সুমহান পবিত্র ৬ রমাদ্বান শরীফ: সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত আছ ছালিছা আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস উপলক্ষে ছুটি ঘোষণা করা সরকারের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য
হযরত আবু যর গিফারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা আমার হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে সেরূপ গুরুত্বপূর্ণ ও সম্মানিত মনে করবে যেমন তোমাদের শরীরের মধ্যে মাথাকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করো। আর মাথার মধ্যে দুটি চোখকে যেমন গুরুত্বপূর্ণ ও জরুরী মনে করো তেমনি আমার হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে গুরুত্বপূর্ণ ও জরুরী মনে করবে। কেননা দুটি চোখ ব্যতীত মাথা সঠিকভাবে পরিচালিত হতে পারে না।” (মুসতাদরাকে হাকিম, আশশরফুল মুয়াব্বিদ-২৮) সম্মানিত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের এত এত সম্মান ফযীলত, বুযুর্গী সম্পর্কে পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মাঝে ইরশাদ মুবারক হওয়ার পরও বর্তমান মুসলিম উম্মাহ উনাদের সম্পর্কে পুরোই বেখবর। যে কারণে বর্তমানে মুসলমানগণ পথহারা, নিপীড়িত, বঞ্চিত। নাউযুবিল্লাহ! শতকরা ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত দেশ বাংলাদেশ- যেখানে খ্রিষ্টান, বৌদ্ধ ও উপজাতি মিলে শতকরা ১ ভাগের কম। তারপরও নাহক্ব ধর্মের জন্য সরকারিভাবে ছুটির ব্যবস্থা করা হয়। নাঊযুবিল্লাহ! অথচ যিনি হযরত নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, হযরত রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং উনার সম্মানিত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের বিভিন্ন বরকতময়, ফযীলতপূর্ণ, বিশেষ দিনসমূহে এদেশের মুসলমানগণ ছুটি পায় না। এটা ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত দেশে হতে পারে না। তাই আমরা সরকারকে আহ্বান করছি, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত বানাত, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত আছ ছালিছা আলাইহাস সালাম উনার সুমহান পবিত্রতম বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করার দিবস হলো- পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাসের ৬ তারিখ। উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবসকে উপলক্ষ করে আযীমুশ শানভাবে বিশেষ ভাবগাম্ভীর্যতার সাথে উনাকে যথাযথ মুহব্বত করে সারা দেশব্যাপী পবিত্র মীলাদ শরীফ ও ওয়াজ মাহফিলের ব্যবস্থা করা এবং উনার শান-মান, তা’যীম-তাকরীম জেনে-বুঝে উনাকে উত্তমভাবে অনুসরণ করে হাক্বীক্বী মুসলমান হওয়ার জন্য এই দিবসের যে বারাকাত, ফুয়ুজাত, নিয়ামত, রহমত, বরকত, সাকীনা, মাগফিরাত রয়েছে তা লাভ করার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা। আর সরকারের দায়িত্ব-কর্তব্য এ বরকতপূর্ণ দিবস উপলক্ষে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন