বুধবার, ২০ জুলাই, ২০১৬

সাইয়্যিদুনা হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘মুজাদ্দিদ’ হিসেবে ঘোষণা

সাইয়্যিদুনা হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘মুজাদ্দিদ’ হিসেবে ঘোষণা


হযরত আম্বিয়া আলাইহিমুস সালাম উনারা সাধারণত যে বয়স মুবারকে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মানিত নুবওওয়াতী শান মুবারক প্রকাশ করতেন, সেই বয়স মুবারকে অর্থাৎ চল্লিশ বছর বয়স মুবারকে সাইয়্যিদুনা হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ‘মুজাদ্দিদ’ খিতাব মুবারকে আনুষ্ঠানিকভাবে ভূষিত হন। সময়টি ছিল ১০১০ হিজরী সনের ১০ই রবীউল আউওয়াল শরীফ, ইয়াওমুল জুমুয়াহ ফজর ওয়াক্ত। বর্ণিত রয়েছে, সাইয়্যিদুনা হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি স্বীয় মুর্শিদ ক্বিবলা হযরত খাজা বাক্বীবিল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট হতে নক্শবন্দিয়া তরীক্বা উনার খাছ নিসবত লাভ করার পর উনার অনুমতিক্রমে স্বগৃহে প্রত্যাবর্তন করেন, ইতঃপূর্বে উনার সুখ্যাতি দিকে দিকে ছড়িয়ে পড়েছিল। উনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের সংবাদও বায়ু বেগে চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়লো। দলে দলে লোকজন উনার দরবারে এসে দীক্ষা গ্রহণ করতে লাগলেন। একদা তিনি নির্জনকক্ষে বসে ছিলেন। সময় তখন রাত শেষ হয়ে দিনের আগমন মুহূর্ত। এমন সময় সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি রূহানীভাবে সমস্ত হযরত আম্বিয়া আলাইহিমুস সালাম, অসংখ্য হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম এবং অসংখ্য হযরত আউলিয়া, গাউছ, কুতুব রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদেরকে সঙ্গে নিয়ে সেখানে তাশরীফ মুবারক আনলেন। অতঃপর নিজ হাত মুবারকে উনাকে একটি অমূল্য ‘খিলআত’ অর্থাৎ স্বীয় প্রতিনিধিত্বের প্রতীকস্বরূপ এক বিশেষ পোশাক মুবারক পরিয়ে দিলেন আর বললেন, শায়েখ আহমদ! ‘মুজাদ্দিদ’ নিয়ামত মুবারক উনার প্রতীকরূপে আপনাকে এই খিলআত মুবারক পরিয়ে দিলাম এবং দ্বিতীয় সহস্রাব্দের জন্য আপনাকে বিশেষ প্রতিনিধি ঘোষণা করলাম। আমার উম্মতের দ্বীন-দুনিয়া, দোজাহানের যাবতীয় বিষয়ের দায়িত্ব আজ হতে আপনার উপর ন্যাস্ত হলো। অর্থাৎ উনাকে একাদশ শতাব্দীর মুজাদ্দিদ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হলো। সুবহানাল্লাহ!




কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন