মুজাদ্দিদে আ’যম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মকবুল মুনাজাত শরীফ উনার বেমেছাল রূহানীয়ত সমৃদ্ধ রোব মুবারক উনার ফলেই খোদায়ী গযবে পর্যুদস্ত বিশ্বের সকল কাফির-মুশরিকের দেশ
| অন্যান্য দেশের তুলনায় অধিক দরিদ্র মার্কিন মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তশ্রেণী (২) সম্প্রতি নিউইয়র্ক টাইমসের এক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, নিম্নবিত্তরা তো বটেই যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবিত্তরাও বিত্ত বিবেচনায় অন্যান্য দেশ থেকে পিছিয়ে পড়েছে। তিন দশকে বিশ্বের অন্যান্য উন্নত দেশের মধ্যবিত্তরা আয় বিবেচনায় যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবিত্তদের ছাড়িয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে এগিয়ে গেছে বলে এনডিটিভি’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলোয় মধ্যবিত্তদের আয় এখনো যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবিত্তদের থেকে পেছনে থাকলেও এদের মধ্যে পার্থক্য কমে এসেছে। বিশেষ করে যুক্তরাজ্য, নেদারল্যান্ডস ও সুইডেনের মধ্যবিত্তদের আয় তো প্রায় ধরি ধরি করছে। একদশক আগে এসব দেশগুলোর মধ্যবিত্তরা অনেক পিছিয়ে ছিল। তবে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবিত্তদের তুলনায় দেশটির ২০ শতাংশ নিম্নবিত্তদের সংগ্রাম আরো কঠিন কঠোর। কানাডা, সুইডেন, নরওয়ে, ফিনল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডসের নিম্নবিত্ত একটি পরিবারের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রের নিম্নবিত্ত একটি পরিবারের আয় উল্লেখযোগ্যভাবে কম। অথচ ২৫ বছর আগে এর উল্টোটাই সত্য ছিল। (সূত্র: ইন্টারনেট) আড়াই কোটি মানুষ দরিদ্রতার ঝুঁকিতে রয়েছে! ইউরোপে অবস্থানরত মুসলমানদের জন্মহার বৃদ্ধি, অন্যান্য ধর্মাবলম্বীরা তাদের ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে ব্যাপকভাবে মুসলমান হওয়ায়, সেখানে মুসলমানদের জনসংখ্যা বেড়েই চলেছে। যার ফলে দেখা যায়, মুসলমানরাই সর্বত্র সংখ্যায় বেশি। আর এই বিষয়টি কাফিরদের সবচেয়ে বড় মাথা ব্যাথার কারণ হয়ে দাড়িয়েছে। তারা ভাবছে এভাবে মুসলমান বৃদ্ধি হতে থাকলে তাদের দেশগুলো হয়ত খুব স্বাভাবিকভাবেই মুসলিম দেশ হিসেবে পরিণত হবে। যে কারণে ইউরোপের দেশগুলোতে সরকার তাদের মুসলিম নাগরিকদের বিরুদ্ধে অমানবিক বৈষম্য করে চলেছে। তারা সেখানে মুসলমান মা-বোনদের শরয়ী পর্দা পালনে বাধা দিচ্ছে, অধিকার বঞ্চিত করছে পবিত্র মসজিদ নির্মাণে। তারা বিধান করে নিয়েছে মুসলিম পুরুষরা ইসলামের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ দাড়ি রাখলে তাদেরকে চাকরি থেকে বাদ দেয়া যেতে পারে। বেশ কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এমন কিছু নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে যা তাদের মুসলিম নাগরিকদের বিরুদ্ধে মারাত্মক বৈষম্যমূলক। নাউযুবিল্লাহ! লন্ডনভিত্তিক আন্তর্জাতিক মানবাধিকার গ্রুপ এ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাাশনালের বৈষম্যবিষয়ক বিশেষজ্ঞ মারকো পেরোলিনি সম্প্রতি এক রিপোর্টে এরকম বিষয় গুলো উল্লেখ করেছে। ইতিহাস সাক্ষি রয়েছে, যারাই মুসলমানদের নিয়ে ষড়যন্ত্র শক্রতা করেছে, তারা খোদায়ী গযবে নিশ্চিন্ন হয়ে গিয়েছে। ইউরোপেও গযবই হাওয়া বইছে অব্যাহতভাবে। সম্প্রতি ইউরো নিউজ জানায়, ইউরোপ যদি জনগণের উপর ব্যয় সঙ্কোচন নীতি চাপিয়ে দেয় তাহলে আগামী এক যুগের মধ্যে দেশগুলোর অন্তত ২ কোটি ৫০ লাখ মানুষ দরিদ্রতার কবলে পড়বে। ব্রিটেনভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংস্থা অক্সফাম একথা বলেছে। (সূত্র: ইন্টারনেট) |
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন