সাইয়্যিদুনা হযরত মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম পিতা উনার বেমেছাল তায়াল্লুক-নিসবত মুবারক; ক্বায়িম-মক্বামে উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনার নীড়ে লালিত-পালিত হওয়ার পাশাপাশি সাইয়্যিদাতুনা হযরত নিবরাসাতুল উমাম আলাইহাস সালাম ও সাইয়্যিদাতুনা হযরত নাক্বীবাতুল উমাম আলাইহাস সালাম উনাদের স্নেহ মমতার সাথে দায়িমী সুন্নত মুবারক উনার ইত্তেবা, যিকির-ফিকির, রিয়াজত-মাশাক্কাত, পবিত্র ইলম উনার প্রখরতা, ইবাদতে একাগ্রতা, খোদাভীতিতে সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি সুমহান ব্যক্তিত্ব হিসেবে ইতিহাসে এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। সুবহানাল্লাহ! মুজাদ্দিদে আ’যম সাইয়্যিদুনা মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার যাহির-বাতিন খলীফা হয়ে সারা বিশ্বব্যাপী মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার প্রতিষ্ঠিত সম্মানিত ইসলামী খিলাফত তিনি শক্ত হাতে পরিচালনা করবেন। যার মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ ফিরে পাবেন মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সেই সোনালি যুগ আর হযরত খুলাফায়ে রাশিদা আলাইহিমুস সালাম উনাদের ইনসাফপূর্ণ শাসন ব্যবস্থা। সুবহানাল্লাহ! আওলাদে রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি হচ্ছেন হক্ব প্রকাশে নিবেদিত প্রাণ। তিনি সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বেদনা, রোগ-শোক, আহার-অনাহার, আমল-আখলাক, রীতি-নীতি, নিদ্রা-জাগরণ, শয়নে-স্বপনে সর্বাবস্থায় দায়িমীভাবে মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক ধ্যানে-খেয়ালে মশগুল থাকেন। মুবারক এই ধ্যান-খেয়াল এত গভীরতর যে, সাক্ষাতের জন্য নিদ্রার প্রয়োজন হয় না। নিদ্রা ও জাগরণ উভয় অবস্থায় অনুক্ষণ দীদার সংঘটিত হচ্ছে। প্রতিনিয়ত মহান আল্লাহ পাক উনার মদদ, ইলহাম-ইলকা আর মিল্লাদুন্না ইলমা উনার জন্য অত্যন্ত সহজাত বিষয়। বুঝতে কষ্ট হয় না যে, ছহিবু হুসনিল খুলুক্ব খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার সাথে মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কি পরিমাণ গভীর মুবারক তাওয়াল্লুক-নিসবত। সুবহানাল্লাহ

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন