সোমবার, ২৭ জুন, ২০১৬

দেশ ও জনগণের স্বার্থে কাজ করার জন্য সরকারকে বিশ্বাস করে ভোট দিয়েছিলো জনগণ কিন্তু বাস্তবে জনগণ পাচ্ছে তার বিপরীত ফল

দেশ ও জনগণের স্বার্থে কাজ করার জন্য সরকারকে বিশ্বাস করে ভোট দিয়েছিলো জনগণ কিন্তু বাস্তবে জনগণ পাচ্ছে তার বিপরীত ফল


দেশের আপামর জনসাধারণ দেশ পরিচালনার উপযুক্ত ভেবে সরকারের উপর আস্থা বিশ্বাস এনে গণতান্ত্রিক প্রকৃয়ায় ভোট দিয়ে সরকারকে ক্ষমতার আসনে বসিয়েছিলো। কিন্তু সরকার ক্ষমতায় যাওয়ার পর থেকে এই ভোট দেওয়ার জনগণের কল্যানে কিংবা দেশের উন্নয়নে কতটুকু কাজ করছে সেটা পর্যালোচনা করা এখন সময়ে দাবি। শুরুতেই ধরা যাক কৃষির বিষয়টি। বাংলাদেশের মূল জীবন ‘কৃষিতে। বাংলাদেশকে বাঁচাতে হলে কৃষিকে বাঁচাতে হবে। কিন্তু বর্তমানে বাংলাদেশের জীবন অর্থাৎ কৃষিকেই বিলুপ্ত করে দেওয়ার ষড়যন্ত্র চলছে। কৃষকদের উপর মরার উপর খরার ঘা স্বরূপ ট্যাক্স আরোপিত হচ্ছে। সম্প্রতি বাংলাদেশে আখ চাষীদের আখ চাষ করা বন্ধ করতে বলেছে অর্থমন্ত্রী মাল মুহিত। অর্থাৎ বাংলাদেশের পুরো চিনি সেক্টরকে আমদানি নির্ভর করতে চাইছে সরকার। অথচ বাংলাদেশে মোট আখ চাষী সংখ্যা ৮ লক্ষ। চাষীসহ পুরো শিল্পের সাথে জড়িত প্রায় ১০ লক্ষ মানুষ। আখ চাষ বন্ধ হলে এই বিশাল শ্রমশক্তি বেকার হয়ে পড়বে। সরকার বিদেশ থেকে চিনি আমদানি করার পক্ষপাতি। অথচ বিদেশে থেকে যে সাদা ধবধবে চিনি আমদানি করা হচ্ছে তা মারাত্মক বিষাক্ত ও ক্ষতিকারক। যা ক্যান্সার হওয়ার অন্যতম কারণ। অপরদিকে বাংলাদেশের লালচে চিনি স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। আম নিয়ে প্রতিবছর ষড়যন্ত্র করছে খোদ সরকারের প্রশাসন। এবার ফরমালিন নাটকে আম ধ্বংস না করলেও ২৫ মে’র আগে আম পাড়া নিষিদ্ধ করে গাছের আম গাছেই পঁচিয়েছে। আর এদিকে বাজার দখল করেছে ভারতীয় বিষাক্ত আম। এর আগে জুটমিলগুলো বন্ধ করে “বাংলাদেশ সোনালি আঁশের দেশ” এই কথা ভুলিয়ে দেওয়া হয়েছিলো। আর এখন চিনিকলগুলোকে সহায়তা না করে বরং ‘আখ উৎপাদন বন্ধ করতে সরাসরি সরকারি ঘোষনা দেয়া হচ্ছে। দেশ ও জনগণের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে সরকারের এসব কার্যকলাপ দেশের মানুষের সরল বিশ্বাসের উপর কুঠারাঘাতস্বরূপ। তাই দেশের অর্থনীতি সচল রাখতে কৃষকদের উপর ট্যাক্স নয় বরং ভুর্তূকি দিতে হবে, আখ চাষ বন্ধ না করে বরং উৎসাহ উদ্দীপনা ও প্রণোদনা দিতে হবে, চিনিকলগুলোতে পর্যাপ্ত সহায়তা ও পৃষ্ঠপোষকতা করতে হবে।




কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন