মঙ্গলবার, ৭ জুন, ২০১৬

আল ওয়ালিইয়্যু ওয়ালিই ইয়ান ওয়ালাও কানা ছবিইইয়ান

আল ওয়ালিইয়্যু ওয়ালিই ইয়ান ওয়ালাও কানা ছবিইইয়ান


সেইদিন ছিল ৪৭১ হিজরী উনার পবিত্র শা’বান শরীফ মাসের ২৯ তারিখ, যেদিন জিলান নগরের আকাশ ছিল মেঘাচ্ছন্ন। চাঁদ দেখতে না পেয়ে সাবধানতাবশতঃ লোকেরা সাহরী খেয়ে পরদিন এক মহান আল্লাহ পাক উনার ওলী উনার কাছে চাঁদ দেখা বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জবাবে বলেন: হযরত সাইয়্যিদ আবু ছালেহ মুসা জঙ্গীদোস্ত রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে জিজ্ঞাসা করো উনার নবজাতক সন্তান আজকে সুবহে ছাদিক থেকে মায়ের দুধ পান করেছেন কিনা। এটাই পবিত্র রমযান শরীফ উনার চাঁদ উঠা না উঠাকে প্রতিপন্ন করবে। সংবাদ নিয়ে দেখা গেলো নবজাতক শিশু সুবহে ছাদিক থেকে দুধ পান হতে বিরত রয়েছেন। এমন সময়ে সংবাদ এলো গতকাল চাঁদ দেখার প্রমাণ পাওয়া গেছে। নগরবাসী শিশু ওলী উনার পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাসের প্রথম রোযা রাখার কারামত দেখে হতবাক হয়ে গেলো। তারা সত্যিকার অর্থে নায়েবে রসূলের পরিচয় লাভ করে বুঝতে পারলো জাহিরী আলিমরা নব চাঁদ না দেখলেও ঠিকই হযরত গাউছুল আ’যম রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি চাঁদ দেখে প্রথম রোযা রেখেছেন। এ প্রসঙ্গে তিনি তার একটি ক্বাছীদায় বলেন, “আমার শৈশবকালের যিকির-আযকারে সমগ্র জগৎ পরিপূর্ণ হয়ে আছে। আর শৈশবের দোলনায় আমার রোযা পালনের ব্যাপারটি তো প্রসিদ্ধি লাভ করেছে।” জনৈক কবি বলেন: রমযানের প্রথম রাতে আপনার শুভ আগমনী, কেউ জানে না চাঁদের খবর জানে গাউছে ছামদানী। যা হোক, গাউছুল আ’যম হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মহান উসীলায় শিশুকালে রমযানের চাঁদ দেখা, না দেখা এবং রমাদ্বানের রোযা রাখা, না রাখার ফায়ছালা হয়ে গেলো। সুবহানাল্লাহ! শিশু হলে কি হবে, সত্যিই তিনি মহান ওলী। এজন্য কথায় বলে “আল ওয়ালিইয়্যু ওয়ালিই ইয়ান ওয়ালাও কানা ছবিইইয়ান।”


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন