মহিমান্বিত সুমহান ১৮ই রমাদ্বান শরীফ- উম্মু আবীহা, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, ত্বাহিরা, ত্বইয়িবা, বিনতু মিন বানাতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, সাইয়্যিদাতুনা হযরত আছ ছানিয়া আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করার সুমহান দিবস এবং পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার পঞ্চম খলীফা, সাইয়্যিদুশ শুহাদা, সাইয়্যিদু শাবাবি আহলিল জান্নাহ, আহলু বাইতিন নাবিইয়ি, আওলাদু রসূলিল্লাহ, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র খিলাফত মুবারক গ্রহণ দিবস। গোটা উম্মাহ ও মুসলিম বিশ্বের প্রত্যেক সরকারের উচিত- যথাযথ ভাবমর্যাদা ও ভাবধারার সাথে এ দিবস মুবারক পালন করা।
| সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হযরত নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, হযরত রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত পবিত্র দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক। মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “আমি খেলাচ্ছলে এ পৃথিবী সৃষ্টি করেনি।” আর কোন্ উদ্দেশ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি সৃষ্টি করেছেন তাও অপ্রকাশিত রাখেননি। মহান আল্লাহ পাক জাল্লা শানূহু তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই আমি জিন ও ইনসানকে সৃষ্টি করেছি কেবলমাত্র আমার ইবাদত উনার উদ্দেশ্যে।” ‘ইবাদত’ শব্দের তাফসীরে বলা হয় মা’রিফাত-মুহব্বত উনার কথা। মূলত, মহান আল্লাহ পাক উনার মা’রিফাত-মুহব্বত হাছিল করতে হলে আমাদেরকে অনিবার্যভাবে নিবিষ্ট ও নিবেদিত হতে তথা ফানা ও বাক্বা হতে হবে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি এবং উনার সম্মানিত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালামগণ উনাদের প্রতি। মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক করেন, “হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি (উম্মতদেরকে) বলুন, আমি তোমাদের নিকট কোনো প্রতিদান চাই না। (আর তোমাদের পক্ষে তা দেয়াও সম্ভব নয় এবং দেয়ার চিন্তা করাটাও কুফরী) তবে যেহেতু তোমাদের ইহকাল ও পরকালে নাজাত লাভ করতে হবে, মুহব্বত-মা’রিফাত, রেযামন্দি মুবারক হাছিল করতে হবে, সেহেতু তোমাদের দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- আমার নিকটজন তথা হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম ও আওলাদ আলাইহিমুস সালামগণ উনাদের প্রতি তোমরা সদাচরণ করবে।” (পবিত্র সূরা শূরা শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ২৩) অথচ সাধারণ মুসলমান তো বটেই; এমনকি নামধারী আলিমরা জানে না যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত আওলাদ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মধ্যে চারজন হলেন আবনা এবং চারজন হলেন বানাত। মহাসম্মানিতা বানাতু আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মধ্যে দ্বিতীয়া হলেন ত্বাহিরা, ত্বইয়িবা, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, আছ ছানিয়া সাইয়্যিদাতুনা হযরত রুকাইয়া আলাইহাস সালাম। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আনুষ্ঠানিক নুবুওওয়াত প্রকাশের প্রায় ৭ বছর পূর্বে তিনি পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার সাথে সাথে তিনিও প্রথম সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনাকে গ্রহণকারীদের অন্যতম ছিলেন। শুধু তাই নয়; পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার ইতিহাসে নারী হিজরতকারিণীদের মধ্যে উনিই প্রথম ছিলেন। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালাম এবং হযরত লুত আলাইহিস সালাম উনাদের পরে ত্বাহিরা, ত্বইয়িবা, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত আছ ছানিয়া আলাইহাস সালাম তিনি প্রথম ব্যক্তিত্ব; যিনি পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাকে পালনের জন্য পরিবারসহ প্রথম হিজরত করেন। সুবহানাল্লাহ! শুধু তাই নয়; তিনি পবিত্র মদীনা শরীফেও হিজরত করেন। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! উম্মু আবীহা, ত্বাহিরা, ত্বইয়িবা, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত আছ ছানিয়া আলাইহাস সালাম উনার বেমেছাল শান-মানের মধ্যে একটি বহিঃপ্রকাশ হলো যে, তিনি মারিদ্বী শান মুবারক প্রকাশ করার প্রেক্ষিতে আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম তিনি উনার যথাযোগ্য খিদমতের আঞ্জাম দেয়ার কারণে জিহাদের ময়দানে না গিয়েও তিনি পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার সর্বশ্রেষ্ঠ জিহাদ ‘বদর’ জিহাদের অন্যতম মুজাহিদ হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করেন। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! বলাবাহুল্য, আজকের উম্মাহও যদি উনার সম্পর্কে ইলম হাছিল করতো, উনার তায়াল্লুক-নিসবত, মুহব্বত-মা’রিফত লাভ করতো উনার ছানা-ছিফত করতো; তাহলে তারা বর্তমানে গ্রেফতার হওয়া সব আযাব-গযব, অভাব-অনটন, নির্যাতন-নিপীড়ন থেকে রেহাই পেতো। তারাও দুনিয়া ও আখিরাত উভয় ক্ষেত্রেই সৌভাগ্যবান হতো। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! প্রসঙ্গত, ত্বাহিরা, ত্বইয়িবা, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত আছ ছানিয়া আলাইহাস সালাম তিনি পবিত্র বদর জিহাদের পরের দিন অর্থাৎ ১৮ রমাদ্বান শরীফ মাত্র প্রায় ২২ বছর হায়াত মুবারক-এ পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুতরাং আজকের ১৮ রমাদ্বান শরীফ দিনটি উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করার সুমহান দিন হিসেবে বেমেছাল রহমত, বরকত, মাগফিরাত, নাজাত, ফযীলত ও সাকীনা হাছিল করার দিন। উম্মাহর উচিত- সে নিয়ামত হাছিলে নিবেদিত হওয়া। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! উল্লেখ্য, মুসলিম মিল্লাত উনাদের ৪র্থ খলীফা আমিরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশ করার তথা পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করার পর সকলের পক্ষ থেকে সাইয়্যিদুনা হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি জোরালো ভাষায় খলীফায়ে রসূলিল্লাহ, সাইয়্যিদুনা ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুমহান ছানা-ছিফত মুবারক বর্ণনা করে দীর্ঘ এক মুবারক খুতবা প্রদান করেন। অতঃপর উপস্থিত সকলেই বিনা বাক্যে সুমহান খিলাফত মুবারক উনার উপর বাইয়াত গ্রহণ করেন। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! এরপর উপস্থিত সকলের উদ্দেশ্যে সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অপূর্ব এক খুতবা মুবারক দান করেন। সেখানে তিনি ইরশাদ মুবারক করেছিলেনÑ “উপস্থিত শুভাকাঙ্খীগণ! আপনারা যাঁরা আমাকে চিনেন তাঁরা তো চিনেনই। যাঁরা চিনেন না তাঁদের উদ্দেশ্যে বলছি: আমি হলাম- যিনি সুসংবাদদাতা উনার সম্মানিত আওলাদ আলাইহিস সালাম! আমি হলাম- ভীতি প্রদর্শনকারী উনার মুবারক আওলাদ আলাইহিস সালাম! আমি হলাম- মহান আল্লাহ পাক উনার নির্দেশ মুবারক-এ উনারই দিকে আহবানকারী উনার সম্মানিত আওলাদ আলাইহিস সালাম! আমি আমিরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার মুবারক আওলাদ আলাইহিস সালাম! আমিতো সেই আলোকময় পবিত্র হুযরা শরীফ উনার আওলাদ আলাইহিস সালাম, যেখানের সকলকে খালিক্ব মালিক মহান আল্লাহ পাক তিনি সর্বপ্রকার অপবিত্রতা থেকে পূত-পবিত্র করে সৃষ্টি করেছেন। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! আমি সেই বরকতময় ঘর মুবারক উনার অধিবাসী, যেখানে সাইয়্যিদুনা হযরত জিবরীল আমীন আলাইহিস সালাম তিনি নিয়মিত আগমন করতেন। আমি সেই মহাসম্মানিত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের অন্তর্ভুক্ত, উনাদের সুমহান শান মুবারক হচ্ছে, উনাদের প্রতি মুহব্বত ও হুসনে যন মুবারক রাখা ফরয করে দেয়া হয়েছে।” অতঃপর তিনি পবিত্র সূরা শুয়ারা শরীফ উনার ২৩তম পবিত্র আয়াত শরীফ তিলাওয়াত করলেন এবং দীর্ঘ নছীহত মুবারক পেশ করে পবিত্র খিলাফত উনার দায়িত্ব গ্রহণ করলেন। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ৪০ হিজরী সনের পবিত্র ১৮ রমাদ্বান শরীফ তারিখে খলীফা মনোনীত হন। অর্থাৎ আজকের ১৮ রমাদ্বান শরীফ উনার খিলাফত গ্রহণের মুবারক দিন। তিনি খিলাফত মুবারক উনার দায়িত্ব ৬ মাস পর্যন্ত পালন করেন। মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমার পরে ৩০ বৎসর খিলাফত মুবারক পরিচালনা করবেন আমার সম্মানিত হযরত খলীফা আলাইহিমুস সালাম উনারা।” উল্লেখ্য যে, এই ৩০ বছরের মধ্যে ২৯ বৎসর ৬ মাস মুবারক পূর্ববর্তী চারজন হযরত খলীফা আলাইহিমুস সালামগণ উনাদের খিলাফতকালে অতিবাহিত হয়। বাকি ৬ মাস মুবারক সাইয়্যদুনা হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহিস সালাম তিনি পূর্ণ করেন। মূলত, তিনিই হলেন পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার পঞ্চম খলীফা। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সালাম উনার ফাযায়িল-ফযীলত প্রসঙ্গে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “হযরত বারাহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, আমি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে দেখেছি যে, তিনি সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে নিজের কাঁধ মুবারক উনার উপর রেখে বলছেন, হে মহান আল্লাহ পাক! আমি উনাকে মুহব্বত করি, আপনিও উনাকে মুহব্বত করুন।” (মুত্তাফাকুন আলাইহি শরীফ) গঠনপ্রকৃতি মুবারক উনার দিক থেকে তিনি ছিলেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার হুবহু সাদৃশ্যপূর্ণ। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমার সম্মানিত হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করো আমার সন্তুষ্টি মুবারক হাছিলের জন্য।” সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! তাই যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমামুল আইম্মাহ, কুতুবুল আলম, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সম্মানিত হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম বা আওলাদুর রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদেরকে তা’যীম-তাকরীম মুবারক করা এবং উনাদের খিদমত মুবারক করা, উনাদের সাওয়ানেহে উমরী মুবারক জানা সকলের জন্যই ফরয। মূলত, উনাদের সম্মানিত বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করার দিন এবং পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করার দিনই কেবল নয়; উনাদের সংশ্লিষ্ট উল্লেখ্যযোগ্য সব ঘটনা মুবারকের দিনসমূহই উম্মতকে বিশেষ তা’যীম-তাকরীম, আদব, মুহব্বত তথা সর্বোচ্চ মাধ্যমে হক্ব আদায় করতে হবে। মহান সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার ও উনার সম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের উসীলায় মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে সেই তাওফীক দান করুন। (আমীন) |
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন