পূর্ব-তিমুর, দক্ষিণ সুদান ও ফিলিস্তিনের এবার টার্গেট ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম’-৫
| মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন- এলাকাটিকে ধীরে ধীরে বাঙালি শূন্য করা হয়: পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের হাত থেকে বাঙালিদেরকে রক্ষা করার জন্য পূর্ববর্তী সরকারগুলো চালু করেছিল গুচ্ছগ্রাম। গুচ্ছগ্রামগুলোর বর্তমান অবস্থা দুঃসহনীয়। বর্তমানে বৃদ্ধ পিতা-মাতার সাথে স্বামী-স্ত্রী ও সন্তান তাদের পালিত পশুসহ একই ঘরে পশুর মতোই গাদাগাদি করে থাকছে। সেনা প্রত্যাহারে পূর্বেই পার্বত্য বাঙালিরা বলেছিল, এ অঞ্চল থেকে যদি সেনাক্যাম্প প্রত্যাহার করা হয়, তবে ওই এলাকায় তারা আর বসবাস করতে পারবে না। তাদেরকে পার্বত্য অঞ্চল ছেড়ে চলে যেতে হবে। কারণ বাঙালিরা পার্বত্য অঞ্চলে চাঁদা দিয়ে বসবাস করে। কিন্তু সেনাবাহিনী থাকায় পাহাড়ি উপজাতি সন্ত্রাসীরা বাঙালিদের কথায় কথায় মারধর করতে পারতো না। সেনাবাহিনী প্রত্যাহার হলে উপজাতীয় সন্ত্রাসীরা বাঙালিদের মারধর করে তাদের ভিটেমাটি ছাড়া করবে বলে সে সময়েই আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলো তারা। তাদের সে আশঙ্কা এখন নিদারুণ বাস্তব সত্যে পরিণত হয়েছে। (চলবে) (সম্পাদিত) |
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন