বুধবার, ২০ জুলাই, ২০১৬

৯৮% মুসলমান অধ্যুষিত দেশ বাংলাদেশের দৈনিক পত্রিকাগুলি কেমন হওয়া উচিত

৯৮% মুসলমান অধ্যুষিত দেশ বাংলাদেশের দৈনিক পত্রিকাগুলি কেমন হওয়া উচিত


দৈনিকসহ সমস্ত পত্র-পত্রিকাগুলি সব অবস্থায় পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের আলোকে ছাপানো উচিত। যেমন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যখন পবিত্র মদীনা শরীফে তাশরীফ মুবারক নেন সেখানে বছরের ১ম দিন উপলক্ষে খেলতামাশা করা হতো। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন? ততক্ষণ পর্যন্ত ঈমানদার হতে পারবে না, যতক্ষণ না সব কিছুর চাইতে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে বেশি মুহব্বত করবে।” কাজেই নওরোজ বা নববর্ষ পালনকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নিষেধ করেছেন। তাই ঈমান রক্ষার্থে নওরোজ পালন থেকে সাবধান থাকা। অর্থাৎ ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত দেশ বাংলাদেশের পত্রিকাগুলোর দায়িত্ব হচ্ছে- অনৈসলামিক বিষয়গুলো পরিহার করে ইসলামী বিষয়গুলো গুরুত্বের সাথে ছাপানো। অথচ দেখা যাচ্ছে তার বিপরীত যেমন ৩ সামিন ১৩৮২ শামসী সন এ প্রকাশিত দৈনিক জনকন্ঠ, সমকাল ইত্তেফাক নিয়ে একটু আলোচনা করা যাক। তিনটি পত্রিকার সম্পাদক মুসলমান দাবিদার। তিনটি পত্রিকাই খ্রিস্টিয় ঈসায়ী বর্ষ উপলক্ষে বিশেষ ক্রোড়পত্র বের করে। ঈসায়ী বছর হিসেবে বছরের বিভিন্ন বিষয় আলোচনা করে। থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপনকে বিশেষভাবে তুলে ধরে। ইত্তেফাক-এ সেরা নায়ক, নায়িকা, বর্ষসেরা টাইটেল-গায়ক গায়িকাদের। খেলার খবর পাতায় খেলার উপরে দেশী-বিদেশী ফিচার তুলে ধরে। সমকালে ১ম পাতায় এসেছে-ইতিহাসে নাম লেখালেন দুই নারী বৈমানিক - “তারা এখন দেশের অহংকার”, “অনন্য উচ্চতায় ওয়াসফিয়া”- শেষ পাতা। জনকণ্ঠ-এর প্রথম পাতায়- শিরোনাম দেয় হ্যাপি নিউ ইয়ার”। ভিতরে ‘আলোচিত দশ”, আলোচিত ১০ ঘটনা নামে পাতা আছে’ “খেলার খবর”, “আনন্দ কন্ঠ” নাম দিয়ে বেপর্দা বেহায়া ছবি ছাপায়। বিশেষ নববর্ষ পাতা ছাপায়। নাউযুবিল্লাহ!




কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন