সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনিই হচ্ছেন- পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত ‘হযরত আল মানছূর’ আলাইহিস সালাম
| মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, انى جاعل فى الارض خليفة- “নিশ্চয়ই আমি যমীনে খলীফা প্রেরণ করেছি।” (পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ) পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ‘খলীফা’ দ্বারা প্রকৃতপক্ষে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে বুঝানো হয়েছে। আর পরবর্তীতে খলীফা হিসেবে সমস্ত হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম ও হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদেরকে বুঝানো হয়েছে। আর আমাদের মাঝে যিনি মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের পক্ষ থেকে প্রেরিত হয়েছেন আখাচ্ছুল খাছ ও বেমেছাল একজন সম্মানিত খলীফা। যাঁকে মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে লক্বব মুবারক দেয়া হয়েছে ‘খলীফাতুল উমাম’। সুবহানাল্লাহ! অর্থাৎ তিনি হচ্ছেন গোটা উম্মতের খলীফা তথা প্রতিনিধি। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি যে, খলীফাতুল উমাম এ সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে এসেছে, “নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, আমার আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মধ্য থেকে তিনজন বিশেষ খলীফা হবেন। উনারা হচ্ছেন হযরত আস সাফফাহ আলাইহিস সালাম, হযরত আল মানছূর আলাইহিস সালাম এবং আরেক জন হযরত ইমাম মাহদী আলাইহিস সালাম।” (তারীখুল খুলাফা লিস সুয়ূতী ২০৯ পৃষ্ঠা, জামিউল আহাদীছ, জামিউল জাওয়ামী, মুছান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক, সুবুলুল হুদা ওয়াশ রশীদ ইত্যাদি) অতএব, সমস্ত মুসলমান তথা সমস্ত সৃষ্টির জন্য ফরয হচ্ছে- উনার যথাযথ হক্ব আদায়ের কোশেশ করা এবং উনার খিদমতের লক্ষ্যে স্বীয় জান, মাল উনার ক্বদম মুবারক-এ কুরবান করা। মহান আল্লাহ পাক তিনি মুজাদ্দিদে আ’যম সাইয়্যিদুনা হযরত মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার উসীলায় সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার হাক্বীক্বী গোলাম হওয়ার তাওফীক দান করুন। (আমীন) |
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন