বুধবার, ২৯ জুন, ২০১৬

সব কিছু জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি করা হয়েছে, জোড়া বাদ দিলে কিছুই উৎপাদন হবে না

সব কিছু জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি করা হয়েছে, জোড়া বাদ দিলে কিছুই উৎপাদন হবে না


পৃথিবীর সকল সৃষ্টি উৎপাদনের মূলে দেখা যায় জোড়া। জোড়া মিলে এক নতুন সৃষ্টি করে। পজেটিভ ও নেগেটিভ মিলে আমাদের বিদ্যুৎ দেয়। ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ এই থিওরী আধুনিক বিশ্বের বিস্ময় কম্পিউটারের মূল সূত্র। আবার পুরুষ-মহিলা এককভাবে প্রাণীকুলে কিছু দিতে পারে না। মহান রাব্বুল আলামীন যিনি খালিক্ব মালিক রব তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “সব কিছুই জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি করেছি”। সুতরাং জোড়া ভিন্ন কোনো সৃষ্টি বা উৎপাদন কি কেউ চিন্তা করতে পারে? সৃষ্টি জগতে সব কিছুই জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি হয়েছে। তেমনি পবিত্র কুরআন শরীফ এবং পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনারা মিলে একটি ফতওয়া, বিধান ও সম্মানিত শরীয়ত উনার নির্দেশনা দিতে পারে। কেউ যদি বলে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে অনেক ভুল আছে। নাউযুবিল্লাহ! মূলতঃ পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে কোনো ভুল নেই। তবে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার নাম মুবারক অবলম্বন করে যারা নিজস্ব মত প্রবেশ করাতে চেয়েছে সেটা ভুল। সেজন্য দেখতে হবে, সম্মানিত হাদীছ শরীফ বলে যে ‘মতন’ বলছে সে ‘মতনটি’ সম্মানিত হাদীছ শরীফ কিনা? যদি সম্মানিত হাদীছ শরীফ হয় তাহলে সঠিক আছে। আর যদি বিপরীত হয় তবে তা সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার নামে মিথ্যা রচনা; যা পরিত্যাজ্য। সুতরাং পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাকে মানা যাবে না, শুধু পবিত্র কুরআন শরীফ মানলেই চলবে- এটা কুফরী বক্তব্য ও আক্বীদা। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার নাম মুবারক অবলম্বন করে যা অন্যের বক্তব্য পেশ করা হয়েছে তা বাদ দিলেই তর্ক শেষ হয়ে যায়। পবিত্র কুরআন শরীফ মূল এবং পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার পদ্ধতি ও ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন। সুতরাং দুয়ে মিলেই এক পরিপূর্ণ ব্যবস্থা। নামায কোন পদ্ধতিতে আদায় করবেন তা কোথায় পাবেন? অবশ্যই পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার সাহায্য প্রার্থনা করতে হবে। পবিত্র কুরআন শরীফ তিনি বলেননি কিভাবে রুকু, সিজদা দিতে হবে।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন