রবিবার, ১২ জুন, ২০১৬

হে মুসলমান! পবিত্র রমাদ্বান শরীফ-এ কতোটুকু আল্লাহভীতি হাছিল করলে?

হে মুসলমান! পবিত্র রমাদ্বান শরীফ-এ কতোটুকু আল্লাহভীতি হাছিল করলে?


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমাদের উপরে রোযা ফরয করা হলো যেমনিভাবে তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর ফরয করা হয়েছিল। যাতে তোমরা তাক্বওয়া হাছিল করতে পারো।” আর মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তাক্বওয়া তথা খোদাভীতি হলো অন্তরের ভিতর।” অর্থাৎ অন্তরে মহান আল্লাহ পাক উনার ভয় অর্জন করা। হারাম কাজ থেকে বেঁচে থাকা হারাম কাজগুলোকে ঘৃণা করা। পবিত্র সুন্নত মুবারক উনার উপর আমল করা। এখন এই পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাসে রোযা রেখে আমরা কতটুকু মহান আল্লাহ পাক উনার ভয় হাছিল করতে পারলাম। হারাম কাজ থেকে তথা গান-বাজনা, টিভি-সিনেমা, ছবি তোলা, বেপর্দা হওয়াসহ হাজারো হারাম কাজ থেকে কতটুকু বাঁচতে পারলাম। সুন্নতের কতটুকু আমল করতে পারলাম। আমার গুনাহখতা তওবা-ইস্তিগফারের মাধ্যমে ক্ষমা করতে পারলাম কিনা চিন্তা-ফিকির করতে হবে? কারণ পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে এসেছে, হযরত জিবরীল আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, “ওই ব্যক্তি ধ্বংস হোক যে রমাদ্বান শরীফ পেল কিন্তু নিজের গুনাহখতা ক্ষমা করতে পারলো না।” সুতরাং যদি আমরা আল্লাহভীতি অর্জন না করতে পারি হারাম কাজ থেকে কুফরী কথা কুফরী আইন থেকে নিজেকে রক্ষা করতে না পারি। তওবা-ইস্তিগফার করে গুনাহখতা ক্ষমা করতে না পারি তাহলে আমাদের ধ্বংস অনিবার্য। মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের প্রত্যেককেই গান-বাজনা বেপর্দা-বেহায়াপনা-বেলেল্লাপনা টিভি, সিনেমা ছবিসহ সমস্ত হারাম কাজ থেকে খালিছ তওবা করার তাওফীক দান করুন এবং খোদাভীতি অর্জন করে আল্লাহওয়ালা হওয়ার সমস্ত পথ বাতলিয়ে দিন। আমীন।


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন