পাঁচ ওয়াক্ত ফরয নামায ও জানাযার নামাযের পর মুনাজাত করা খাছ সুন্নত ॥ বিরোধতা করা কুফরী-২
| এছাড়াও ফরয নামাযের পর মুনাজাত কবুল হওয়া সম্পর্কিত বহু ক্বওলী হাদীছ শরীফ বিদ্যমান রয়েছে। অনুসরণীয় মুহাক্কিক-মুদাক্কিক ইমামগণের মতে, “দলীলের ক্ষেত্রে ফে’লী হাদীছ শরীফ উনার চেয়ে ক্বওলী হাদীছ শরীফ বেশি শক্তিশালী । শুধু তাই নয়, র্নিভরযোগ্য ও বিখ্যাত সকল ফিক্বাহের কিতাবসমূহেই ফরয নামাযের পর মুনাজাত করাকে মুস্তাহাব সুন্নত বলে ফতওয়া দেয়া হয়েছে। যেমন, ফিক্বাহের বিখ্যাত কিতাব হেদায়ার মশহুর শরাহ বা ব্যাখ্যাগ্রন্থ “আইনুল হেদায়া”-এর ১ম খন্ডের ৬৮৪ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে, “প্রত্যেক ফরয নামাযের পর দোয়া বা মুনাজাত করার নির্দেশ এসেছে কেননা ফরয নামাযের পর মুনাজাত কবুল হয়। তাছাড়া দেওবন্দীদের কিতাবাদিতেও ফরয নামাযের পর মুনাজাত করাকে মুস্তাহাব সুন্নত বলা হয়েছে এবং যারা এটাকে নাজায়িয বিদয়াত বলে তাদের কঠোর ভাষায় তিরষ্কার করা হয়েছে। যেমন, থানভীর “ইস্তেবাবুদ দাওয়াত আক্বীবুছ ছলাওয়াত” নামক কিতাবে লিখেছে, “চার মাযহাবের প্রত্যেকের মতে ফরয নামাযের পর দোয়া বা মুনাজাত করা অবশ্যই সুন্নত ও শরীয়তসম্মত। যে ব্যক্তি এটা অস্বীকার করবে সে নিশ্চিতরূপে মতিভ্রম ও নফসের তাড়নায় পথভ্রষ্ট হয়েছে এবং সে শয়তানী কু-প্রচারণায় ও ধোঁকায় পড়েছে। এসব দলীল থাকার পরও কি করে বলা যেতে পারে যে, ফরয নামাযের পর দোয়া বা মুনাজাত করার কোনো প্রমাণ নেই বা এটা সুন্নতের পর্যায়ে পড়ে না? |
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন