শুক্রবার, ২২ জুলাই, ২০১৬

কাফির-মুশরিকদের অনুসারী হয়ে পাপাচারে লিপ্তরাই সন্ত্রাসবাদে ঝুঁকে, ধর্মপ্রাণ মুসলমান কখনো সন্ত্রাসী হতে পারে না

কাফির-মুশরিকদের অনুসারী হয়ে পাপাচারে লিপ্তরাই সন্ত্রাসবাদে ঝুঁকে, ধর্মপ্রাণ মুসলমান কখনো সন্ত্রাসী হতে পারে না


আমেরিকার ওয়াশিংটন থেকে প্রকাশিত ‘গান ভায়োলেন্স আর্কাইভ’ নামক একটি ওয়েব সাইটের তথ্যানুযায়ী চলতি বছরেই (১০ জুন ২০১৬ পর্যন্ত) আমেরিকায় বন্দুক হামলা বা গুলাগুলির ঘটনা ঘটেছে ২৭ হাজার ৫৭৫ বার। এসব ঘটনায় মারা গেছে ৭১৮৭ জন। উল্লেখিত তথ্যচিত্রে দেখা যাচ্ছে কট্টর মুসলিমবিদ্বেষী দেশ আমেরিকায় অমুসলিমরাই সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালাচ্ছে। এছাড়া এটাও এখন ওপেন সিক্রেট যে, সন্ত্রাসবাদী সংগঠন আল কায়েদা, তালেবান, আইএস এসব সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আমেরিকার তৈরি। অর্থাৎ এসব সংগঠনের সন্ত্রাসীরা পরিকল্পিত মুসলমান ভেকধারী হলেও প্রকৃতপক্ষে এরা মুসলমান নয়। যেমন আইএসআইএল প্রধান নেতা কথিত খলিফা আবু বকর আল বাগদাদি হচ্ছে ইহুদী। তার আসল নাম ইলিয়ট শিমন। সম্প্রতি ফ্রান্সের নিস-এ ট্রাক নিয়ে হামলকারী যে নামধারী মুসলমানকে দায়ী করা হয়েছে সেও মানুষ হত্যাসহ বিভিন্ন পাপাচারে লিপ্ত ছিলো বলে তার পরিবারের বক্তব্য গণমাধ্যমে প্রচার হয়েছে। আমরা যদি গুলশান ও শোলাকিয়ার হামলাকারীদের দিকে তাকাই, সেখানেও দেখা যায় হামলাকারীরা কেউই পারিবারিকভাবে ইসলামী শিক্ষায় বড় হয়নি। তারা পশ্চিমা ধাঁচের জীবনযাপনে অভ্যস্ত ছিলো। মেয়ে, মদ, মাদক এসব নেশায় বুঁদ ছিলো এসব হামলাকারীরা। সুতরাং দেখা যাচ্ছে যারা কাফির-মুশরিকদের অনুসারী বা পশ্চিমাদের লাইফস্টাইল অনুকরণকারী বিভিন্ন পাপাচারে লিপ্ত থাকে তারাই সন্ত্রাসীপনার দিকে ঝুঁকে। কোনো প্রকৃত মুসলমান, পরহেজগার, মুত্তাক্বির পক্ষে মানুষ হত্যাতো দূরে থাক, কোনো নিরপরাধ প্রাণী হত্যাও তাঁদের দ্বারা সম্ভব নয়।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন