শুক্রবার, ১ জুলাই, ২০১৬

পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর কোনদিন

পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর কোনদিন


পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার শেষ দশ দিনের বেজোড় রাত্রিতেই পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর নিহিত আছে বলে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার শেষ দশ দিনের বেজোড় রাত্রির মধ্যে শবে ক্বদর খোঁজ কর।” (বুখারী শরীফ, মাযহারী) তবে ইমামে আ’যম, হযরত ইমাম আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, “লাইলাতুল ক্বদর” শব্দটি “পবিত্র সূরা ক্বদর” শরীফে তিনবার এসেছে এবং এ শব্দের মধ্যে নয়টি অক্ষর রয়েছে তিনকে নয় দিয়ে গুণ করলে সাতাশ হয়। অর্থাৎ উক্ত শব্দটি মহান আল্লাহ পাক তিনি তিনবার উল্লেখ করে পবিত্র ২৭শে রমাদ্বান শরীফ উনার রাত্রিকে বুঝিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যে ব্যক্তি পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর লাভ করতে চায়, সে যেন উহাকে সাতাশে পবিত্র রমাদ্বান শরীফ-এ তালাশ করে।” (তিবরানী শরীফ, আহমদ শরীফ, মাযহারী শরীফ) মহান আল্লাহ পাক তিনি ও উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর উনার তারিখ অনির্দিষ্ট রেখে বান্দাদের এবং উম্মতদের মাঝে অনেক ইবরত নছীহত, ফাযায়িল-ফযীলত, নিয়ামত ও হিকমত দান করেছেন। কেননা মহান আল্লাহ পাক তিনিই হচ্ছেন মহান হিকমতওয়ালা। উনার সকল কাজই হিকমতে পরিপূর্ণ।” আয় মহান আল্লাহ পাক! আমাদেরকে পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার ই’তিকাফ ও পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর উনার যাবতীয় বারাকাত, ফুয়ুযাত, নিয়ামত, রহমত, মাগফিরাত ও নাজাত হাছিল করার তাওফীক দানে ধন্য করুন। (আমীন)

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন