির ইবনে সমুরা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি শুনেছি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, দ্বীন ইসলাম ততদিন পর্যন্ত পরাক্রমশালী থাকবে, কুওওয়াতশালী থাকবে যতদিন পর্যন্ত ১২ জন মহান খলীফা আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুবারক আর্বিভাব ঘটবে। উনারা প্রত্যেকেই সম্মানিত কুরাইশ বংশীয় হবেন।” (সুবহানাল্লাহ) অন্য বর্ণনায় এসেছে, “আমার সম্মানিত উম্মত উনারা ততদিন পর্যন্ত সম্মানিত হক্ব উনার উপর অবিচল থাকবেন, উনাদের সম্মানিত শাসন ব্যবস্থা তথা সম্মানিত খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ মুবরক ততদিন পর্যন্ত সুপ্রতিষ্ঠিত থাকবে এবং উনাদের শত্রুরা উনাদের বিরোধিতা করে কোন ক্ষতি সাধন করতে পারবে না, যতদিন পর্যন্ত উনাদের মাঝে ১২জন মহান খলীফা আলাইহিমুস সালাম উনারা সম্মানিত খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ মুবারক পরিচালনা করবেন। উনারা প্রত্যেকেই কুরাইশ বংশীয় হবেন।” অন্য বর্ণনায় এসেছে, “ক্বিয়ামত অবধি সময়ের মধ্যে দ্বীন ইসলাম শক্তিশালী থাকবে ১২ জন মহান খলীফা আলাইহিমুস সালাম উনাদের মাধ্যমে। উনারা প্রত্যেকেই সম্মানিত কুরাইশ বংশীয় হবেন।” (সুবহানাল্লাহ) {দলীল সমূহ: (১) বুখারী, (২) মুসলিম, (৩) আবূ দাউদ, (৪) তিরমিযী, (৫-১০) মুসনাদে আহমদ ৫/৮৭, ৮৮, ৮৯, ৯২, ১০৬, ১০৭, (১১-১৪) মুসনাদে বাযযার ৫/৩২০, ১০/১৫৮, ১৯৪, ১৯৭, (১৫) মুসনাদে আবূ ইয়া’লা ১৩/৩৭৯, (১৬Ñ১৭) মু’জামুছ ছাহাবাহ ১/১৪৪, ৩/২৩৪, (১৮-২২) মুসতাখরাজে আবী আওয়ানা ৮/১৪০, ১৪২, ১৪৫, ১৪৬, ১৪৭, (২৩-২৪) মুস্তাদরকে হাকিম ৩/৭১৫, ৭১৬, (২৫) মুসনাদে ইবনে জা’দ ১/৩৯০, (২৬-২৭) মুসনাদে ত্বয়ালসী ১/১০৫, ১৮০, (২৮) দায়লামী ৫/১০২, (২৯) মুছান্নাফ ইবনে আবী শায়বাহ ৬/৩৬৩, (৩০) দালাইলুন নুবুওওয়াহ লিল বাইহাক্বী ৬/৫২০, (৩১-৩৯) আল মু’জামুল কাবীর ২/২৭৪, ২৭৫, ২৭৮, ২৭৯, ২৯৩, ৩০৩, ৩৬৩, ৩৬৭, ১৫/৪৯৫, (৪০) আল মু’জামুল আওসাত্ব ৬/২৬৮, (৪১) মু’জামুশ শুয়ূখ ১/৩২৭, (৪২) আল আহাদ ওয়াল মাছানী ৩/১৫৩, (৪৩) শরহুস সুন্নাহ ১৫/৩০, (৪৪) সুন্নাহ ২/৫৩২, (৪৫) মা’রিফাতুছ ছাহাবাহ লিআবী নাঈম ১/৭৭, (৪৬) তাসমিয়াতু মা রওয়াহু সাঈদ ইবনে মানছূর লিআবী নাঈম ১/১৫, (৪৭) হাদীছুল আনছারী ১/৭১, (৪৮) ফাদ্বাইলুল খুলাফাইর রাশিদীন আলাইহিমুস সালাম লি আবী নাঈম ১/৩২৩, (৪৯) কিতাবুল ফাওয়াইদ ১/৪১১, (৫০-৫১) সুনানুল ওয়ারিদা ফিল ফিতান ২/৪৯২, ৫/৯৫৫, (৫২-৫৩) ইবনে হাব্বান ১৫/ ৪৩-৪৪, (৫৪) ইবনে জা’দ, (৫৫-৬০) জামিউল আহাদীছ ১৬/১২৯, ১৭/১২৯, ১৩৩, ১৪৭, ১৫১, ১৯০, (৬১-৬৮) জামউল জাওয়ামি’ ১/১৮০৪৪, ১৯৩৮৮, ১৯৩৮৯, ১৯৩৯৮, ১৯৩৯৯, ১৯৪৪১, ১৯৪৪৮, ১৯৫৫৬, (৬৯-৭০) ইস্তিয়াব ১/১৯৮, ২/৬৫৬, (৭১) জামি’উল উছূল ৪/২০২২, (৭২) খছাইছুল কুবরা ২/১৭৫, (৭৩) তারীখুল খুলাফা ৮ পৃষ্ঠা, (৭৪-৭৬) মুখতাছারু তারীখি দিমাশক্ব ১/৩৯২, ৩/৩২১, ৮/১৪৮, (৭৭) তারীখে বাগদাদ, (৭৮) ফাতহুল কাবীর ৩/৩৪৮, (৭৯) মাজমাউঝ ঝাওয়াইদ ৫/২২৮, (৮০) মাত্বালিবুল আলিয়া, (৮১) দালাইলুন নুবুওওয়াহ লিআবী নাঈম ২/৭৯, (৮২-৮৩) সুবুলুল হুদা ওয়ার রশাদ ১০/৮৩, ১২৩, (৮৪) ক্বছাছুল আম্বিয়া আলাইহিমুস সালাম লি ইবনে কাছীর ১/২০১, (৮৫) আছ ছওয়াইকুল মুহরিক্বাহ ১/৫৪, (৮৬) ইযালাতুল খফা ১/৩২৩, (৮৭-৯১) বিদায়া-নিহায়া ১/১৭৭, ৬/২১৫, ২২১, ২৭৮, ২৭৯, (৯২-৯৩) আন নিহায়া ফিল ফিতান ১/৫, ১৫, (৯৪) তারীখ লিআবী নাঈম ১/২৭৩, (৯৫) তারীখে ইবনে খালদুন ১/৩২৫, (৯৬) মিশকাত শরীফ ৫৫০ পৃষ্ঠা, (৯৭) মিরকাত, (৯৮) আশয়াতুল লুমাত, (৯৯) শরহুত ত্বিবী, (১০০-১০১) আত তারীখুল কাবীর লিল বুখারী ১/৪৪৬, ৮/৪১১, (১০২) আছ ছিক্বাত ৭/২৪২, (১০৩) তাহযীবুল কামাল ৩/২২৪, (১০৪) সিয়ারু আ’লামিন নুবালা ১৯/৩৯৮, (১০৫) আল হাওই ২/৮০, (১০৬-১০৭) ফাতহুল বারী ১৩/২১১, ২১২, (১০৮) উমদাতুল ক্বারী ৩৫/৩২৭, (১০৯) ইকমাল ৬/১১১, (১১০) আল মুফহিম ১২/৬৮, (১১১) শরহুন নববী ৬/২৮৫, (১১২) আদ দীবাজ ৪/৪৪০, (১১৩) কাশফুল মুশকিল ১/২৮৯, (১১৪-১১৫) তুহফাতুল আহওয়ায ৬/৫, ৮, (১১৬) ফখরিল আরব ১/৩, (১১৭) আওনুল মা’বূদ ৯ম খ-, (১১৮) ‘উরফ ১/১৫১, (১১৯) ফী কিতাবিল আহকাম ২/৫৩৮, (১২০-১২২) তুহফাতুল আশরাফ ২/১৪৮, ১৫১, ১৬১, (১২৩-১২৬) কানযুল উম্মাল ১১/১৩৫, ১৫২, ১২/৩২, ১২/৩৩, তারীখুল খুলাফা- ৪৬। এছাড়াও পৃথিবীর আরো অন্যান্য বিশ্বখ্যাত কিতাব মুবারক উনাদের মধ্যে আলোচ্য সম্মানিত হাদীছ শরীফখানা রয়েছে। (সুবহানাল্লাহ)} ‘আবূ দাউদ শরীফ’ উনার মধ্যে অপর এক বর্ণনায় এসেছে, لاَ يَزَالُ هٰذَا الدِﹼيْنُ عَزِيْزًا اِلَى اثْنَىْ عَشَرَ خَلِيْفَةً قَالَ فَكَبَّرَ النَّاسُ وَضَجُّوْا. অর্থ: “দ্বীন ইসলাম ততদিন যাবৎ পরাক্রমশালী থাকবে, কুওওয়াতশালী থাকবে যতদিন পর্যন্ত ১২ জন মহান খলীফা আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুবারক আবির্ভাব ঘটবে। (উনারা প্রত্যেকেই সম্মানিত কুরাইশ বংশীয় হবেন।)” বর্ণনাকারী তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এই মুবারক ভবিষৎবাণী শুনে সমবেত হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা প্রত্যেকেই উচ্চ আওয়ায মুবারক-এ তাকবীর মুবারক দিলেন তথা খুশি প্রকাশ করলেন, ঈদ পালন করলেন।” (সুবহানাল্লাহ) সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত এই ১২ জন মহান খলীফা আলাইহিমুস সালাম উনারা হচ্ছেন, ১. ছিদ্দীক্বে আকবর সাইয়্যিদুনা হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্ব আলাইহিস সালাম, ২. ফারূক্বে আ’যম সাইয়্যিদুনা হযরত উমর ইবনুল খত্ত্বাব আলাইহিস সালাম, ৩. সাইয়্যিদুনা হযরত উছমান যুন নূরাঈন আলাইহিস সালাম, ৪. আসাদুল্লাহিল গালিব সাইয়্যিদুনা হযরত আলী র্কারামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম, অতঃপর ৫. ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম হাসান আলাইহিস সালাম, ৬. ছাহিবুস সির হযরত মুয়াবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু , ৭. হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে জুবাইর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু, ৮. হযরত ওমর বিন আব্দুল আযীয রহমতুল্লাহি আলাইহি, ৯. সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি, ১০. খলীফায়ে ‘আশির, সাইয়্যিদুল খুলাফা, আবুল খুলাফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম, ১১. খলীফায়ে হাদী ‘আশার, খলীফাতুল উমাম, আল মানছূর সাইয়্যিদুনা হযরত শাহযাদা হুযূর ক্বিবলা আলাইহিস সালাম এবং ১২. খলীফায়ে ছানী ‘আশার মুহম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ হযরত ইমাম মাহদী আলাইহিস সালাম। সুবহানাল্লাহ! কাজইে সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হচ্ছেন সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত ১২ জন মহান খলীফা আলাইহিমুস সালাম উনাদের মধ্যে অন্যতম একজন বিশেষ খলীফা আলাইহিস সালাম। সুবহানাল্লাহ! উনার শান মুবারক-এ সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- عن حضرت أبي بكرة أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُصَلِّي فَإِذَا سَجَدَ وَثَبَ حضرت الْحَسَنُ عَلَيْهِ السَّلَامُ عَلَى ظَهْرِهِ وَعَلَى عُنُقِهِ فَيَرْفَعُ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَفْعًا رَفِيقًا لِئَلاَّ يُصْرَعَ، قَالَ فَعَلَ ذَلِكَ غَيْرَ مَرَّةٍ فَلَمَّا قَضَى صَلاَتَهُ، قَالُوا يَا رَسُولَ اللهِ رَأَيْنَاكَ صَنَعْتَ بحضرت الْحَسَنِ عَلَيْهِ السَّلَامُ شَيْئًا مَا رَأَيْنَاكَ صَنَعْتَهُ، قَالَ إِنَّهُ رَيْحَانَتِي مِنَ الدُّنْيَا وَإِنَّ ابْنِي هَذَا سَيِّدٌ وَعَسَى اللَّهُ أَنْ يُصْلِحَ بِهِ بَيْنَ فِئَتَيْنِ مِنَ الْمُسْلِمِينَ. “হযরত আবূ বাকরা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। নূরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ছলাত পড়তেন। যখন তিনি সিজদা মুবারক-এ যেতেন তখন সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার সম্মানিত পিঠ মুবারক এবং সম্মানিত ঘাড় মুবারক উনাদের উপর উঠতেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনাকে কোমলভাবে উঠাতেন যাতে কোন রকম কষ্ট বা ব্যাথা না পান। (রাবী) বলেন, নূর মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তা একাধিক বার করতেন। যখন তিনি ছলাত মুবারক শেষ করলেন, তখন হযরত ছাহাবা-ই কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা বললেন, ইয়া রসূলাল্লাল্লাহ, ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমরা আপনাকে সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে এমন কিছু করতে দেখেছি, যা আপনাকে অন্য কারো সাথে করতে দেখিনি। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন, নিশ্চয়ই তিনি দুনিয়াতে আমার একখানা সুগন্ধি ফুল। আর নিশ্চয়ই আমার এই সম্মানিত আওলাদ তিনি সাইয়্যিদ। নিশ্চয়ই উনার মাধ্যমে মহান আল্লাহ পাক তিনি সম্মানিত মুসলমান উনাদের দুটি দলের মাঝে মীমাংসা করবেন।” (মুসনাদে আহমদ ৫/৫১, মুসনাদে বায্যার ৯/১১১, মুসনাদে ত্বয়ালসী ২/২০৩, জামিউল আহাদীছ ৩৮/২৭৮, গায়াইতুল মাক্বছাদ ২/১৪১৪, ত্ববারনী, মাজমাউয যাওয়াইদ ৯/১০৩ ইত্যাদি)




কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন