শুক্রবার, ২২ জুলাই, ২০১৬

পূর্ব-তিমুর ও দক্ষিণ সুদানের মতো পার্বত্য চট্টগ্রামকেও বাংলাদেশ থেকে পৃথক করার ষড়যন্ত্র চলছে (৩)

পূর্ব-তিমুর ও দক্ষিণ সুদানের মতো পার্বত্য চট্টগ্রামকেও বাংলাদেশ থেকে পৃথক করার ষড়যন্ত্র চলছে (৩)


মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে এক ব্রিগেড সৈন্য ও ৩৫টি সেনা ক্যাম্প প্রত্যাহার করা হয়েছে। এর ফলে সেখানে সন্ত্রাসী কর্মকা- বেড়েছে। পরিত্যক্ত সেনা ক্যাম্পগুলোতে এখন উপজাতি সন্ত্রাসীরা আশ্রয় নিয়েছে। ওই অঞ্চলগুলো এখন উপজাতি সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। কিন্তু সন্তু লারমা এর কোনো প্রতিবাদ করছে না। যখন বরকলে (২১ মে ২০১১) বড় ধরনের সন্ত্রাসী ঘটনা ঘটেছিল, তখনও প্রতিবাদ করেনি সন্তু লারমা। তথাকথিত ‘ভূমি অধিকার’ এর কথা বলে সে মূলত চাচ্ছে ‘পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন’(?) এবং সেই সাথে ওই অঞ্চল থেকে বাঙালিদের বিতাড়ন। এর আগে সে একবার বাঙালিদের নোয়াখালীর চরে প্রত্যাবাসনের প্রস্তাবও দিয়েছিলে। এ ধরনের সাহস সে কোথায় পায়, ভাবতেই অবাক লাগে। দুঃখজনক হলেও সত্য, তথাকথিত বাম বুদ্ধিজীবী তথা কুশীল সমাজ সন্তু লারমার ওই বক্তব্যের সমালোচনা করেনি। বাঙালিরা তাদের অধিকার নিয়ে সেখানে থাকেন। সংবিধান তাদের সেই অধিকার দিয়েছে। পাহাড়িরা ভূমিপুত্র নয়। চাকমাদের আদি বাসস্থান ছিল উত্তর ভারতের হিমালয়ের পাদদেশে। ‘চম্পকনগর’ নামক স্থানে ছিল তাদের রাজধানী। বৌদ্ধধর্মে বিশ্বাসী চাকমাদের উপর নির্যাতনের মাত্রা বেড়ে গেলে তারা দেশান্তরিত হয়ে আশ্রয় নেয় পার্বত্য চট্টগ্রামের বিরান এলাকায়। পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে পুনরায় ‘ষড়যন্ত্র’ হচ্ছে বলে আমরা আশঙ্কা করছি। এ দেশের মানুষ পার্বত্য চট্টগ্রামকে নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্রকেই বরদাশত করবে না।



কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন