ইনজেকশন নিলে রোজা নিশ্চিতভাবেই ভঙ্গ হবে

মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন-
فَمَن شَهِدَ مِنكُمُ الشَّهْرَ فَلْيَصُمْهُ ۖوَمَن كَانَ مَرِيضًا أَوْ عَلَىٰ سَفَرٍ فَعِدَّةٌ مِّنْ أَيَّامٍ أُخَرَ ۗ يُرِيدُ اللَّـهُ بِكُمُ الْيُسْرَ وَلَا يُرِيدُ بِكُمُ الْعُسْرَ
অর্থ : “তোমাদের মধ্যে যে লোক এ রমাদ্বান মাসটি পাবে, সে এ মাসের রোযা রাখবে। আর যদি কেউ অসুস্থ বা মুসাফির হয়, তবে অন্য সময় রোযাগুলো আদায় করবে। মহান আল্লাহ পাক তোমাদের জন্য সহজ করতে চান; তোমাদের জন্য জটিলতা কামনা করেন না।” (সূরা বাক্বারা : ১৮৫ )
মহান আল্লাহ পাক দ্বীন পালনকে বান্দাদের জন্য জটিল বা কঠিন না করে বরং সহজ করে দিয়েছেন। কিন্তু কাফিরদের দালাল এক শ্রেণীর নামধারী আলিম বিশেষত সালাফীরা এবং তাদের পোষ্য নামধারী ডাক্তাররা (এরা মূলত ডাক্তার নামের কলঙ্ক) দ্বীনের মধ্যে কাঠিণ্যতা আরোপ করে দ্বীনকে কঠিন করার অপচেষ্টা করে যাচ্ছে। তারা অসুস্থ ব্যক্তিদেরকে বিশেষত যারা ডায়াবেটিক ও শ্বাসরোগে আক্রান্ত ব্যক্তিকে রোযারত অবস্থায় ইনসুলিন ও ইনহেলার প্রদানের কুপরামর্শ প্রদান করে বলছে, এতে রোযা ভঙ্গ হয় না। নাঊযুবিল্লাহ।
অথচ পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ হয়েছে-
عَنِ حَضَرَتْ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ اِنَّـمَا الْوُضُوءُ مِـمَّا خَرَجَ وَلَيْسَ مِـمَّا دَخَلَ وَاِنَّـمَا الْفِطْرُ مِـمَّا دَخَلَ وَلَيْسَ مِـمَّا خَرَجَ
অর্থ : “হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বর্ণনা করেন, কিছু ভিতরে প্রবেশ করলে রোযা ভঙ্গ হয়ে যাবে, বের হলে রোযা ভঙ্গ হবেনা।” (সুনানুল কবীর লি বায়হাক্বী ১ম খন্ড ১১৬ পৃষ্ঠা, হাদীছ শরীফ নং ৫৭৯; সুনানুল কবীর লি বায়হাক্বী ৪র্থ খন্ড ২৬১ পৃষ্ঠা, হাদীছ শরীফ নং ৮৫১২; সুনানুছ ছগীর লি বায়হাক্বী ২য় খন্ড ১০১ পৃষ্ঠা; সুনানুছ ছগীর লি বায়হাক্বী ৩য় খন্ড ৩৩০ পৃষ্ঠা; তিবরানী, ইবনে আবী শায়বা)
এছাড়া্ও উম্মুল মু’মিনীন হযরত ছিদ্দীকা আলাইহাস সালাম ও হযরত ইবনে মাসঊদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে শব্দগত কিছু তারতম্যসহ হাদীছ শরীফখানা বর্ণিত রয়েছে।
উপরোক্ত হাদীছ শরীফের ভিত্তিতে রোযা ভঙ্গের উছূল হচ্ছে- শরীরে কোন কিছু প্রবেশ করা, তা মূল রাস্তা দিয়ে প্রবেশ করুক বা না করুক।
এ প্রসঙ্গে কিতাবে উল্লেখ করা হয় যে,
ابو حنيفة رحـمه الله تعالى يقول الـمفسد للصوم وصول الـمفطر الى با طنه فالعبرة للواصل لا للمسلك.
অর্থ : “হযরত ইমাম আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন, রোযা ভঙ্গের কারণ হলো- রোযা ভঙ্গকারী কোন কিছু ভিতরে প্রবেশ করা, সুতরাং পৌঁছাটাই গ্রহণযোগ্য, মূল রাস্তা নয়।” (মাবসূত)
আর ফতহুল ক্বাদীর ২য় খন্ড ২৬৬ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করা হয়েছে যে,
وابو حنيفة رحـمة الله عليه وسلم يعتبر الوصول.
অর্থ : “হযরত ইমাম আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট পৌঁছাটাই গ্রহণযোগ্য।”
অতএব, মূল রাস্তা দিয়ে প্রবেশ করুক অথবা মূল রাস্তা ব্যতীত অন্য কোন স্থান দিয়েই প্রবেশ করুক না কেন, যদি মগজ অথবা পেটে পৌঁছে, তবে রোযা ভঙ্গ হয়ে যাবে।
অতএব, যে সকল বিষয় সরাসরি কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফ অথবা ইজমা দ্বারা সাব্যস্ত হয়ে গেছে, ঐ সকল বিষয়ে কারো কোন ব্যক্তিগত ক্বিয়াস মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়। আর রোযা হচ্ছে তাক্বওয়া বা আল্লাহভীতি অর্জনের মাস। তাই ইনসুলিন ও ইনহেলার ব্যবহার করে যারা রোযাদার সাজে তারা মূলত ধোকাবাজ। এসমস্ত ধোকাবাজদের সমাজের সর্বস্তরে লাঞ্ছিত করা উচিত।
فَمَن شَهِدَ مِنكُمُ الشَّهْرَ فَلْيَصُمْهُ ۖوَمَن كَانَ مَرِيضًا أَوْ عَلَىٰ سَفَرٍ فَعِدَّةٌ مِّنْ أَيَّامٍ أُخَرَ ۗ يُرِيدُ اللَّـهُ بِكُمُ الْيُسْرَ وَلَا يُرِيدُ بِكُمُ الْعُسْرَ
অর্থ : “তোমাদের মধ্যে যে লোক এ রমাদ্বান মাসটি পাবে, সে এ মাসের রোযা রাখবে। আর যদি কেউ অসুস্থ বা মুসাফির হয়, তবে অন্য সময় রোযাগুলো আদায় করবে। মহান আল্লাহ পাক তোমাদের জন্য সহজ করতে চান; তোমাদের জন্য জটিলতা কামনা করেন না।” (সূরা বাক্বারা : ১৮৫ )
মহান আল্লাহ পাক দ্বীন পালনকে বান্দাদের জন্য জটিল বা কঠিন না করে বরং সহজ করে দিয়েছেন। কিন্তু কাফিরদের দালাল এক শ্রেণীর নামধারী আলিম বিশেষত সালাফীরা এবং তাদের পোষ্য নামধারী ডাক্তাররা (এরা মূলত ডাক্তার নামের কলঙ্ক) দ্বীনের মধ্যে কাঠিণ্যতা আরোপ করে দ্বীনকে কঠিন করার অপচেষ্টা করে যাচ্ছে। তারা অসুস্থ ব্যক্তিদেরকে বিশেষত যারা ডায়াবেটিক ও শ্বাসরোগে আক্রান্ত ব্যক্তিকে রোযারত অবস্থায় ইনসুলিন ও ইনহেলার প্রদানের কুপরামর্শ প্রদান করে বলছে, এতে রোযা ভঙ্গ হয় না। নাঊযুবিল্লাহ।
অথচ পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ হয়েছে-
عَنِ حَضَرَتْ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ اِنَّـمَا الْوُضُوءُ مِـمَّا خَرَجَ وَلَيْسَ مِـمَّا دَخَلَ وَاِنَّـمَا الْفِطْرُ مِـمَّا دَخَلَ وَلَيْسَ مِـمَّا خَرَجَ
অর্থ : “হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বর্ণনা করেন, কিছু ভিতরে প্রবেশ করলে রোযা ভঙ্গ হয়ে যাবে, বের হলে রোযা ভঙ্গ হবেনা।” (সুনানুল কবীর লি বায়হাক্বী ১ম খন্ড ১১৬ পৃষ্ঠা, হাদীছ শরীফ নং ৫৭৯; সুনানুল কবীর লি বায়হাক্বী ৪র্থ খন্ড ২৬১ পৃষ্ঠা, হাদীছ শরীফ নং ৮৫১২; সুনানুছ ছগীর লি বায়হাক্বী ২য় খন্ড ১০১ পৃষ্ঠা; সুনানুছ ছগীর লি বায়হাক্বী ৩য় খন্ড ৩৩০ পৃষ্ঠা; তিবরানী, ইবনে আবী শায়বা)
এছাড়া্ও উম্মুল মু’মিনীন হযরত ছিদ্দীকা আলাইহাস সালাম ও হযরত ইবনে মাসঊদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে শব্দগত কিছু তারতম্যসহ হাদীছ শরীফখানা বর্ণিত রয়েছে।
উপরোক্ত হাদীছ শরীফের ভিত্তিতে রোযা ভঙ্গের উছূল হচ্ছে- শরীরে কোন কিছু প্রবেশ করা, তা মূল রাস্তা দিয়ে প্রবেশ করুক বা না করুক।
এ প্রসঙ্গে কিতাবে উল্লেখ করা হয় যে,
ابو حنيفة رحـمه الله تعالى يقول الـمفسد للصوم وصول الـمفطر الى با طنه فالعبرة للواصل لا للمسلك.
অর্থ : “হযরত ইমাম আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন, রোযা ভঙ্গের কারণ হলো- রোযা ভঙ্গকারী কোন কিছু ভিতরে প্রবেশ করা, সুতরাং পৌঁছাটাই গ্রহণযোগ্য, মূল রাস্তা নয়।” (মাবসূত)
আর ফতহুল ক্বাদীর ২য় খন্ড ২৬৬ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করা হয়েছে যে,
وابو حنيفة رحـمة الله عليه وسلم يعتبر الوصول.
অর্থ : “হযরত ইমাম আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট পৌঁছাটাই গ্রহণযোগ্য।”
অতএব, মূল রাস্তা দিয়ে প্রবেশ করুক অথবা মূল রাস্তা ব্যতীত অন্য কোন স্থান দিয়েই প্রবেশ করুক না কেন, যদি মগজ অথবা পেটে পৌঁছে, তবে রোযা ভঙ্গ হয়ে যাবে।
অতএব, যে সকল বিষয় সরাসরি কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফ অথবা ইজমা দ্বারা সাব্যস্ত হয়ে গেছে, ঐ সকল বিষয়ে কারো কোন ব্যক্তিগত ক্বিয়াস মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়। আর রোযা হচ্ছে তাক্বওয়া বা আল্লাহভীতি অর্জনের মাস। তাই ইনসুলিন ও ইনহেলার ব্যবহার করে যারা রোযাদার সাজে তারা মূলত ধোকাবাজ। এসমস্ত ধোকাবাজদের সমাজের সর্বস্তরে লাঞ্ছিত করা উচিত।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন