আচ্ছালামু আলাইকুম ভাইজানেরা আমরা অনেকেই অনেক নছীহত শুনে থাকি তবে আমাদের জিনি মাথার তাজ জানের জান প্যারা হাবিব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া ছাল্লাম উনার তিনটা মহামুল্যবান নছীহত উল্লেখ করলাম আসাকরি সবাই মনে রাখবেন এক বার এক ব্যাক্তি নুরে মোজাস্সাম
হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক ছল্লল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার পবিত্র দরবার শরীফ
উনার মধ্যে হাজির হয়ে বললেন,ইয়া রসুলাল্লাহ
ইয়া হাবীবল্লাহ ছল্লল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আমাকে কিছু উপদেশ দান
করুন।তিনি ঐ ব্যাক্তিকে বললেন,আপনি যখন
যেখানেই অবস্থান করুন না কেন মহান আল্লাহ
পাক উনাকে ভয় করবেন। লোকটি আবার
বললেন,আরো কিছু উপদেশ মুবারক দান করুন।
তিনি বললেন,আপনি যদি কখনো কোন গুনাহের
কাজ করে ফেলেন, সাথে সাথে একটি নেক
কাজ
করে নিবেন।তাহলে এই নেক কাজটি আপনার
গুনাহের কাজটিকে মিটিয়ে দিবে।লোকটি
বললেন
ইয়া রাসুলাল্লাহ ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আমাকে আরো কিছু
উপদেশ মুবারক দান করুন। তখন তিনি বললেন,
মানুষের সাথে সৎস্বভাব সুলভ কথা বার্তা বলবেন
এবং সবার সাথে সদাচরণ করবেন।
নুরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক ছল্লল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক
করেন,মহান আল্লাহ পাক যাকে উত্তম স্বভাব
এবং সুন্দর চেহেরা দান করেছেন তিনি কখনোই
তাকে জাহান্নামের ইন্ধন বানাবেননা।
সুবহানাল্লাহ!
একদিন কতিপয় হযরত ছাহাবায়ে কিরাম
রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম
উনারা নুরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক
ছল্লল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার পবিত্র
দরবার শরীফ উনার মধ্যে উপস্থিত
হয়ে বললেন,ইয়া রাসুলাল্লাহ ,ইয়া হাবীবাল্লাহ
ছল্লল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! অমুক
স্ত্রী লোকটি দিনে রোযা রাখে এবং সারারাত
ইবাদত বন্দেগী, যিকির ফিকির করে কিন্তু তার
মেজাজ বড়ই রুক্ষ।তার কর্কশ ভাষা ও
ব্যাবহারে প্রতিবেশীগন বিরক্ত।
নুরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক ছল্লল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম একথা শুনে ইরশাদ মুবারক
করলেন,
সে স্ত্রী লোকটি জাহান্নামী( নাঅউযুবিল্লাহ)
তিনি আরো বললেন ”সিরকা দ্বারা যেমন মধু
নস্ট হয়ে যায়,ঠিক মানুষের বদ স্বভাব দ্বারা তার
যাবতীয় ইবাদত বন্দেগী মুল্য হীন হয়ে
পড়ে।
(কিমিয়ায়ে সায়াদাত-২/২১৮)
কাজেই স্বদস্বভাব মানুষের জন্য অমুল্য সম্পদ।
যা বলার অপেক্ষায় রাখেনা।
হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক ছল্লল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার পবিত্র দরবার শরীফ
উনার মধ্যে হাজির হয়ে বললেন,ইয়া রসুলাল্লাহ
ইয়া হাবীবল্লাহ ছল্লল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আমাকে কিছু উপদেশ দান
করুন।তিনি ঐ ব্যাক্তিকে বললেন,আপনি যখন
যেখানেই অবস্থান করুন না কেন মহান আল্লাহ
পাক উনাকে ভয় করবেন। লোকটি আবার
বললেন,আরো কিছু উপদেশ মুবারক দান করুন।
তিনি বললেন,আপনি যদি কখনো কোন গুনাহের
কাজ করে ফেলেন, সাথে সাথে একটি নেক
কাজ
করে নিবেন।তাহলে এই নেক কাজটি আপনার
গুনাহের কাজটিকে মিটিয়ে দিবে।লোকটি
বললেন
ইয়া রাসুলাল্লাহ ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আমাকে আরো কিছু
উপদেশ মুবারক দান করুন। তখন তিনি বললেন,
মানুষের সাথে সৎস্বভাব সুলভ কথা বার্তা বলবেন
এবং সবার সাথে সদাচরণ করবেন।
নুরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক ছল্লল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক
করেন,মহান আল্লাহ পাক যাকে উত্তম স্বভাব
এবং সুন্দর চেহেরা দান করেছেন তিনি কখনোই
তাকে জাহান্নামের ইন্ধন বানাবেননা।
সুবহানাল্লাহ!
একদিন কতিপয় হযরত ছাহাবায়ে কিরাম
রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম

উনারা নুরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক
ছল্লল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার পবিত্র
দরবার শরীফ উনার মধ্যে উপস্থিত
হয়ে বললেন,ইয়া রাসুলাল্লাহ ,ইয়া হাবীবাল্লাহ
ছল্লল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! অমুক
স্ত্রী লোকটি দিনে রোযা রাখে এবং সারারাত
ইবাদত বন্দেগী, যিকির ফিকির করে কিন্তু তার
মেজাজ বড়ই রুক্ষ।তার কর্কশ ভাষা ও
ব্যাবহারে প্রতিবেশীগন বিরক্ত।
নুরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক ছল্লল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম একথা শুনে ইরশাদ মুবারক
করলেন,
সে স্ত্রী লোকটি জাহান্নামী( নাঅউযুবিল্লাহ)
তিনি আরো বললেন ”সিরকা দ্বারা যেমন মধু
নস্ট হয়ে যায়,ঠিক মানুষের বদ স্বভাব দ্বারা তার
যাবতীয় ইবাদত বন্দেগী মুল্য হীন হয়ে
পড়ে।
(কিমিয়ায়ে সায়াদাত-২/২১৮)
কাজেই স্বদস্বভাব মানুষের জন্য অমুল্য সম্পদ।
যা বলার অপেক্ষায় রাখেনা।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন