ধর্মব্যবসায়ীদের বানানো গল্প ইসলামী শরীয়ত উনার দলীল নয়

মানুষ গল্প শুনতে অত্যান্ত পছন্দ করে। অর্থাৎ যেখানে গল্প সেখানেই মানুষ। এজন্য ধর্ম ব্যবসায়ী আলিমরা সাধারণ মানুষদেরকে গল্প বানিয়ে বানিয়ে ইসলামের কিছু বিষয়ে দলীল দিয়ে থাকে। আর সাধারণ মানুষ সেটাই মেনে থাকে। কিন্তু খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি তো গল্পটাকে দলীল হিসেবে গ্রহণ করতে বলেননি। বরং খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ উনার ১১১ নম্বর পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে বলেছেন, “যদি তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাকো, তাহলে দলীল পেশ করো।” এবং সেই দলীল সম্পর্কে উছুল সংক্রান্ত কিতাবে বর্ণিত রয়েছে যে, পবিত্র শরীয়ত উনার উছুল চারটি। পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, ইজমা শরীফ, কিয়াস শরীফ। অর্থাৎ এই চারটি উছুল থেকে আমাদের দলীল গ্রহণ করতে হবে। আর ধর্মব্যবসায়ীদের বানানো গল্প আমাদের দলীল হিসেবে গ্রহণ করা যাবে না। মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা যেন আমাদের সবাইকে সঠিক দলীল গ্রহণ করার তাওফীক দান করেন। আমীন!

মানুষ গল্প শুনতে অত্যান্ত পছন্দ করে। অর্থাৎ যেখানে গল্প সেখানেই মানুষ। এজন্য ধর্ম ব্যবসায়ী আলিমরা সাধারণ মানুষদেরকে গল্প বানিয়ে বানিয়ে ইসলামের কিছু বিষয়ে দলীল দিয়ে থাকে। আর সাধারণ মানুষ সেটাই মেনে থাকে। কিন্তু খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি তো গল্পটাকে দলীল হিসেবে গ্রহণ করতে বলেননি। বরং খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ উনার ১১১ নম্বর পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে বলেছেন, “যদি তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাকো, তাহলে দলীল পেশ করো।” এবং সেই দলীল সম্পর্কে উছুল সংক্রান্ত কিতাবে বর্ণিত রয়েছে যে, পবিত্র শরীয়ত উনার উছুল চারটি। পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, ইজমা শরীফ, কিয়াস শরীফ। অর্থাৎ এই চারটি উছুল থেকে আমাদের দলীল গ্রহণ করতে হবে। আর ধর্মব্যবসায়ীদের বানানো গল্প আমাদের দলীল হিসেবে গ্রহণ করা যাবে না। মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা যেন আমাদের সবাইকে সঠিক দলীল গ্রহণ করার তাওফীক দান করেন। আমীন!
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন