বাংলাদেশে সংখ্যালঘুরা ভারতের চেয়েও নিরাপদে বাস করছে, ‘সংখ্যালঘু নির্যাতন’ কথাটি কিছু মহলের পরিকল্পিত প্রচারণা
ভারত থেকে প্রতিদিন কী হারে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোক বাংলাদেশে ঢুকছে তা পাসপোর্ট অফিসে গেলে কিছুটা আঁচ করা যায়। এতে বোঝা যায় ভারতীয় হিন্দুরা বাংলাদেশকে তাদের অভয়াশ্রম মনে করে। যাই হোক, হিন্দুরা বলে থাকে বাংলাদেশে জনসংখ্যার মধ্যে হিন্দুর সংখ্যা মুসলমানদের তুলনায় ১০ ভাগ। এটা কাট্টা মিথ্যা কথা। বাংলাদেশের ৬৪টি জেলায় প্রতিদিন অনেক হত্যাকা- হয়ে থাকে সে অনুপাতে হিন্দু খুন হওয়ার কথা উল্লেখযোগ্য নয়। কিন্তু বাস্তবতায় কখনো ২/১ জন হিন্দু খুন হলেই হিন্দুরাতো বটেই সমস্ত মিডিয়া ছটফট শুরু করে দেয়, মন্ত্রী মিনিস্টার পর্যন্ত চলে যায় ওই হিন্দুর বাড়িতে। অপরদিকে ভারতে প্রতিদিন হাজার হাজার নিম্ন বর্ণের হিন্দু তথা দলিত হিন্দু হয় খুন হচ্ছে, না হয় সম্ভ্রমহরণের শিকার হচ্ছে। এসবের খবর ভারতের দৈনিক পত্রিকাগুলোতেই প্রতিদিন প্রকাশিত হচ্ছে। এরদ্বারা বোঝা যায় বাংলাদেশের হিন্দুরা ভারতের হিন্দুদের চেয়ে বেশি নিরাপদে আছে এবং এদেশের মুসলমানদের চেয়েও বেশি নিরাপত্তা পাচ্ছে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে হিন্দু নির্যাতনের অযথা ধোয়া তুলে অনেক হিন্দু আমেরিকাকে ডাক দিচ্ছে, ভারতকে ডাক দিচ্ছে, সেখান থেকে বোঝা যাচ্ছে- এদের উদ্দেশ্য ভালো না। কথিত হিন্দু নির্যাতনের মিথ্যা ধুয়া তুলে এরা বাংলাদেশকে স্বাধীনতাহীন করা অপচেষ্টা চালাচ্ছে। আমরা মেন্দি এন সাফাদি’র ঘটনার মাধ্যমে ইতোমধ্যে জেনেছি, মোসাদ বাংলাদেশের ব্যাপারে ব্যাপক ইন্টারফেয়ার করছে, এবং তাদের ইন্টারফেয়ার করার মূল ছুতো হচ্ছে কথিত সংখ্যালঘু নির্যাতন। যেহেতু মোসাদ চাচ্ছে সংখ্যালঘু নির্যাতন ইস্যুটি সামনে নিয়ে আসতে, তাই কথিত সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে ইহুদীবাদী মিডিয়া ও আন্তর্জাতিক মহলের রয়েছে উদ্দেশ্যমূলক লাফালাফি। প্রকৃতসত্য, বাংলাদেশে কোনো সংখ্যালঘু নির্যাতন নেই। পূর্বে ও ছিলো না। সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিষয়টা পুরোটাই মোসাদ ও তার সহযোগী র’-এর প্রপাগান্ডা।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন