শুক্রবার, ২৪ জুন, ২০১৬

মুবারক হো ১৯শে রমাদ্বান শরীফ মিনাল আইয়্যামিল্লাহ

মুবারক হো ১৯শে রমাদ্বান শরীফ মিনাল আইয়্যামিল্লাহ। আজ সাইয়্যিদুল আউলিয়া, ছুফীয়ে বাতিন, আরিফবিল্লাহ, আবুল খইর, যাইনুল মাহযুব, জামিউল আলক্বাব, আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত আবু হাদিউল উমাম আলাইহিস সালাম উনার বিছাল শরীফ


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন, “ হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আপনি বান্দা ও উম্মতকে মহান আল্লাহ পাক উনার বিশেষ দিন সমূহ স্মরণ করিয়ে দিন। নিশ্চয়ই এই বিশেষ দিনসমূহের মধ্যে মহান আল্লাহ পাক উনার বিশেষ নিদর্শন মুবারক রয়েছে।” (পবিত্র সূরা ইবরাহীম শরীফ) আজ পবিত্র ১৯শে রমাদ্বান শরীফ। আজ আবু হাদিউল উমাম আলাইহিস সালাম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া, ছুফীয়ে বাতিন, আরিফবিল্লাহ, আবুল খইর, যাইনুল মাহযুব, জামিউল আলক¦াব, আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত সাইয়্যিদ মুহম্মদ খইরুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! তিনি কায়িনাত বাসীকে হাদিয়া করেছেন সমস্ত কায়িনাতকে হিদায়েতদানকারী সাইয়্যিদুনা হযরত হাদিউল উমাম আলাইহিস সালাম উনাকে। তিনি সম্মানিত জান্নাতী ইমাম সাইয়্যিদুনা হযরত সাইয়্যিদুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত দাদা। সুবহানাল্লাহ! মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “(হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি জানিয়ে দিন, আমি তোমাদের নিকট কোনো বিনিময় চাচ্ছি না। আর চাওয়াটাও স্বাভাবিক নয়; তোমাদের পক্ষে দেয়াও কস্মিনকালে সম্ভব নয়। তবে তোমরা যদি ইহকাল ও পরকালে হাক্বীক্বী কামিয়াবী হাছিল করতে চাও; তাহলে তোমাদের জন্য ফরয হচ্ছে- আমার হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করা, তা’যীম-তাকরীম মুবারক করা, উনাদের খিদমত মুবারক উনার আঞ্জাম দেয়া, উনাদের মুহব্বত মুবারক অর্জন করা।” নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমার হযরত আওলাদ আলাইহিমুস সালাম উনারা হলেন তোমাদের জন্য হযরত নূহ আলাইহিস সালাম উনার নৌকার মতো। যে তাতে আরোহণ করবে, সে নাজাত পাবে। আর যে তা হতে পশ্চাতে থাকবে সে ধ্বংস হবে।” সাইয়্যিদুনা হযরত আবু হাদিউল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি আখাছ্ছুল খাছ আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। সম্মানিত পিতা এবং সম্মানিত মাতা উভয় দিক থেকেই তিনি আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খাছ বংশধর। অর্থাৎ হযরত আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহিস সালাম। সুবহানাল্লাহ! আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের মধ্যে তিনি সাইয়্যিদ। উনাদের কারণে বাংলা মুলুকের হাজার হাজার লোক হিদায়েত পেয়েছেন। উনার আবাস স্থল হাফেযবাড়ী নামে মশহুর। মুবারক বংশ পরম্পরায় এই বাড়িতে যারা তাশরীফ নিয়েছেন উনারা সকলেই ছিলেন পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার হাফিয। সুবহানাল্লাহ! মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি হযরত আওলাদে রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের ফাযায়িল-ফযীলত সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ উনার উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, হযরত আবূ যর গিফারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত, তিনি পবিত্র কা’বা শরীফ উনার দরজা মুবারক ধরে বলেছেন, আমি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে বলতে শুনেছি, সাবধান! আমার হযরত আওলাদ আলাইহিমুস সালাম উনারা হলেন তোমাদের জন্য হযরত নূহ আলাইহিস সালাম উনার নৌকার মতো। যে তাতে আরোহণ করবে, সে নাজাত পাবে। আর যে তাতে আরোহণ করতে পারবেনা সে ধ্বংস হবে।” অর্থাৎ হযরত আওলাদে রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত ও সম্মান করা সকলের জন্যই নাযাতের কারণ। মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, এ সম্পর্কে ইমামুল আইম্মাহ, ইমামুল আ’যম, হাকীমুল হাদীছ হযরত ইমামে আযম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার জীবনী মুবারক উনার একটি ঘটনা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। একবার তিনি একস্থানে বসে স¦ীয় ছাত্রদেরকে দরস দিচ্ছিলেন। দর্স প্রদানরত অবস্থায় তিনি কিছুক্ষণ পর পরই দর্স বন্ধ করে দাঁড়িয়ে যাচ্ছিলেন। যখন দর্স শেষ হলো, তখন ছাত্ররা প্রশ্ন করলো, “হে হযরত ইমামে আ’যম রহমতুল্লাহি আলাইহি! বেয়াদবী ক্ষমা করবেন, আমরা লক্ষ্য করেছি যে, আপনি বারবার দর্স বন্ধ করে দাঁড়িয়ে যাচ্ছিলেন, এর পিছনে কি কারণ রয়েছে?” উত্তরে তিনি বললেন যে, “তোমরা নিশ্চয়ই লক্ষ্য করেছো যে, আমাদের দর্সগাহের পাশেই কিছু ছোট ছেলেরা দৌড়াদৌড়ি করছিল। তন্মধ্যে অমুক ছেলে তিনি বারবার আমার নিকটবর্তী হলেই আমি দাঁড়িয়ে যেতাম।” ছাত্ররা জানতে চাইলো, সেই ছোট ছেলে তিনি আপনার নিকটবর্তী হলে কেন দাঁড়িয়ে যেতেন? তখন ইমামে আ’যম হযরত আবু হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বললেন যে, “দেখ, সেই ছেলে তিনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বংশধর। উনার সাথে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নূরুন নাজাত মুবারক উনার সম্পর্ক রয়েছে। সুবহানাল্লাহ! সেজন্য যখনই তিনি আমাদের দর্সগাহের নিকটবর্তী হয়েছেন তখনই আমি উনার সম্মানার্থে দাঁড়িয়েছি। কেননা হযরত আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদেরকে তা’যীম-তাকরীম ও মুহব্বত করা ঈমান তথা মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের নির্দেশ মুবারক এবং নাজাতের কারণ।” সুবহানাল্লাহ! মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, হযরত আওলাদে রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের ফাযায়িল-ফযীলত, মর্যাদা-মর্তবা, শান-মান মুবারক সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে, হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, “আমি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে দেখেছি, তিনি বিদায় হজ্জে আরাফার দিন উনার ‘কাসওয়া’ নামক উষ্ট্রীর উপর সাওয়ার অবস্থায় খুতবা মুবারক প্রদান করেছেন। আমি শুনেছি, তিনি খুতবা মুবারকে বলেছেন, “হে লোক সকল! আমি তোমাদের মাঝে এমন দুটি মহান নিয়ামত মুবারক রেখে যাচ্ছি, তোমরা যদি তা শক্তভাবে ধরে রাখ। অর্থাৎ মুহব্বত ও খিদমত করো, তবে তোমরা কখনও গুমরাহ বা ধ্বংস হবে না; তা হলো মহান আল্লাহ পাক উনার পবিত্র কিতাব মুবারক ও আমার সম্মানিত ইতরত বা আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম বা আওলাদ আলাইহিমুস সালাম উনারা।” অনুরূপ আরো বহু পবিত্র হাদীছ শরীফ বর্ণিত রয়েছে। আওলাদে রসূল, আবু হাদিউল উমাম আলাইহিস সালাম, রাজারবাগ শরীফ উনার হযরত শাহদামাদ ছানী ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত বুযুর্গ পিতা তিনি উক্ত পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের হাক্বীক্বী মিছদাক। উক্ত পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের দ্বারা বুঝা যায়, উম্মতগণের জন্য সুমহান নিয়ামত, বরকত, সাকীনা এবং মাগফিরাত, নাজাত লাভের উসীলা। তিনি ছিলেন আউলিয়াকুল সাইয়্যিদ। মহান আল্লাহ পাক তিনিই কুল-কায়িনাতের খালিক্ব মালিক রব। তিনি উনার মুবারক তরতীব অনুযায়ী বিভিন্ন দায়িত্ব বিভিন্ন ব্যক্তিত্ব উনাদেরকে দিয়ে রেখেছেন। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মাঝে বিবৃত হয়েছে যে, প্রতি যুগে ৭ জন কুতুবুল আলম দুনিয়াতে থাকবেন। উনাদের উসীলায় পৃথিবী সুরক্ষিত থাকবে, বৃষ্টি বর্ষণ হবে, সৃষ্টিকুল রিযিক পাবে।’ আওলাদে রসূল, আবু হাদিউল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি ছিলেন সেই কুতুবুল আলম উনাদের মধ্যমণি। তাই আবশ্যকীয় কারণেই বলতে হয়, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মাঝে উল্লিখিত মহান সাত জন কুতুবুল আলম উনাদের চিনা, উনাদের খিদমত করা উম্মাহ তথা আমাদের জন্য ফরয-ওয়াজিব। উনাদের সুপারিশ ও দোয়া মুবারকে-এই জিন ও ইনসান কামিয়াবী হাছিল করে থাকে। এ উম্মাহর বিরাট সৌভাগ্য যে, হাদীছ শরীফ উনার মাঝে বর্ণিত সাতজন কুতুবুল আলম উনারা বর্তমানে একত্রে বসবাস করেন, এই বাংলাদেশে রাজারবাগ শরীফ উনার মাঝে। আর আবু হাদিউল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি উমম্মাহকে হাদিয়া করেছেন উনাদের মধ্যে যিনি হাদিউল উমাম আলাইহিস সালাম উনাকে। সুবহানাল্লাহ! অর্থাৎ উনাদের মাঝে বিশেষ একজন কুতুবুল আলমই হলেন কুতুবুল আলম, হাদীউল উমাম, বাবুল ইলম, ক্বায়িম-মাক্বামে হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম, আওলাদে রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত শাহদামাদ ছানী ক্বিবলা আলাইহিস সালাম। যিনি সত্যিকার অর্থেই অপূর্ব এক ব্যক্তিত্ব। উনার আচার-আচরণ মুবারক, বিনয়ী ব্যবহার মুবারক, আদব-কায়দা মুবারক অনন্য সুন্দর ও বিরল। উনার গায়েবী দানে অসংখ্য অগণিত জিন ইনসান হিদায়েতে পেয়েছে এবং পাচ্ছে। উনার অন্যতম খুছুছিয়ত এই যে, তিনি খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, সাইয়্যিদুনা মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার এবং মহাসম্মানিত হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের প্রতি পরিপূর্ণ নিবেদিত প্রাণ। উনাদের প্রতিটি বিষয়ে তিনি এত অধিক গুরুত্ব দিয়ে থাকেন; যা আর কারো ক্ষেত্রেই লক্ষ্য করা যায় না। কুতুবুল আলম, হাদিউল উমাম, বাবুল ইলম, ক্বায়িম-মাক্বামে হযরত যূন নুরাইন আলাইহিস সালাম, আওলাদে রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত শাহদামাদ ছানী ক্বিবলা আলাইহিস সালাম স্বল্পভাষী, সর্বদা উনার ঠোঁট মুবারক উনার মাঝে সুন্নতী মুচকি হাসি শোভা পায়। উনার ইলম কালাম মুবারক উনার প্রখরতা, দৃষ্ট মুবারক উনার সূক্ষ্মতা, কথা মুবারক বলার মিষ্টতা, যিকির-আযকার মুবারক উনার সচেতনতা, সুন্নতী আমল মুবারক উনার পালনের একনিষ্ঠতা সত্যিই তুলনাবিহীন। তিনি পরিপূর্ণরূপেই দুনিয়া বিরাগী এক মহান ব্যক্তিত্ব। কুতুবুল আলম, হাদিউল উমাম, বাবুল ইলম, ক্বায়িম-মাক্বামে হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম, আওলাদে রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত শাহদামাদ ছানী ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি মুবারক সিলসিলাভুক্ত সকল মুরীদান-মুহিব্বীন তথা আমরা যেন ইছলাহ লাভ করতে পারি এজন্য নিয়মিত যিকির আযকার, ছবক ও খিদমত বিষয়ে মুবারক নছীহত করে থাকেন। আমরাসহ সারা বিশ্ববাসী কিভাবে অতি সহজে মু’মিন-মুত্তাক্বী আল্লাহওয়ালা হতে পারি সে বিষয়ে তিনি অতি সযতেœ দিক-নির্দেশনা মুবারক দিয়ে থাকেন। গোলাম হিসেবে উনার প্রতি শুকরিয়া ও মুহব্বত প্রকাশের ভাষা আমাদের জানা নেই। আর সঙ্গত কারণেই উনার সম্মানিত পিতা উনার প্রতি আমাদের বশুমার শুকরিয়া ও ছলাত-সালাম। উনাদের মুবারক উসীলায় আবাদুল আবাদ যেন উনাদের নিছবত, সোহবত, মুহব্বত ও গোলামীতে ইস্তিক্বামত থাকতে পারি সেই তাওফীক আরজু করছি। গোলামের জিন্দেগীর সমস্ত ভুল, গুনাহ-খতার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করছি।





কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন