শনিবার, ২৩ জুলাই, ২০১৬

পবিত্র দুরূদ শরীফ উনার ফাযায়িল-ফযীলত

পবিত্র দুরূদ শরীফ উনার ফাযায়িল-ফযীলত


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ উনার ৫৬ নম্বর পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূল পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি ছলাত-সালাম তথা পবিত্র দুরূদ শরীফ পাঠ করেন। হে ঈমানদারগণ! তোমরাও তোমাদের নবী নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি পবিত্র দুরূদ শরীফ পাঠ করো পাঠ করার মতো।” এই পবিত্র আয়াত শরীফ উনার দ্বারা বুঝা যায় যে, খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র দুরূদ শরীফ পাঠ করেন এবং আমাদেরকেও খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পাঠ করার মুবারক নির্দেশ দিয়েছেন। কাজেই আমাদের উচিত হলো- খুব আদবের সাথে ও মুহব্বতের সাথে পবিত্র দুরূদ শরীফ পাঠ করা। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “যে ব্যক্তি একবার দুরূদ শরীফ পাঠ করবে উনার প্রতি দশটি রহমত মুবারক নাযিল হবে, দশটি গুনাহখতা ক্ষমা হবে এবং দশটি মর্যদা বৃদ্ধি হবে।” সুবহানাল্লাহ! এ প্রসঙ্গে একটি ঘটনা বর্ণিত রয়েছে যে, একবার একজন লোক মারা গেলো। তারপর যখন তার হিসাব-নিকাশ করা হলো তখন তার নেকীর পাল্লা হালকা হয়ে গেলো এবং বদীর পাললা ভারী হয়ে গেলো অর্থাৎ সে জানতে পারলো জাহান্নামী হবে; তখন সে কান্নাকাটি শুরু করলো। এমন অবস্থায় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ওই ব্যক্তির নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি দয়া করে উনার পকেট মুবারক থেকে একটি বরকতময় কাগজ বের করে তার নেকীর পাল্লায় রেখে দিলেন। এতে নেকীর পাল্লা ওজনে ভারী হয়ে গেলো এবং বদীর পাল্লা হালকা হয়ে গেলো। ওই কাগজটি ছিলো সে ব্যক্তি দুনিয়ায় থাকতে যে দুরূদ শরীফ পাঠ করেছিলো সেই পবিত্র দুরূদ শরীফ লিখিত কাগজ মুবারক। এ কাগজ মুবারক উনার কারণে তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে গেলো। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমাদেরকে বেশি বেশি পবিত্র দুরূদ শরীফ পাঠ করার তাওফীক দান করুন। আমীন!


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন