বুধবার, ২৭ জুলাই, ২০১৬

আওলাদে রসূল হযরত নাক্বীবাতুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার সুমহান পবিত্র আযীমুশ শান নিকাহ বা নিসবাতুল আযীম মুবারক

আওলাদে রসূল হযরত নাক্বীবাতুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার সুমহান পবিত্র আযীমুশ শান নিকাহ বা নিসবাতুল আযীম মুবারক




বেশুমার ছলাত ও সালাম মুবারক সাইয়্যিদুনা হযরত মামদূহ আক্বা আলাইহিস সালাম ও হযরত আহলে পাক শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুবারক স্মরণে। বেহদ পবিত্র দুরূদ শরীফ ও সালাম শরীফ সাইয়্যিদাতুনা হযরত নাক্বীবাতুল উমাম আলাইহাস সালাম ও সাইয়্যিদুনা হযরত শাহদামাদ আউওয়াল হুযূর ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনাদের মুবারক চরণে। দোয়া চাই, করুণা চাই মুজাদ্দিদে আ’যম, বাহরুল উলূম, মাখজানুল মা’রিফাহ মামদূহ আক্বা উনার মুবারক ক্বদমে। যেন লিখতে পারি উনাদের সুমহান পবিত্র শান-মান, বুযুর্গী-সম্মান এই অধমে। গড়তে চাই ভবে মামদূহ পবিত্র আহাল পাক উনার ছানার তাজমহল; ক্বিবলা কা’বা উনার করুণা পেলেই হবো যে সফল। ধন্য পবিত্র শাওওয়াল শরীফ। ধন্য তার নব হিলাল। ধন্য আসমানের ওই অসংখ্য শিহাব-সিতারা। ধন্য গ্রহ-নক্ষত্র-পর্বত সারা। ধন্য আরশ-পরশ পুরো কায়িনাত। ধন্য হুর মালাইক-মু’মিন-মু’মিনাত। ধন্য পুণ্য ওই নূরে রওশন আউলিয়াবাগ। বলছে সবাই আল বালাগ, আল বালাগ। তাশরীফ- মুজাদ্দিদ যাদী, শাহযাদী ঊলা সাইয়্যিদাহ মুহ্তারামাহ। স্বাগতম হে হাবীবী আওলাদ মিছাদাক্বে হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম! আপনার মুবারক চরণ পরশে খোদ আরশ পাক ধনবান। মাখলূক্ব সবে জানাই আহলান সাহলান। মারহাবা ইয়া উলা শায়েখযাদী সাইয়্যিদা নূরী আত্বহার! আপনার (আগমন) পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ উনার তরে সৃষ্টি করেছে অধীর আগ্রহে ইনতিযার। পুরিলো তাদের আশা- করিলেন পবিত্র সুন্নাহ শরীফ আবাদ। মারহাবা- ইয়া মামদূহযাদী! জিন্দাবাদ! জিন্দাবাদ! সাইয়্যিদাতুনা হযরত নাক্বীবাতুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি মুজাদ্দিদে আ’যম, গাউছুল আ’যম, ইমামে আ’যম, আওলাদে রসূল, মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার প্রথমা আওলাদ। তিনি উনার লখতে জিগার নয়নমণি। তিনি খোদ নূরে ইলাহী, খায়ের খনি। তিনি আউলিয়া সম্রাটযাদী, মালিকায়ে জাহান। উনার মুবারক চরণ তলে আউলিয়াকুলের শির শোভামান। হাবীবা হয়ে সৃষ্টি যিনি, কে লিখতে পারে শান-মান উনার। মুহূর্ত, ঘণ্টা, দিন কতেক বৎসর পেরিয়ে আবারও হাজির সেই মুবারক শাওওয়াল মাস। যেই বরকতী মাসে গুলে মদীনা, নূরে হাবীবা, সাইয়্যিদাতুন নিসা, আফদ্বালুন নিসা, আওলাদে রসূল সাইয়্যিদাতুনা হযরত নাক্বীবাতুল উমাম আলাইহাস সালাম খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের পক্ষ থেকে রহমতে খাছ নিয়ে দুনিয়ার যমীনে তাশরীফ এনে কুল মাখলূককে ধন্য-পুণ্য করেছিলেন। আজ খুশিতে বাগ বাগ করছে এই (বরকতময়) ফযীলতপূর্ণ মাস উনার পবিত্র ২২তম নিশির জ্যোৎস্না। সিতারার দল আজ মিট মিট করে হাসছে। যেন তারা মুক্তার দানা বিলিয়ে দিচ্ছে সবার মাঝে। আর মনে মনে কার যেন শান-মান বয়ান করছে। চাঁদ-তারার এই অপরূপ ঝিলিমিলি হাসি আজ সকলের মন কেড়ে নিয়েছে। এক আনন্দঘন, বিশাল রহস্যময় মুহূর্ত। এমন শুভ রজনী আর কেউ কখনও দেখেনি হয়তো। এদিকে নদ-নদীতে পূর্ণ জোয়ার এসেছে। সাগর বক্ষের ঊর্মি মালায় খুশির ঢল নেমেছে। সিন্ধুর সমস্ত প্রাণীকুল তার সাথে একাত্ম হয়েছে। সমুদ্রের শামুক-ঝিনুক তাদের মুক্তা মেলে তথায় সৌন্দর্য বর্ধন করছে। আকাশ আর সাগরের এই নিখুঁত সাজ দৃশ্য দেখে পৃথিবী ও অপরূপ সাজে সুসজ্জিত হয়েছে আজ। পুষ্পে পুষ্পে ভরে গেছে পুরো বসুন্ধরা। গুলের সুবাসে আজ সকলে আত্মহারা। ডালে ডালে শুনা যাচ্ছে বুলবুলি পাখির সুমিষ্ট কলতান। সব তরু-লতা আজ পরেছে নতুন লেবাস। দোয়েল-কোয়েল, ময়না-শ্যামা আরো জানা অজানা হাজারো ধরনের হাজারো পাখি, কীট-পতঙ্গ, গর্তের পিপীলিকা গুন গুন করে তাদের ভাষায় ঈদের ধ্বনি তুলছে। এই তুলনাহীন অপরূপ দৃশ্য খোদ রব তায়ালা উনার কুদরতী নজির। যা লাখ-কোটি ঋতুরাজ বসন্তকে হার মানিয়েছে। মরুর বালিকণা তার অগণিত যবান দ্বারা সাইয়্যিদাতুনা হযরত নাক্বীবাতুল উমাম উনার নাম মুবারক উনার তাসবীহ পড়ছে। যমীনের নিচে লুকিয়ে থাকা সমস্ত হীরা-মণি-মুক্তা অমূল্য রতœ ভা-ার ও আজ উনার মুবারক খিদমতে নিজেদেরকে বিলিয়ে দিতে পাগলপারা হয়ে উঠেছে। ওই তাহতাচ্ছারা হতে আরশে আলার মাঝে যত মাখলূক্বাত রয়েছে সকলেই নিজেদেরকে উনার মুবারক খিদমতে বিলিয়ে দিতে এরূপ বেকারার পেরেশান বনে গেছে। হে নির্বোধ মানুষ! তুমি হয়তো বুঝ না। কিন্তু মহান আল্লাহ পাক উনার সৃষ্টি জগতের সমস্ত মাখলূক্বাত তা বুঝে। দেখ! দেখ! ওই দেখ! আজ খুলে গেছে পবিত্র জান্নাত উনার সব বাব (দরজা)। হুর-গিলমান সব মালাইকার ললাটে ফুটেছে খুশির ভাব। তারা সবে নিয়ে উপস্থিত পবিত্র জান্নাতী লু-লু মারজান। রহমতী দ্বার খুলে গেছে আজ, শোন তার পবিত্র আযান। তামাম জিন-ইনসান সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার আনন্দে হয়েছে আত্মভোলা। দেখ! দেখ! সমস্ত সৃষ্টির দস্তে দস্তে শোভিছে সদ্য ফুটন্ত পুষ্পমালা। আজ খোদা তায়ালা উনার আরশ হাবীবী রওযা শরীফ সেজেছে নয়া সাজে। খুশির বন্যা বইছে খোদ ইলাহী-হাবীব মাঝে। আম্বিয়া-আউলিয়া শক্ত হস্তে ধরে আছেন সেই পথ। প্রকাশ হচ্ছে ওই শাহযাদী ঊলা উনার আলীশান আযমত। ওই রসূলুম মিনাল মালাইকা জিবরীল আলাইহিস সালাম তিনি ঘোষিছেন এক মুবারক খোশ খবরী সারা কায়িনার পরে। বায়ু তা বহে নিয়ে গেছে ধরণীর প্রতি দ্বারে দ্বারে। তাই সকলের কণ্ঠে শোনা যাচ্ছে এক বরকতময় মুবারক শুভ ধ্বনি। আজ মুজাদ্দিদযাদীর মুবারক শাদী- সহসা নাও জানি। মুজাদ্দিদে আ’যম, গাউছুল আ’যম, হাবীবুল্লাহ গরীবে নেওয়াজ, ছহিবে ক্বাসিম আওলাদে রসূল মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার পক্ষ থেকে এই পবিত্র আযীমুশ শান নিকাহ মুবারক উনার দাওয়াতনামা অনেক পূর্বেই হযরত নবী-রসূল, ওলী-আব্দাল, গাউছ, কুতুব, নক্বীব-নুক্বাবা, জিন-ইনসান, হুর-পরী, ফেরেশ্তা, পশু-পাখি, কীট-পতঙ্গ, জামাদাত-শাজারাত, হাজারাত তথা তামাম কায়িনাত মাঝে পৌঁছে গেছে। তাই শুরু হলো শাহী আয়োজন। মানব-দানব, জিন-ফেরেশতা সকলেই লেগে গেল প্রাণপণে অতি আনন্দের সাথে এই পবিত্র আযীমুশ্ শান শাদী মুবারকের বরকতী কাজে। প্রস্তুত (সৃষ্টি জগতের) মাখলূক্ব তামাম। পূর্ণ হলো সকল আঞ্জাম। রাজারবাগ দরবার শরীফ আজ পবিত্র জান্নাতী জ্বালওয়ায় জ্বল জ্বল করে জ্বলছে। অনবরত সেখানে বারিধারার ন্যায় মহান খোদা তায়ালা উনার পবিত্র রহমতে খাছ বর্ষিত হচ্ছে। নূরে নূরে ভরে গেছে পাক দরবার শরীফ। হাজির তথায় হযরত নবী-রসূল, ওলী-গাউছ সব মাখলূক্ব মহান খোদা তায়ালা উনারা। বাদ মাগরীব সকলে অধীর আগ্রহে করছে ইনতিযার। কখন হবেন মুনাওওয়ার মজলিসে সাইয়্যিদী দুলহান ইযহার। দেখ! ওই তো! আসছেন ফেরেশতা উনাদের বেষ্টনীতে পবিত্র গাড়ি মুবারকে সওয়ার হয়ে শাহ সাইয়্যিদ, নূরে মুকাররাম, হাবীবুল্লাহ, বাবুল ইলম নব দুলহান আওলাদে রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত শাহদামাদ হুযূর ক্বিবলা আলাইহিস সালাম আল হাসানী ওয়াল হুসাইনী ওয়াল হানাফী। বর্ষিত হলো উনার উপর মুর্শিদী রহমত, হাবীবী-রববী নূর অবিরত ধারায়। এক অপূর্ব মুচকি হাসির শোভা দেখলাম অধম উনার মুবারক চেহারায়। আমার দিল সাগরে উথলে উঠলো আনন্দের মহা জোয়ার। আমি যে দেখতে পাচ্ছি খোদ মান্্যূরায়ে মদীনায়ে মুনাওওয়ার। গগণবিদারী তাকবীরে আজ আসমান, যমীন একাকার। বলছে সবে খোশ আমদেদ হে সাইয়্যিদী দুলহান নকশায়ে হায়দার। যেন দরবারে নববীতে হচ্ছে আজ এই রহমত, বরকত, সাকীনাপূর্ণ মুবারক আয়োজন। যেন মসজিদে নববী উনার পবিত্র মিম্বার শরীফ উনার মধ্যে বসে আছেন সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। পবিত্র হুজরা শরীফ উনার মধ্যে বসে আছেন নূরী বদ্রী জ্যোৎস্না বেহেশতে নারীকুল উনাদের সাইয়্যিদা, জান্নাতী নূরী মেহমান, সাইয়্যিদাতুন নিসা, হযরত ফাতিমাতুয্ যাহরা আলাইহাস সালাম। তিনি নিজেই নূরুন আলা নূর। তবুও উনাকে আজ রববী হাবীবী, মুর্শিদী খাছ নূর, রহমত-বরকত সাকীনা ঘিরে রেখেছে। এই দিকে পবিত্র মিম্বার শরীফ উনার সামনে দুই জানু মুবারক পেতে পূর্ণ আদব লয়ে পবিত্র নামায উনার ছূরতে বসা আসাদুল্লাহিল গালিব সাইয়্যিদুনা হযরত আলী কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম। পবিত্র ২২শে শাওওয়াল শরীফ। ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম শরীফ (সোমবার)। পবিত্র ইশা নামায উনার ওয়াক্ত। আজকের এই রহমত, বরকত, সাকীনাপূর্ণ আনন্দঘন জৌলুসপূর্ণ মুহূর্তে যেন হযরত নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, হযরত রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার লখতে জিগার, কলিজার টুকরা, নয়নের মণি, খাতুনে জান্নাত, সাইয়্যিদাতুন নিসা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম, খতানু মুছত্বফা আসাদুল্লাহিল গালিব হযরত আলী ইবনে আবী ত্বলিব আলাইহিস সালাম উনার মুবারক জাওযিয়াতে তুলে দিলেন। ক্ববুলিয়াত শোনে মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মুবারক খোদায়ী যবানে উচ্চারিত হলো ‘আলহামদুলিল্লাহ’। পঠিত হলো মুবারক খুতবা। সম্পন্ন হলো মুনাজাত। আমীন! আমীন! বললো, কুল-কায়িনাত। সঁপে দিলেন উনাদেরকে রব-হাবীবের হাতে। শুরু হলো সাইয়্যিদাতুন নিসা, ছহিবাতুল খইর, ছহিবাতুল আয়াত, ছহিবাতুত তাক্বওয়া, হাবীবাতুল্লাহ আওলাদে রসূল হযরত নাক্বীবাতুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার সাথে নূরে মুকাররাম, নূরে মুয়াযযাম, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল হযরত শাহদামাদ আউওয়াল হুযূর ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার নতুন জিন্দেগী মুবারক। সুবহানাল্লাহ! রাজারবাগ পবিত্র দরবার শরীফ উনার মধ্যে শাহী মেহমানদারী চললো। কায়িনাতের সমস্ত মেহমানগণ উনারাই তৃপ্তিসহকারে আহার করলো। আয়োজিত হলো চারদিন ব্যাপী পবিত্র সামা শরীফ উনার মুবারক মাহফিল। পাঠ করলো পবিত্র ক্বাছীদা শরীফ হযরত নাক্বীবাতুল উমাম আলাইহাস সালাম ও হযরত শাহদামাদ আউওয়াল ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মুবারক শানে জিন-ইনসান, হুর-মালাইক, পশু-পাখি, কুল-মাখলুক্বাত, আবাবীল। মুবারক হোক! মুবারক হোক! উনাদের নয়া জিন্দেগী। এই বলে সবে হলো অসীম নিয়ামতের ভাগী। সাইয়্যিদুনা মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম ও সম্মানিত আহালে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মাঝে মিশে গেলেন সাইয়্যিদুনা হযরত শাহদামাদ আউওয়াল ক্বিবলা আলাইহিস সালাম। উনার মুবারক জীবন হলো রহমত, বরকতে ভরপুর। সাইয়্যিদুনা হযরত শাহদামাদ আউওয়াল ক্বিবলা শাহযাদী ঊলা ক্বিবলা আলাইহাস সালাম নকশায়ে হায়দার-যাহরা পুরা। উনাদের আপাদমস্তক রসূলী নূরে গড়া। উনাদের মুবারক পরশে ফুটুক ফের হযরত হাসানী হুসাইনী গুল। নববী বাগে শোভা পাক নূরী ফুল অতুল। উনাদের সুবাসে ধন্য-পুণ্য হোক তামাম কায়িনাতবাসী। অনন্তকাল ঝরতে থাকুক উনাদের হতে খোদায়ী নাজ-নিয়ামত রাশি রাশি। নাজাতী নিশান, খিলাফতী ঝা-া উড়–ক ফের দিকে দিকে। আবারো আসুক ফিরে শান্তি শিমাল যুনুব, মাগরিব-মাশরিকে। আমার দেহ-মন, আপাদমস্তক দ্বারা প্রকাশিত ও প্রচারিত হোক মামদূহ আহাল উনাদের ছানা। এটাই যে, এ অধমের উনাদের পাক চরণে আরাধনা। উনাদের ছানা দিয়ে গড়বো ভবে তাজমহল। মামদূহ আহাল উনাদের দয়া পেলেই হবো চির সফল। সহজ করে দিন ইয়া মামদূহ! আমার ইল্্মী পথ। আমি যে দেখবো আপনার কুদরতী আযমত। ছহীহ ইলম, হুসনে যন চাই আক্বা আপনার পাক ক্বদমে। লুকিয়ে থাকতে চাই আমি চিরকাল আপনার হেরেমে। জাহিরী-বাতিনী হাক্বীক্বী ইছলাহ শায়েখ দানুন আমারে। এই মুবারক সময়ে ভিক্ষা চাইছি ফকীর তব দুয়ারে। অশ্রুর নহর বহায়ে দিলাম আপনার মুবারক পদযুগলে। থাকতে চাই অনন্তকাল আপনাদের মাঝে মিলে। শিফায়ে জিসম- শিফায়ে কুলুব চাই হে মালিক সোবহান! আপনি যে মোর তরে একমাত্র দারুল আমান। সাইয়্যিদাতুনা হযরত নাক্বীবাতুল উমাম আলাইহাস সালাম ও সাইয়্যিদুনা হযরত শাহদামাদ হুযূর ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনাদের উসীলায় মোরে করুন কবুল। আপনি যে মিছদাক্বে রহমতুল্লিল আলামীন, সাইয়্যিদী রসূল। আপনাদের ইশকেই হোক মোর মরণ। তবেই স্বার্থক হবে অধম গোলামের এই জীবন।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন