মঙ্গলবার, ২৬ জুলাই, ২০১৬

মুসলমানদের নির্মম যুলুম করায় খোদায়ী গযব বন্যায় বিপর্যস্ত চীন।

মুসলমানদের নির্মম যুলুম করায় খোদায়ী গযব বন্যায় বিপর্যস্ত চীন।


প্রবল বৃষ্টিপাতের কারণে সৃষ্ট বন্যায় রাজধানী বেইজিংসহ চীনজুড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির চিত্র প্রকাশ করেছে চীনের বেসামরিক প্রতিরক্ষা দফতর। প্রবল বৃষ্টিপাতের ফলে বন্যা ও অনেক এলাকায় ভূমিধেসের ঘটনাও ঘটেছে। ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে সৃষ্ট বন্যা এবং ভূমিধেসের কারণে পর্যন্ত বহু লোক নিহত এবং বহু লোক নিখোঁজ রয়েছে। অতি বৃষ্টিপাতের কারণে হেবেই প্রদেশের মোট ১১টি শহরের ১ কোটি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ধ্বংস হয়েছে ১ লক্ষের বেশি ঘরবাড়ি। বিনষ্ট হয়েছে যার ১ কোটি হেক্টর যমীর ফসল। অবিরাম প্রবল বৃষ্টিপাতের কারণে অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। সড়কে পানি জমে যাওয়ার কারণে বিভিন্ন এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থাও ভেঙে পড়েছে। বিভিন্ন সড়কে দেখা দিয়েছে তীব্র যানজট। সেন্ট্রাল হেবেইতে মুষলধারে বৃষ্টিতে বহু লোক নিখোঁজ রয়েছে বলে প্রাদেশিক নাগরিক বিষয়ক বিভাগ জানিয়েছে। সেখানে তার অর্ধ কোটির মতো মানুষ উচ্ছেদ হয়ে গেছে ও ১ লক্ষের মতো ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। বেইজিংয়ে মঙ্গলবার থেকে অবিরাম বর্ষণ শুরু হয়েছে। বন্যা আক্রান্ত শহরগুলোতে শত শত বিমান ও ট্রেনের যাত্রা বাতিল করা হয়েছে। বৃষ্টিতে সেন্ট্রাল চীনের নদীর বাধ হুমকির মুখে পড়েছে। কর্তৃপক্ষ ভারী সরঞ্জাম ব্যবহার করে বাঁধ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে। বন্যায় চীনের অর্থনীতিতে কয়েক মিলিয়ন ডলারের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। আরো কঠিন পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। বর্তমানে চীনের এই ভয়াবহ বন্যা মূলত খোদায়ী গযব। বর্তমানে চীনের কয়েকটি প্রদেশে মুসলমানরা সংখ্যাগরিষ্ঠ। বেইজিংয়ের রেনমিন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা কেন্দ্র পরিচালিত ‘চীনা ধর্ম জরিপ’ শীর্ষক গবেষণায় বলা হয়, তরুণদের কাছে সবচেয়ে জন প্রিয় ধর্ম হচ্ছে ইসলাম। আর এই ভয়েই চীনের যালিম কমিউনিস্ট সরকার মুসলমানদের উপর সদা-সর্বদা যুলম-নির্যাতন চালায়। মহান আল্লাহ পাক এবং উনার প্রিয়তম হাবীব, নূরে মজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা মুসলমানদেরকে অত্যন্ত মুহব্বত করে থাকেন। মুসলমানদেরকে যুলম-নির্যাতন করলে মহান আল্লাহ পাক এবং উনার প্রিয়তম হাবীব, নূরে মজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা অত্যন্ত অসন্তষ্ট হয়ে থাকেন। আর চীনের যালিম কমিউনিস্ট সরকার মুসলমানদের উপর নির্মম যুলম-নির্যাতন চালিয়েছে। মুসলমানরা ইসলামী পোশাক পরিধান করলে গ্রেফতার করে জেল-জরিমানা করা হচ্ছে করা হয়েছে। মুসলিম ব্যবসায়ীরা মদ ও সিগারেট বিক্রয় করতে অস্বীকৃতি জানালে জেল-জরিমানার ভয় দেখানো হয়েছে । হাজার হাজার মুসলমানকে গ্রেফতার করা হয়েছে ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশ নেয়ার জন্য। মুসলিম শিশুদের ইসলাম শিক্ষা দেয়ার উপরও নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। মুসলমানদের রেস্টুরেন্টগুলোতে মদ ও শূকরের গোস্ত বিক্রি করাতে বাধ্যতামূলক আদেশ জারি করা হয়েছে। পবিত্র তারাবী নামাযের উপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। দাড়ি রাখা ও হিজাব পরার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। মুসলমানদের ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান, তাদের ঘরবাড়ি বহুবার ধ্বংস করা হয়েছে। চীনের যালিম কমিউনিস্ট সরকার মুসলমানদের পবিত্র রমযান শরীফ উনার ফরয রোযা পালনে বাধা দিয়েছে। চীন সরকারের নির্দেশে চীনের সেনাবাহিনী লক্ষ-লক্ষ নীরহ মুসলমানদেরকে পাখির মতো গুলি করে শহীদ করছে। যেই কারনে মহান পাক উনার খাস লক্ষ্য স্থলওলী (বন্ধু) তিনি চীনের উপর অত্যন্ত অসন্তষ্ট হয়েছেন। আর তাই মহান আল্লাহ পাক তিনি চীনে যালিম কাফিরদের বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষণা করেছেন। যার কারণে খাদায়ী গযব বন্যায় বিপর্যস্ত চীন।


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন