স্বয়ং যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজে আফদ্বলুন নিসা বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত পবিত্রতা মুবারক বর্ণনা করেছেন
যনী মুছত্বলিক্বের জিহাদ থেকে প্রত্যাবর্তনের সময় আফদ্বলুন নিসা বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত শান মুবারক উনার খিলাফ মিথ্যা অপবাদ রটনা করে মুনাফিক্ব সর্দার উবাই ইবনে সুলূল (যার মূল নাম: আব্দুল্লাহ ইবনে উবাই ইবনে সালূল) এবং তার সাঙ্গপাঙ্গরা। না‘ঊযুবিল্লাহ! যা ইফকের ঘটনা হিসেবে সকলের মাঝে মশহূর। তখন স্বয়ং যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজে উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত পবিত্রতা বর্ণনা করে ‘সম্মানিত সূরা নূর শরীফ’ উনার ১১ থেকে ২০ মোট এই ১০খানা সম্মানিত আয়াত শরীফ নাযিল করেন। সুবহানাল্লাহ! মহান আল্লাহ পাক তিনি আফদ্বলুন নিসা বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার বেমেছাল সম্মানিত পবিত্রতা মুবারক সম্পর্কে ইরশাদ মুবারক করেন, إِنَّ الَّذِينَ جَاءُوا بِالْإِفْكِ عُصْبَةٌ مِنْكُمْ لَا تَحْسَبُوهُ شَرًّا لَكُمْ بَلْ هُوَ خَيْرٌ لَكُمْ لِكُلِّ امْرِئٍ مِنْهُمْ مَا اكْتَسَبَ مِنَ الْإِثْمِ وَالَّذِي تَوَلَّى كِبْرَهُ مِنْهُمْ لَهُ عَذَابٌ عَظِيمٌ. لَوْلَا إِذْ سَمِعْتُمُوهُ ظَنَّ الْمُؤْمِنُونَ وَالْمُؤْمِنَاتُ بِأَنْفُسِهِمْ خَيْرًا وَقَالُوا هَذَا إِفْكٌ مُبِينٌ. لَوْلَا جَاءُوا عَلَيْهِ بِأَرْبَعَةِ شُهَدَاءَ فَإِذْ لَمْ يَأْتُوا بِالشُّهَدَاءِ فَأُولَئِكَ عِنْدَ اللهِ هُمُ الْكَاذِبُونَ. وَلَوْلَا فَضْلُ اللهِ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَتُهُ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ لَمَسَّكُمْ فِي مَا أَفَضْتُمْ فِيهِ عَذَابٌ عَظِيمٌ. إِذْ تَلَقَّوْنَهُ بِأَلْسِنَتِكُمْ وَتَقُولُونَ بِأَفْوَاهِكُمْ مَا لَيْسَ لَكُمْ بِهِ عِلْمٌ وَتَحْسَبُونَهُ هَيِّنًا وَهُوَ عِنْدَ اللهِ عَظِيمٌ. وَلَوْلَا إِذْ سَمِعْتُمُوهُ قُلْتُمْ مَا يَكُونُ لَنَا أَنْ نَتَكَلَّمَ بِهَذَا سُبْحَانَكَ هَذَا بُهْتَانٌ عَظِيمٌ. يَعِظُكُمُ اللهُ أَنْ تَعُودُوا لِمِثْلِهِ أَبَدًا إِنْ كُنْتُمْ مُؤْمِنِينَ. وَيُبَيِّنُ اللهُ لَكُمُ الْآيَاتِ وَاللهُ عَلِيمٌ حَكِيمٌ. إِنَّ الَّذِينَ يُحِبُّونَ أَنْ تَشِيعَ الْفَاحِشَةُ فِي الَّذِينَ آمَنُوا لَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ وَاللهُ يَعْلَمُ وَأَنْتُمْ لَا تَعْلَمُونَ. وَلَوْلَا فَضْلُ اللهِ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَتُهُ وَأَنَّ اللهَ رَءُوفٌ رَحِيمٌ. অর্থ: “নিশ্চয়ই যারা (উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত শান মুবারক উনার খিলাফ) এই কঠিন অপবাদ দিয়েছে, মিথ্যা প্রচার করেছে, এরা কিন্তু মুসলমানদের মধ্যে একটি দল অর্থাৎ মুনাফিক্ব (উবাই ইবনে সুলূল এবং তার সাঙ্গপাঙ্গ)। আপনারা চিন্তা করবেন না যে, এটাতে আপনাদের জন্য খারাপী রয়েছে; বরং এটাতে আপনাদের জন্য খায়ের-বরকত রয়েছে। যারা এটা রটিয়েছে, যারা জড়িত ছিলো, তারা প্রত্যেকেই তাদের অবস্থা অনুযায়ী গোনাহ কামিয়েছে। আর তাদের মধ্যে যে বড় দুষ্টটা (মুনাফিক্ব সর্দার উবাই ইবনে সুলূল) রয়েছে, তার জন্য কঠিন শাস্তি রয়েছে। না‘ঊযুবিল্লাহ! আপনারা যখন একথা শুনলেন (তখন আপনারা কেন এই বিষয়ে শক্ত প্রতিবাদ করলেন না?), তখন ঈমানদার পুরুষ ও মহিলা উনারা কেন নিজেদের লোক সম্পর্কে উত্তম ধারণা করেনি এবং বলেনি যে, এটা তো প্রকাশ্য একটা অপবাদ? তারা (মুনাফিক্বরা) কেন এ ব্যাপারে চার জন সাক্ষী উপস্থিত করেনি? অতঃপর যখন তারা সাক্ষী উপস্থিত করেনি, তারাই (মুনাফিক্বরাই) মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে মিথ্যাবাদী (হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে)। যদি ইহকাল ও পরকালে আপনাদের প্রতি মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত ফযল ও রহমত মুবারক না থাকতো, তবে আপনারা যা চর্চা করছিলেন, সেজন্য আপনাদেরকে কঠিন আযাব স্পর্শ করতো। (অর্থাৎ উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত শান মুবারক উনার খিলাফ অপবাদ দেয়ার কারণে মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে কঠিন আযাব-গযব নেমে আসতো।) যখন তোমরা একে মুখে মুখে ছড়াচ্ছিলে এবং মুখে এমন বিষয় উচ্চারণ করছিলে, যার কোনো জ্ঞান তোমাদের ছিলো না। তোমরা এই বিষয়টিকে তুচ্ছ মনে করছিলে, অথচ মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে এটা একটি অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। তোমরা যখন এ কথা শুনলে তখন কেন বললে না যে, এ বিষয়ে কোনো কথা বলা আমাদের উচিত নয়। মহান আল্লাহ পাক তিনি তো অত্যন্ত পবিত্রময়। এটা তো একটা কঠিন গুরুতর অপবাদ। মহান আল্লাহ পাক তিনি তোমাদেরকে নছীহত করছেন, তোমারা যদি ঈমানদার হও, তবে কখনো পুনরায় এই সমস্ত কাজের পুনরাবৃত্তি করো না। আর মহান আল্লাহ পাক তিনি তোমাদের জন্য সম্মানিত নিদর্শন মুবারকগুলো স্পষ্টভাবে বর্ণনা করছেন এবং মহান আল্লাহ পাক তিনি হচ্ছেন ‘আলীম ও হাকীম তথা সর্ববিষয়ে জ্ঞাত এবং হিকমতওয়ালা। সুবহানাল্লাহ! নিশ্চয়ই যারা পছন্দ করে যে, ঈমানদারদের মধ্যে অশ্লীলতা প্রসার লাভ করুক, অর্থাৎ যারা ঈমানদারদের সম্পর্কে এই সমস্ত অশ্লীলতা প্রচার করা পছন্দ করে, তাদের জন্য ইহকাল ও পরকালে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি রয়েছে। মহান আল্লাহ পাক তিনি জানেন, তোমরা জানো না। যদি তোমাদের প্রতি মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত ফযল মুবারক ও রহমত মুবারক না থাকতো এবং মহান আল্লাহ পাক তিনি দয়ালু ও করুণাময় না হতেন, তবে তোমাদের উপর কঠিন আযাব-গযব নাযিল হতো।” (সম্মানিত সূরা নূর শরীফ: সম্মানিত আয়াত শরীফ: ১১-২০) যিনি খ¦ালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি এই সম্মানিত দশখানা পবিত্র আয়াত শরীফ নাযিল করে আফদ্বলুন নিসা বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ছাহিবাতু জামি‘য়িল ইলম, উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার বেমেছাল সম্মানিত পবিত্রতা মুবারক, শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক উনার বিষয়টি সমস্ত কায়িনাতবাসীর নিকট স্পষ্ট করে দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ! যার কোনো মেছাল বা তুলনা নেই। সুবহানাল্লাহ! মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন, اِنَّـمَا يُرِيْدُ اللهُ لِيُذْهِبَ عَنْكُمُ الرِّجْسَ اَهْلَ الْبَيْتِ وَيُـطَـهِّـرَكُمْ تَطْهِيْرًا. অর্থ: “হে সম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম, নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি চান আপনাদের থেকে সমস্ত প্রকার অপবিত্রতা দূর করে আপনাদেরকে পবিত্র করার মতো পবিত্র করতে। অর্থাৎ তিনি আপনাদেরকে পবিত্র করার মতো পবিত্র করেই সৃষ্টি মুবারক করেছেন।” সুবহানাল্লাহ! (সম্মানিত সূরা আহযাব শরীফ : সম্মানিত আয়াত শরীফ ৩৩) এই সম্মানিত আয়াত শরীফ উনারও পরিপূর্ণ মিছদাক্ব হচ্ছেন উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম তিনি। সুবহানাল্লাহ! মহান আল্লাহ পাক তিনি উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনাকে পবিত্র করার মতো পবিত্র করেই সৃষ্টি মুবারক করেছেন। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত পবিত্রতা মুবারক উনার যেই হুকুম উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত পবিত্রতা মুবারক উনারও ঠিক একই হুকুম। সুবহানাল্লাহ! সেই জন্য আমারা দেখতে পাই, মহান আল্লাহ পাক উনার জলীলুল ক্বদর নবী ও রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত ইঊসুফ আলাইহিস সালাম উনার শানে যখন অপবাদ দেয়া হয়েছিলো, তখন উনার সম্মানিত পবিত্রতা মুবারক বর্ণনা করেছেন একজন বাচ্চা শিশু। আর উম্মু রূহিল্লাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত মারইয়াম আলাইহাস সালাম উনার শানে যখন অপবাদ দেয়া হয়েছিলো, তখন উনার সম্মানিত পবিত্রতা মুবারক বর্ণনা করেছেন উনার সম্মানিত আওলাদ জলীলুল ক্বদর নবী এবং রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত ঈসা রূহুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি। সুবহানাল্লাহ! কিন্তু উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত শান মুবারক উনার খিলাফ যখন অপবাদ দেয়া হয়েছিলো, তখন উনার সম্মানিত পবিত্রতা মুবারক স্বয়ং যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজেই বর্ণনা করেছেন। সুবহানাল্লাহ! মহান আল্লাহ পাক তিনি সম্মানিত কুরআন শরীফ উনার দশখানা পবিত্র আয়াত শরীফ নাযিল করে সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত পবিত্রতা মুবারক উনার বিষয়টি সমস্ত কায়িনাতবাসীর মাঝে স্পষ্ট করে দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ! তাহলে এখান থেকে স্পষ্ট হয়ে যায় যে, আদ্বলুন নিসা বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক কতো বেমেছাল। সুবহানাল্লাহ! এক কথায় তিনি শুধু মহান আল্লাহ পাক তিনি নন এবং উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নন; এছাড়া সমস্ত শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক উনাদের অধিকারিণী হচ্ছেন তিনি। সুবহানাল্লাহ! স্বাভাবিকভাবে কেউ যদি কোনো মু’মিনা, ঈমানদার মহিলা উনাদের ব্যাপারে অপবাদ দেয়, তাহলে তাকে ৮০ দোররা মারতে হয়। এটা সম্মানিত শরীয়ত মুবারক উনার বিধান। এই সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, وَالَّذِينَ يَرْمُونَ الْمُحْصَنَاتِ ثُمَّ لَمْ يَأْتُوا بِأَرْبَعَةِ شُهَدَاءَ فَاجْلِدُوهُمْ ثَمَانِينَ جَلْدَةً وَلَا تَقْبَلُوا لَهُمْ شَهَادَةً أَبَدًا وَأُولَئِكَ هُمُ الْفَاسِقُونَ. অর্থ: “যারা কোনো মু’মিনাহ, ঈমানদার মহিলা উনাদেরকে অপবাদ দেয়, অতঃপর স্বপক্ষে চার জন সাক্ষী উপস্থিত করে না, তাদেরকে আশিটি দোররা মারবে, বেত্রাঘাত করবে এবং তাদের সাক্ষী কখনো গ্রহণ করবে না। এরাই নাফরমান।” (সম্মানিত সূরা নূর শরীফ: সম্মানিত আয়াত শরীফ : ৪) কিন্তু উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার শান মুবারক-এ অপবাদ দেয়ার কারণে উবাই ইবনে সুলূলকে দ্বিগুণ শাস্তি দেয়া হয়েছিলো অর্থাৎ তাকে ১৬০ দোররা মারা হয়েছিলো। সুবহানাল্লাহ! তাহলে এখান থেকেই স্পষ্ট হয়ে যায় যে, উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক কতো বেমেছাল, যেটা সকলের চিন্তা-কল্পনার উর্ধ্বে। সুবহানাল্লাহ! আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম তিনি আফদ্বলুন নিসা বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার সম্মানার্থে আমাদের সবাইকে হাক্বীক্বী পবিত্রতা নছীব করুন। আমীন!
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন