বুধবার, ২৯ জুন, ২০১৬

মুজাদ্দিদে আ’যম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মকবুল মুনাজাত শরীফ উনার বেমেছাল রূহানীয়ত সমৃদ্ধ রোব মুবারক উনার ফলেই খোদায়ী গযবে পর্যুদস্ত বিশ্বের সকল কাফির-মুশরিকের দেশ

মুজাদ্দিদে আ’যম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মকবুল মুনাজাত শরীফ উনার বেমেছাল রূহানীয়ত সমৃদ্ধ রোব মুবারক উনার ফলেই খোদায়ী গযবে পর্যুদস্ত বিশ্বের সকল কাফির-মুশরিকের দেশ

যুক্তরাষ্ট্রে গুলিতে দৈনিক মরছে ৩৩ জন যুক্তরাষ্ট্রে আগ্নেয়াস্ত্রের গুলিতে প্রতিদিন গড়ে ৩৩ জনেরও বেশি মানুষ বিচার বহির্ভূত হত্যার শিকার হচ্ছে বলে বিগত আড়াই বছর ধরে চলা সরকারি নিরীক্ষায় উঠে এসেছে। সম্প্রতি ফেডারেল প্রশাসনের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দেখা যায়, ১৯ জুনের আগ পর্যন্ত দুই বছর ৫ মাস ১৯ দিনে যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুকের গুলিতে ২৯ হাজার ৭৯৫ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। হতাহতের বড় একটি অংশ শিশু-কিশোর। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, উপাসনালয়, রেস্টুরেন্ট ও জনসমাগমে এসব অতর্কিত হামলা চালানো হয়েছিল। এ হিসেবে প্রতিদিন গড়ে হতাহতের সংখ্যা দাঁড়ায় ৩৩ জনেরও বেশি। সর্বশেষ কৃষ্ণাঙ্গদের চার্চে শেতাঙ্গদের বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নিহত হয় নয় জন। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৩ সালে গুলিতে ১১ হাজার ৪১৯ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। নিহতদের মধ্যে ৬ হাজার ৪২০ জন ১৮ বছরের কম বয়সী শিশু-কিশোর। ২০১৪ সালে বন্দুকের গুলিতে নিহত হয়েছে ১২ হাজার ৫৬১ জন। অতর্কিত গুলিতে ২২ হাজার ৯৮৮ জন আহত হয়েছে ওই বছর। নিহতদের মধ্যে ৬২৯ জনের বয়স ১১ বছরের কম। ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী ছিল ২৩৭২ জন। ওই নির্বিচারে গুলি বর্ষণের ঘটনায় নিহত হয়েছে ২৮৪ জন। এছাড়া দুর্ঘটনাক্রমে বন্দুকের গুলিতে মারা গেছেন ১৫৯৮ জন। চলতি বছরের ১৯ জুন পর্যন্ত নিহত হয়েছে পাঁচ হাজার ৮১৫ জন। এর মধ্যে ১১ বছরের কম বয়সী রয়েছে ৩১১ জন। ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী রয়েছে ১১০৮ জন। নির্বিচার গুলিবর্ষণে নিহত হয়েছেন ১৩৮ জন। এছাড়া ৯০৫ জনের প্রাণ গেছে দুর্ঘটনাক্রমে বন্দুক থেকে বেরিয়ে আসা বুলেটে। বেসামরিক নাগরিকদের হাতে থাকা বৈধ কিংবা অবৈধ অস্ত্রের গুলিতে একের পর এক হতাহতের ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। বন্দুক নিয়ন্ত্রণ আইন করতে বারবার মার্কিন কংগ্রেসে দাবি তুলেছে সে। (সূত্র- সিএনএন) পরিবেশদূষণে ভারতে বছরে লক্ষাধিক লোক মারা যায়! এই সন্ত্রাসী ও যালিম ভারত বাংলাদেশের জন্য সকল আন্তর্জাতিক নদীর পানি বন্ধ করা, প্রতিনিয়ত ৪/৫ জন নিরীহ বাংলাদেশী মুসলমানদের সীমান্তে হত্যা করা, ফেলানীর মতো কিশোরীকে হত্যা করে তারকাটাতে ঝুলিয়ে রাখা, সীমান্তের চতুর্দীকে শত শত ফেনসিডিলের কারখানা স্থাপন করে বানের পানির মতো এ দেশে ফেনসিডিল পাঠানো, যাতে করে এদেশের ভবিষ্যত, বর্তমান তরুণ সমাজ কর্মক্ষেত্রে গিয়ে চরম ব্যার্থতার পরিচয় দেয়। তাদের মধ্যে থাকবেনা কোনো দেশ প্রেম, থাকবে না সততা। এমনকি থাকবেনা দেশ পরিচালনা করার মতো কোনো বুদ্ধিমত্ত্বা ও প্রজ্ঞা। নাউযুবিল্লাহ! যারফলে তাদের উপর চলছে অব্যাহত খোদায়ী আযাব-গযব। সম্প্রতি ভারতে আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে পরিবেশদূষণ। এ দূষণে বছরে ৮০ হাজার থেকে ১ লাখ ২০ হাজার লোকের মৃত্যুসহ দুই কোটি মানুষ অ্যাজমা রোগে আক্রান্ত হয়েছে। সেসঙ্গে রয়েছে নানা স্বাস্থ্য সমস্যা। নেদারল্যান্ডসের পরিবেশবিষয়ক সংস্থা গ্রিনপিস এক প্রতিবেদনে এ ধরনের সতর্কবার্তা প্রকাশ করেছে। জনস্বাস্থ্যে ভারতের কয়লা দি্যুতের বিরূপ প্রভাব-সম্পর্কিত গ্রিনপিসের এটিই প্রথম জরিপ। জরিপে ১১১টি প্রধান বিদ্যুকেন্দ্রে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। জরিপ প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে বিশ্বব্যাংকের পরিবেশদূষণ বিভাগের সাবেক প্রধান সারথ গুট্টিকুন্ডা। প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ভারতের শহরগুলোর মধ্যে দিল্লি ও কলকাতা সবচেয়ে বেশি দূষিত হয়েছে। মুম্বাইসহ মহারাষ্ট্র, পূর্বের অন্ধ্র প্রদেশ, চন্দ্রপুরও এ দূষণের প্রভাব থেকে মুক্ত নয়। (সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান)



কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন