গণতান্ত্রিক সরকারের যাকাত বোর্ডে পবিত্র যাকাত দেয়া ছহীহ শুদ্ধ হবে না
গণতন্ত্র যেহেতু মুসলমানগণের জীবন ব্যবস্থা নয়; বরং অপূর্ণ একটা বেদ্বীনী শাসন ব্যবস্থা। তাই গণতন্ত্র ব্যবস্থায় নামায কিভাবে পড়তে হবে, যাকাত কিভাবে দিতে হবে, রোযা কিভাবে রাখতে হবে, হজ্জ কিভাবে করতে হবে, কিভাবে খেতে হবে, কিভাবে পরতে হবে, কিভাবে হাঁটতে হবে, বসতে হবে, শুতে হবে ইত্যাদি নিয়ম-নীতির বর্ণনা তাতে নেই। আর গণতন্ত্রের মূলমন্ত্রই হলো- দমন-পীড়ন তথা যুলুমবাজি। মানুষের জীবন সুশৃঙ্খল বা শান্তিপূর্ণভাবে চলবে তার কোনো বর্ণনা গণতন্ত্রে নেই। অতএব, যেই ব্যবস্থায় পবিত্র যাকাত উনার কোনো বিধান বা মাসায়ালা-মাসায়িল উল্লেখ নেই এবং যেটা ইসলামবিরোধী ব্যবস্থা, যার সাথে মহান আল্লাহ পাক উনার কোনো সম্পর্ক নেই, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কোনো সম্পর্ক নেই, পবিত্র ওহী মুবারক উনার কোনো সম্পর্ক নেই- সেটাতে যাকাত দিলে অবশ্যই যাকাত ছহীহ-শুদ্ধভাবে আদায় হবে না। মূলত, গণতন্ত্রে পবিত্র যাকাত উনার পরিবর্তে রয়েছে ‘ইনকাম ট্যাক্স’-এর ব্যবস্থা। যেটা পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার দৃষ্টিতে হারাম। কাজেই গণতন্ত্রের সরকার এবং তাদের তৈরি করা যাকাত বোর্ড যাকাতদাতাগণের যাকাত প্রাপ্য নয়। কারণ গণতন্ত্রের সরকার ইসলাম ও এর বিধি-বিধান সম্পর্কে অজ্ঞ। পবিত্র যাকাত উনার মাল কাকে দিতে হবে এবং কোন খাতে ব্যয় করতে হবে- সে জ্ঞানই তাদের নেই। এছাড়া তাদের মধ্যে অনেকেই আত্মসাৎকারী, দুর্নীতিবাজ ও চোর। তাদের কাছে পবিত্র যাকাত উনার মাল মোটেও নিরাপদ নয়। সুতরাং, তাদের তৈরি করা বোর্ড বা ফান্ডে যাকাত দিলে কস্মিনকালেও যাকাত আদায় হবে না।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন