মুজাদ্দিদে আ’যম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মকবুল মুনাজাত শরীফ উনার বেমেছাল রূহানীয়ত সমৃদ্ধ রোব মুবারক উনার ফলেই খোদায়ী গযবে পর্যুদস্ত বিশ্বের সকল কাফির-মুশরিকের দেশ
| কাজ হারানোর ভয়ে ঘুম নেই ব্রিটিশ শ্রমিকদের ব্রিটেনের অধিকাংশ কলেজেই মুসলমান মেয়েদের পর্দা করার সুযোগ নেই। কারণ তারা তাদের প্রতিষ্ঠানে কোনো বোরকা পরিহিত পর্দানশীন মেয়েকে প্রবেশ করার অনুমতি দেয় না। অর্থাৎ তাদের প্রতিষ্ঠানগুলোতে বোরকা পরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। ল্যাংকাশায়ারের বার্নলি কলেজ কর্তৃপক্ষ জানায়, নিরাপত্তাজনিত কারণে সকল শিক্ষার্থী, কর্মচারী ও দর্শনার্থীদের মুখ ঢেকে রাখা হয় এমন পোশাক (বোরকা) ছাড়াই কলেজে আসতে হবে। মূলত নিরাপত্তার অজুহাতে মুসলিম মেয়েদের শরয়ী পর্দা করতে বাধা দেয়াই হলো তাদের উদ্দেশ্য। নাউযুবিল্লাহ! এভাবেই প্রতিনিয়ত ব্রিটেনে মুসলমানরা তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, কেবল মুসলমান হওয়ার কারণে। যারফলে খোদায়ী গযবেও থেমে নেই, যালিম ব্রিটেনকে পর্যুদস্ত করতে। হাজারো গযবের মাঝে চরম অর্থনৈতিক মন্দায় তারা আজ দিশেহারা। সম্প্রতি কাজ হারানোর ভয়ে ঘুম চলে গেছে বিটেনের শ্রমিক, কর্মচারীদের। প্রতি রাতে তাদের অন্তত একঘণ্টা ঘুম কম হচ্ছে। এমনই কথা জানা গেলো এক সমীক্ষায়। এই সমীক্ষার রিপোর্টে বলা হয়েছে, কাজের চিন্তায় ঘুম না হওয়ায় অসুস্থ হয়ে পড়ছে ব্রিটেনের শ্রমিক, কর্মচারীরা। সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে প্রায় দু’হাজার শ্রমিক-কর্মচারীদের উপর সমীক্ষা চালানো হয়। প্রচুর কাজের চাপ ও যেকোনো সময় কর্মচ্যুত হয়ে পড়ার আশঙ্কায় তারা নিদ্রাহীন রাত কাটাতে বাধ্য হচ্ছে। এই দেশের ব্যাঙ্ক কর্মচারী, নার্স এবং শিক্ষকদের অবস্থা আরো শোচনীয়। অনিশ্চিত ভবিষ্যতের চিন্তায় পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়ায় তাদের শারীরিক অবস্থা ক্রমশ খারাপ হচ্ছে। এতে কাজের উপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে জানানো হয় প্রতিবেদনে। (সূত্র- ইন্টারনেট) ফ্রান্সের ৩০ লাখ শিশু দারিদ্রসীমার নিচে বসবাস করছে -জাতিসংঘ ফ্রান্সের কমপক্ষে ৩০ লাখ শিশু দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করছে বলে জাতিসংঘ জানিয়েছে। জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক তহবিল ইউনিসেফ অতি সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলেছে, ফ্রান্সের প্রায় ৩০০০০ শিশু গৃহহীন, ৯০০০ বস্তিতে বসবাস করে এবং প্রতি বছর ১৪০০০০ শিশু স্কুল থেকে ঝরে পড়ে। ইউনিসেফের প্রেসিডেন্ট মিশেল বারযাখ বলেছে, আমাদের এ প্রতিবেদন ফরাসি কর্তৃপক্ষের জন্য একটি সতর্কবার্তা। এ প্রতিবেদন প্রমাণ করছে, প্রতিটি শিশুর জীবনমান উন্নয়নের জন্য সরকারকে জরুরী ভিত্তিতে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। বারযাখ আরো বলে, ফ্রান্সের সমাজে বিদ্যমান অর্থনৈতিক বৈষম্যের শিকার হচ্ছে শিশুরা। তাদের ভবিষ্যৎ এবং ফরাসি সমাজের উপর এর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। ইউনিসেফ একইসঙ্গে ফ্রান্সে বসবাসরত হাজার হাজার অভিবাসী শিশু মানবেতর জীবনযাপন করছে বলে জানিয়েছে। এ অবস্থাকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ উল্লেখ করে জাতিসংঘ বলেছে, এসব শিশুকে তাদের মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। এসব শিশু নানা ধরনের নির্যাতন ও বৈষম্যের শিকার বলে ইউনিসেফ জানিয়েছে। (সূত্র: ইন্টারনেট) |
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন