পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনাকে কেন্দ্র করে টেলিভিশনে ইসলামী প্রোগ্রামের নামে মিথ্যা প্রচারণা বন্ধ করা হোক
| বাংলাদেশকে বিচ্ছিন্ন করে ইহুদী-খ্রিস্টানদের নিজস্ব রাষ্ট্র করার ষড়যন্ত্র। খ্রিস্টান মিশনারিদের অপতৎপরতায় বাংলাদেশ পাশ্ববর্তী ভারতের (সেভেন সিস্টার) সাত রাজ্যের মধ্যে, কয়েকটিতে খ্রিস্টানরা এখন সংখ্যাগরিষ্ঠ। বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং মিয়ানমারের শিন রাজ্যেও খ্রিস্টান মিশনারিদের একই ধরনের অপতৎপরতা পরিচালিত হয়। বাংলাদেশের ধর্ম মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে নিযুক্ত ইসলামিক ফাউন্ডেশন-এর পেশকৃত তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, রাঙামাটিকে কেন্দ্র করে পুরা পার্বত্য অঞ্চলকে খ্রিস্টানীকরণ তৎপরতা চালানো হচ্ছে। বিদেশী কূটনীতিকদের আনাগোনা এখানে সবচাইতে বেশি। কোনো কোনো এলাকায় খ্রিস্টান ব্যতীত অন্য ধর্মের অস্তিত্ব বিলুপ্ত হয়েছে। খ্রিস্টান এনজিওগুলির আর্থিক সহযোগিতা ও লোভনীয় টোপে প্ররোচিত হয়ে গরিব উপজাতীয়রা খ্রিস্টান হচ্ছে। এখন এই নব্য-খ্রিস্টান উপজাতিদের ‘আদিবাসী’ পরিচয় দিয়ে কথিত জাতিসংঘের (মূলত ইহুদী সংঘ) আইএলও সনদ ১৬৯ স্বাক্ষর করিয়ে পূর্ব তিমুর ও দক্ষিণ সুদানের মতো করে বাংলাদেশ থেকে পার্বত্য চট্টগ্রামকে বিচ্ছিন্ন করে নব্য-খ্রিস্টানদের জন্য জুমল্যান্ড নামের স্বাধীন রাষ্ট্র করার গভীর ষড়যন্ত্র চলছে। বাংলাদেশ-ভারত ও মিয়ানমারে কয়েকটি উপজাতীয় জনগোষ্ঠীকে ইহুদীরা বলছে- তারা হচ্ছে তাদের হারানো গোত্র। তাদেরকে ইহুদীরা বলছে যুশেফ (হযরত ইউসুফ আলাইহিস সালাম) উনার ছেলে মেনাসের বংশধর। ইহুদীদের আরো দাবি যে, ইহুদীদের হারানো ১০ গোত্রের কয়েকটি ইহুদী গোত্র বাংলাদেশ-ভারত ও মিয়ানমারে অন্য অঞ্চলে বাস করে । ইহুদীদের বিভিন্ন গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ-ভারত ও মিয়ানমারে শিন-কুকি-মিজো এবং অন্য পাহাড়িদের মধ্যে ৪০ থেকে ৫০ লাখ জনগোষ্ঠী রয়েছে, যারা এক সময়ের হারানো ইহুদী গোত্রের বংশধর। এই সংখ্যক জনগোষ্ঠী একটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য পর্যাপ্ত । ইহুদীদের সংগঠন শিঙল্যাং ইসরাইল পিপলস কনভেনশনের (সিআইপিসি) প্রতিষ্ঠাতা লালশানিমা সাইলো তার বক্তব্যে বলেছে, সিআইপিসির লক্ষ এখানকার ইহুদীদের ইসরাইলে পুনর্বাসনের জন্য পাঠানো নয়, বরং জাতিসংঙ্ঘের সহযোগিতার মাধ্যমে এই এলাকায় ইসরাইলীদের একটি পৃথক রাষ্ট্র গঠন করা। বাংলাদেশ-ভারত ও মিয়ানমারে শিন-কুকি-মিজো এবং অন্য পাহাড়িদের মধ্যে ৪০ থেকে ৫০ লাখ জনগোষ্ঠদের জন্য ‘শিঙল্যাং ইসরাইল’ নামের নতুন ইহুদী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য ইহুদী-খ্রিস্টানদের একটি গোপন সমঝোতা হয়েছে। এই সমঝোতা অনুসারে একটি ইহুদি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সহযোগিতার বিনিময়ে ইহুদিরা এই অঞ্চলে আলাদা খ্রিস্টান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় খ্রিষ্টানদের সহযোগিতা করবে। বর্তমানে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু অধিকারের নামে কিছু দালাল সংগঠন লম্ফ-ঝম্ফ করছে এগুলি মূলত ইহুদি-খ্রিস্টানদের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ এবং সিআইএ তাদের ষড়যন্ত্র। মোসাদ এবং সিআইএ তাদের লক্ষ্য বাংলাদেশকে বিচ্ছিন্ন করে ইহুদী-খিস্টানদের জন্য নিজস্ব রাষ্ট্র করা। ইহুদী-খ্রিস্টানরা তাদের ষড়যন্ত্র নিয়ে এত গভীরে চলে গেছে, আর আমরা এখনও ঘুমিয়ে আছি। আমাদের ঘুম ভাঙ্গবে কবে? আমরা এখন দেখব ইহুদী-খ্রিস্টানদের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সরকারের পক্ষ থেকে কি পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়। |
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন