
মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার কালাম পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
قل لا اسئلكم عليه اجرا الا الـمودة فى القربى
অর্থ: “হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি (উম্মতকে) বলুন, আমি তোমাদের নিকট কোনো বিনিময় চাই না। (উম্মতের পক্ষে বিনিময় দেয়াটাও কখনই সম্ভব নয়)। তবে তোমাদের দায়িত্ব হ”েছ আমার আপনজন- অর্থাৎ হযরত আহলু বাইত ও আওলাদ আলাইহিমুস সালাম উনাদের প্রতি মুহব্বত রাখবে।” (পবিত্র সূরা শূরা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ২৩)
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, রঈসুল মুফাসসিরীন হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
احبوا الله لما يغدوكم من نعمة واحبونى لحب الله واحبوا اهل بيتى لحبى
“মহান আল্লাহ পাক উনাকে তোমরা মুহব্বত করো। কেননা, তিনি তোমাদের প্রতি খাওয়া-পরার মাধ্যমে অনুগ্রহ করে থাকেন। আর আমাকে তোমরা মুহব্বত করো মহান আল্লাহ পাক উনার মুহব্বত পাওয়ার জন্য। আর আমার আহলে বাইত-আওলাদ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করো আমার মুহব্বত পাওয়ার জন্য।” (তিরমিযী শরীফ, মিশকাত শরীফ)
অতএব, এ বিষয়টি অত্যন্ত সুস্পষ্ট যে, খলীফাতুল্লাহ উমাম সাইয়্যিদুনা হযরত শাহযাদা হুযূর ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি উপরোক্ত পবিত্র আয়াত শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের হাক্বীক্বী মিছদাক। কাজেই উনাকে মুহব্বত করা, উনার খিদমত করা এবং উনার আনুগত্য বা অনুসরণ করা সকল বান্দা-বান্দী ও উম্মতের জন্য ফরয। এ ফরয পালনকারীরা অবশ্যই কামিয়াবী লাভে ধন্য হবেন।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন