শুক্রবার, ২২ জুলাই, ২০১৬

স্কুল-কলেজের পাঠ্যবইগুলোর কোথায় নেই- বেদ্বীনি-বদদ্বীনি আর কুফরী?

স্কুল-কলেজের পাঠ্যবইগুলোর কোথায় নেই- বেদ্বীনি-বদদ্বীনি আর কুফরী?


ENGLISH FOR TODAY (classes 9-10) Unit (Title) যা লেখা হয়েছে যা শিখানো হচ্ছে টহরঃ ঙহব Unit One (Good citizens): Lesson2: Knowledge, skills and attitudes অংশে অর্ধ ইহুদী, অর্ধ খ্রিস্টান অবৈধ সন্তান আব্রাহাম লিংকন ও তার গণতন্ত্রের বুলি শিখানো হচ্ছে। এভাবে বিধর্মীদের কুফরী মতবাদ সমূহ শিখানো হচ্ছে। Unit Two (Pastime) এই অংশে অবসর সময়ে খেলাধুলা করা, টিভি দেখা, প্রাণীর ছবি তোলা, গান শুনা, কম্পিউটারে গেমস খেলা এবং ‘ইয়োগা’ নামক হিন্দুয়ানী যোগসাধনার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। এমনকি ‘ইয়োগা’ সম্পর্কে একটি বড় রচনাও এখানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি অলিম্পিক গেমস এবং তার খেলোয়াড়দের সম্পর্কেও আলোচনা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এভাবে করেই সম্মানিত দ্বীন ইসলামে নিষিদ্ধ হারাম খেলাধূলা ও বিধর্মীদের অপকর্মসমূহ মুসলিম ছাত্রছাত্রীদের শিখানো হচ্ছে। টহরঃ ঞযৎবব Unit Three (Events and festivals) এই ইউনিটে আলোচিত হয়েছে- Mother’s Day (মা দিবস), May Day (শ্রমিক দিবস), Pahela Boishakh (পহেলা বৈশাখ) সম্পর্কে। এখানেও ইসলামী দিবস সমূহের কোন আলোচনা না করে, বিধর্মীদের দিবস সমূহ শিখানো হচ্ছে। Unit Four (Are we aware?) এই অংশের প্রতিটি Lesson -এর আলোচনায় বাংলাদেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধিকে চরম সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে মুসলমানদের ঈমান ও আক্বীদা নষ্ট করা হচ্ছে। Unit five (Climate change) Unit Six (Our neighbours) এই অংশে বিধর্মী ও হিন্দু দেশ নেপাল, শ্রীলঙ্কা, ভারত, ভুটানের হিন্দু ও বৌদ্ধদের বিভিন্ন পূজা-পার্বণ ও মন্দিরগুলো নিয়ে ব্যাপক প্রশংসা করা হয়েছে। মুসলমানদের দ্বীনি নিদর্শন বা প্রতিষ্ঠানগুলি আলোচনা না করে। অমুসলিমদের কথিত ধর্মীয় কালচারগুলোতে কোমলমতি মুসলিম ছাত্রছাত্রীদের আকর্ষিত করার উদ্দেশে এবং আক্বীদা নষ্ট করার উদ্দেশ্যেই এ ধরণের লেখা অর্ন্তভুক্ত করা হয়েছে। Unit Seven (People who stand out) এই অংশে কট্টর খ্রিস্টান যাজক তেরেসা, স্টিভ জবস, হিন্দু পার্থ মজুমদার -এদের প্রশংসামূলক জীবনী অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সম্মানিত মুসলিম ব্যক্তিত্বগণ উনাদের জীবনী মুবারক আলোচনা না করে বিধর্মীদের আলোচনার দ্বারা ৯৮ ভাগ মুসলমান দেশের শিক্ষার্থীদের কেনো এসব শেখানো হচ্ছে? উদ্দেশ্য কাফির বানানো। Unit Eight (World heritage) এই অংশে পাহাড়পুরের বৌদ্ধবিহার ও আমেরিকার স্ট্যাটু অব লিবার্টি নিয়ে আলোচনা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। পবিত্র মক্কা শরীফ, পবিত্র মদীনা শরীফ, পবিত্র বায়তুল মুকাদ্দাস শরীফ ইত্যাদির মত সম্মানিত ও ঐতিহাসিক স্থান সমূহের আলোচনা বাদ দিয়ে বিধর্মীদের অপসংস্কৃতির সাথে সংশ্লিষ্ট স্থাপনা কখনোই মুসলমানদের পাঠ্য হতে পারে না। উদ্দেশ্য কাফির বানানো। Unit Nine (Unconventional jobs) Unit Ten (Dreams) এই অংশে কট্টর মুসলিমবিদ্বেষী হিন্দু প্রীতিলতার প্রশংসামূলক জীবনী অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। মুসলিমদের চেয়ে অমুসলিমরা ‘বড় কিছু’ ও তারা ‘অনেক কিছু’ অর্থাৎ মুসলমানদেরকে কাফিরদের দিকে রুজু করানোর জন্য এবং এসব শিখানো এসব রচনার উদ্দেশ্য। Unit Eleven (Renewable energy) Unit Twelve (Roots) এখানে হিন্দু থেকে খ্রিস্টান হওয়া কবি মাইকেল মধুসুদনের জীবনী অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বিধর্র্মী থেকে মুসলমান হয়েছেন এরকম অনেক ব্যক্তিত্ব আছেন, তাদের জীবনী নিয়ে আলোচনা না করে এক বিধর্মীর আলোচনা অবশ্যই উদ্দেশ্যমূলক। মুসলমানদেরকে কাফিরদের দিকে রুজু করা। Unit Thirteen (Media and ecommunications) কি করে ইলেক্ট্রনিক মাধ্যম তথা ইন্টারনেট ব্যবহার করে দ্বীন ইসলাম উনার প্রচার-প্রসার করা যেতে পারে- এই অংশে এ বিষয়ে আলোচনা করা যেতো। অথচ এখানে তেমন কিছুই লেখা হয়নি। এভাবে মূলতঃ এর অপব্যবহারকেই পরোক্ষভাবে উৎসাহিত করা হয়েছে। Unit Fourteen (Pleasure and purpose) এখানে ৫টি কবিতার সবগুলোই বিধর্মী খ্রিস্টানদের লেখা এবং ৩টি গল্পের সবগুলোই অমুসলিমদের ¬লেখা। অসংখ্য নামকরা মুসলিম কবি-সাহিত্যিক থাকতে শুধুমাত্র অমুসলিমদের লেখনী পাঠ্যভুক্ত না করার কারণে এদেশের কোমলমতি কোটি কোটি মুসলিম শিক্ষার্থীরা কি করে তাদের মুসলমানিত্ব টিকিয়ে রাখবে? উদ্দেশ্য মুসলমান সন্তানদেরকাফির বানানো। শুধু এতটুকুই নয়, বইটিতে এসব বেদ্বীনি বিষয়ের বিভিন্ন ছবির সাথে সাথে অশ্লীল-অশালীন ছবিও সংযুক্ত করা হয়েছে। নাউযুবিল্লাহ। পাঠকের কাছে প্রশ্ন- কি করে ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত এদেশের শিক্ষানীতিতে বিধর্মীদের বিতর্কিত এসকল বিষয়সমূহ অন্তর্ভুক্ত হলো? এ ধরণের ইসলাম বিরোধী, কুফরী শিক্ষানীতি যারা প্রণয়ন করেছে ও যে সকল শিক্ষকরা এ ধরণের বই বিনা চু-চেরায় পড়াচ্ছে ও যে সকল পিতা-মাতা, অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের এসব কুফরী শিক্ষায় দীক্ষিত করছে তারা কি করে নিজেদেরকে ঈমানদার-মুসলমান দাবি করতে পারে? তারা কি মহান আল্লাহ পাক তিনি যে বিচার দিবসের মালিক সেটা বিশ্বাস করে না? যদি বিশ্বাস করে

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন