পবিত্র রমাদ্বান শরীফে রোযা রেখে কি করে হারাম গান-বাজনা ও খেলাধুলায় লিপ্ত হওয়া যায়!
-
-
পবিত্র রমাদ্বান শরীফ খাছভাবে মুসলমানদের জন্য তাক্বওয়া হাছিল করার মাস। অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার ভয়ে ভীত হয়ে যাবতীয় হারাম নাজায়িয কুফরী-শেরকী অপকর্ম থেকে খালিছ তওবা-ইস্তিগফার করে রহমত হাসিল করে আল্লাহওয়ালা হওয়ার প্রশিক্ষণের মাস হলো মাহে রমাদ্বান শরীফ। সুবহানাল্লাহ! যদিও মুসলমানদের জন্য প্রতি মাস, প্রতিদিন, প্রতি মুহূর্তে তাক্বওয়া অর্জনে সচেষ্ট সতর্ক থাকা একান্ত দায়িত্ব-কর্তব্য। বলাবাহুল্য, যে কয়টি বিষয় মুসলমানদের তাক্বওয়া হাছিলে সবচাইতে বড় বাধা হিসেবে কাজ করে তার মধ্যে অন্যতম হলো, হারাম গান-বাজনা ও খেলাধুলায় লিপ্ত হওয়া। নাউযুবিল্লাহ! এ প্রসঙ্গে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- ’পানি যেমন ভূমিতে তৃণলতা উৎপন্ন করে, তদ্রƒপ গান-বাজনা মানুষের অন্তরে নিফাকী সৃষ্টি করে।’ নাউযুবিল্লাহ! তাহলে যে কারণে অন্তরে খায়ের বরকত রহমতের পরিবর্তে নিফাকী সৃষ্টি হয়, সে অন্তর রোযা রেখে কিভাবে তাক্বওয়া হাছিল করতে পারে? কস্মিনকালেও তার পক্ষে তাক্বওয়া হাছিল করা সম্ভব হবে না। আজকে বর্তমান মুসলিম সমাজে এই তাক্বওয়া হাছিলের মাসেও দেখা যাচ্ছে মানুষ গান-বাদ্য, খেলাধুলার মাধ্যমে নিজেদের সময়কে বিলীন করে দিচ্ছে। কথা হলো, যে উদ্দেশ্যে পবিত্র রোযা রাখা হলো সে উদ্দেশ্য বিন্দু পরিমাণ লাভ করতে হলেও তো গান-বাজনাকে কঠোরভাবে পরিহার করতে হবে। গান-বাজনার আওয়াজ যাতে মসজিদ, মাদরাসা, মাজার শরীফ হতে শুনা না যায় সে দিকেও লক্ষ্য রাখতে হবে। নিজে নিফাকী হতে মুক্তি লাভ করবো, সমাজকেও নিফাকী হতে মুক্ত রাখার চেষ্টা করবো- এই হোক আমাদের পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার প্রতিজ্ঞা
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন