সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, বিদ‘আতুম মির রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে খলীফাতুল মুসলিমীন, আমীরুল মু’মিনীন, যুন নূর সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার আযীমুশ শান মহাসম্মানিত নিসবতে আযীম শরীফ
সম্মানিত নিসবতে আযীম শরীফ উনার বিষয়ে বিভিন্ন প্রস্তাব এবং এই বিষয়ে খোদায়ী ফায়ছালা মুবারক: বিভিন্ন কিতাবের বিভিন্ন বর্ণনা থেকে বিষয়টি স্পষ্ট যে, সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত নিসবত মুবারক হাছিল করার লক্ষ্যে এবং উনার সম্মানিত খিদমত মুবারক উনার আনজাম মুবারক দেয়ার জন্য সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম তিনি এবং সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনিসহ আরো অনেক ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার সাথে সম্মানিত নিসবতে আযীম শরীফ-এ আবদ্ধ হওয়ার জন্য জন্য আরজী মুবারক পেশ করেন। তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, এই বিষয়ে আমি মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত ওহী মুবারক উনার অপেক্ষায় আছি। সুবহানাল্লাহ! অতঃপর হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনাদের পরামর্শে সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার বিষয়ে প্রস্তাব নিয়ে যান এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত খিদমত মুবারক-এ উপস্থিত হয়ে উনাকে ‘সম্মানিত সালাম মুবারক’ দেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ‘সম্মানিত সালাম মুবারক’ উনার জবাব দিয়ে বলেন, হে সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম! আপনি কিছু বলবেন কী? তখন সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহূ ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত নিসবতে আযীম শরীফ উনার সম্মানিত প্রস্তাব মুবারক নিয়ে এসেছি। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি জবাবে বললেন, ‘মারহাবান ওয়া আহলান’। সুবহানাল্লাহ! এর অধিক কিছু বললেন না। সাইয়্যিদুনা হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, সে সময় আমি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত খিদমত মুবারক-এ উপস্থিত ছিলাম। দেখলাম, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত চেহারা মুবারক-এ সম্মানিত ওহী মুবারক নাযিল হওয়ার আলামত প্রকাশ পাচ্ছেন। সুবহানাল্লাহ! সেটাই নিম্নোক্ত সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার দ্বারা আরো স্পষ্ট হয়ে যায়। عَن أنس قَالَ كنت قَاعِدا عِنْد النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم فغشيه الْوَحْي فَلَمَّا سري عَنهُ قَالَ لي يَا أنس أَتَدْرِي مَا جَاءَ بِهِ جِبْرِيل من عِنْد صَاحب الْعَرْش قلت بِأبي أَنْت وَأمي وَمَا جَاءَ بِهِ جِبْرِيل من عِنْد صَاحب الْعَرْش قَالَ إِن الله أَمرنِي أَن أزوج فَاطِمَة من عَليّ অর্থ: “হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি একদা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত খিদমত মুবারক-এ বসা ছিলাম। এমতাবস্থায় উনার নিকট সম্মানিত ওহী মুবারক আসলেন। সুবহানাল্লাহ! অতঃপর তিনি যখন সম্মানিত ওহী মুবারক উনার কারণে আনন্দিত হলেন, তখন আমাকে বলেন, হে হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু! আপনি কি জানেন হযরত জিবরীল আলাইহিস সালাম তিনি সম্মানিত আরশ উনার মালিক মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে কি সংবাদ মুবারক নিয়ে এসেছেন? আমি বললাম, আমার পিতা-মাতা আপনার জন্য কুরবান হোক! হযরত জিবরীল আলাইহিস সালাম তিনি সম্মানিত আরশ উনার মালিক মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে কি সংবাদ মুবারক নিয়ে এসেছেন? নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন, নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাকে নির্দেশ মুবারক দিয়েছেন আমি যেন সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার সাথে সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার আযীমুশ শান নিসবতে আযীম শরীফ (শাদী মুবারক) সুসম্পন্ন করি।” সুবহানাল্লাহ! (জামিউল আহাদীছ ২৩/৯৭, কানযুল ‘উম্মাল ১৩/৬৮৩, আল বায়ান ওয়াত তা’রীফ ১/১৭৪) সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে, عن حضرت عبد الله بن مسعود رضى الله تعالى عنه عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ان الله تعالى امرنى ان ازوج حضرت فاطمة عليها السلام من حضرت على عليه السلام অর্থ: “হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাকে ওহী মুবারক করেছেন, আমি যেন সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার সাথে সাইয়্যিদুনা হযরত কাররমাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার আযীমুশ শান নিসবতে আযীম শরীফ (শাদী মুবারক) সুসম্পন্ন করি।” সুবহানাল্লাহ! (মুজামুল কবির লিত তাবরানী, মাজমাউয যাওয়ায়িদ, হায়সামী, কানযুল উম্মাল ১৩/৩৮১, আল বয়ান ওয়াত তা’রীফ ইত্যাদি) মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার সান্নিধ্যপ্রাপ্ত বিশেষ ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদের উপস্থিতিতে সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার আযীমুশ শান নিসবতে আযীম শরীফ সুসম্পন্ন করেছেন: ‘নুযহাতুল মাজালিস’ কিতাবে বর্ণিত রয়েছে যে, فجاءه جبريل عليه السلام في بعض الأيام وقال إن الله تعالى يقرئك السلام ويقول لك اليوم كان عقد فاطمة في مَوْطِنِهَا في قَصْرٍ أمها في الجنة الخاطب إسرافيل، وجبريل وميكائيل الشهود والولي رب العزة والزوج علي رضي الله عنه অর্থ: “হযরত জিবরীল আলাইহিস সালাম তিনি একদা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত খিদমত মুবারক-এ উপস্থিত হয়ে বলেন, নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি আপনাকে সালাম জানিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ! আর তিনি আপনাকে উদ্দেশ্য করে ইরশাদ মুবারক করেছেন, আজ সম্মানিত জান্নাত মুবারক-এ সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিতা আম্মাজান উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত প্রসাদ মুবারক-এ সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত আক্বদ মুবারক সম্পন্ন হয়েছেন। সুবহানাল্লাহ! খতীব হচ্ছেন হযরত ইসরাফীল আলাইহিস সালাম তিনি। আর হযরত জিবরীল আলাইহিস সালাম তিনি ও হযরত মীকাঈল আলাইহিস সালাম তিনি অর্থাৎ উনারা সাক্ষী, স্বয়ং খ¦ালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি হচ্ছেন অলী তথা অভিভাবক এবং সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি হচ্ছেন যাওজুম মুকাররাম।” সুবহানাল্লাহ! (নুযহাতুল মাজালিস) সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো এসেছে, عن أنس رضي الله عنه قال بينما رسول الله صلى الله عليه وسلم في المسجد إذ قال صلى الله عليه وسلم لعلي هذا جبريل يخبرني أن الله عز وجل زوجك فاطمة، وأشهد على تزويجك أربعين ألف ملك، وأوحى إلى شجرة طوبى أن انثري عليهم الدر والياقوت فنثرت عليهم الدر والياقوت فابتدرت إليه الحور العين يلتقطن من أطباق الدر والياقوت، فهم يتهادونه بينهم إلى يوم القيامة" অর্থ: “হযরত আনাস ইবনে মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। একদা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহ ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র মসজিদে নববী শরীফ-এ অবস্থান মুবারক করছিলেন। হঠাৎ তিনি সাইয়্যিদাতুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনাকে উদ্দেশ্য করে বললেন, তিনি হযরত জিবরীল আলাইহিস সালাম। তিনি আমাকে এই সংবাদ দিচ্ছেন যে, নিশ্চয়ই যিনি খ¦ালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার সাথে আপনার সম্মানিত নিসবতে আযীম শরীফ সুসম্পন্ন করেছেন। সুবহানাল্লাহ! আপনাদের সম্মানিত নিসবতে আযীম শরীফ-এ চল্লিশ হাজার ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে সাক্ষী হিসেবে আযীমুশ শান নিসবতে আযীম শরীফ উনার অনুষ্ঠানে হাজির করা হয়েছিলো। আর ‘তুবা’ বৃক্ষকে নির্দেশ মুবারক দেয়া হয়েছিলো যেন উনাদের উপর মুক্তা ও ইয়াকুত (মূল্যবান পাথর) ছিটায়। অতঃপর চিত্তাকর্ষী নয়ন বিশিষ্ট হুরেরা ওই মুক্তা এবং ইয়াকুত দ্বারা পাত্র পূর্ণ করতে লাগলেন। যেগুলো উনারা ক্বিয়ামত পর্যন্ত পরস্পর হাদিয়াস্বরূপ বিনিময় করবেন।” (আর রিয়াদুন নাদরাহ ফী মানাকিবি আশারাহ ৩/১৪৬, যখায়িরুল ‘উকবা ফী মানাক্বিবে যাওইল কুরবা ৩২) সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে, عن حضرت على عليه السلام قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أتانى ملك فقال يا محمد صلى الله عليه وسلم ان الله تعالى يقرأ عليك السلام ويقول لك انى قد زوجت فاطمة ابنتك من على بن أبى طالب في الملا الاعلى فزوجها منه في الارض. অর্থ: “সাইয়্যিদুনা হযরত কাররমাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, আমার নিকট একজন ফেরেশতা আলাইহিস সালাম তিনি এসে বললেন, হে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! মহান আল্লাহ পাক তিনি আপনাকে সালাম দিয়েছেন। আর বলেছেন, আমি (আল্লাহ পাক) আপনার লখতে জিগার সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার আযীমুশ শান নিসবতে আযীম শরীফ সাইয়্যিদুনা হযরত কাররমাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার সাথে হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদের একটি সুউচ্চ মজলিস মুবারক-এ সম্পন মুবারক করেছি। কাজেই, আপনি দুনিয়ার যমীনে সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার সাথে সাইয়্যিদুনা হযরত কাররমাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার আযীমুশ শান নিসবতে আযীম শরীফ সুম্পন্ন করুন।” সুবহানাল্লাহ! (যখায়িরুল ‘উকবাহ ফী মানাক্বিবে যাওইল কুরবা ৩২) সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার সাথে মাশওয়ারা করা: এই সম্পর্কে ‘যাখায়েরুল ‘উক্ববা শরীফ’ উনার বর্ণিত রয়েছে যে, لما خطب على فاطمة أتاها رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: ان عليا قد ذكرك فسكتت فخرج فزوجها. অর্থ: “যখন সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি উম্মু আবীহা সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার সাথে নিসবতে আযীম শরীফ-এ আবদ্ধ হওয়ার জন্য আরজী মুবারক পেশ করলেন, তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার নিকট আসলেন। তারপর তিনি বললেন, নিশ্চয়ই সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি আপনার সাথে নিসবতে আযীম শরীফ-এ আবদ্ধ হওয়ার জন্য আরজী মুবারক পেশ করেছেন। তখন সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম তিনি চুপ থাকলেন। অতঃপর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বের হয়ে গেলেন। তারপর উনার আযীমুশ শান নিসবতে আযীম শরীফ সম্পন্ন করলেন।” সুবহানাল্লাহ! (যাখায়েরুল ‘উক্ববাহ শরীফ) এখান থেকে একটি মাসয়ালা বের করা হয়েছে যে, السكوت نصف الرجاء অর্থ: “চুপ থাকা হচ্ছে অর্ধ সমর্থন।” অর্থাৎ সমর্থনের লক্ষণ। সুতরাং বিবাহ শাদীর বিষয়ে কোনো মেয়েকে যদি প্রস্তাব দেয়া হয়, আর উক্ত মেয়ে যদি প্রস্তাব শুনে চুপ থাকে। তাহলে বুঝতে হবে যে, উক্ত মেয়ে এই প্রস্তাবে রাজি রয়েছে। আযীমুশ শান নিসবতে আযীম শরীফ উনার প্রস্তুতি মুবারক: নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনাকে বললেন, আপনার কাছে কিছু আছে কি? তখন সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি বললেন, আমার নিকট একটি ঘোড়া ও একটি বর্ম রয়েছে। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন, ঘোড়াটি আপনার প্রয়োজন রয়েছে। আপনি বর্মটি বিক্রি করে এর হাদিয়া আমার নিকট নিয়ে আসুন। তখন সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি বর্মটি বিক্রি করার জন্য সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার নিকট নিয়ে যান। তখন সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম তিনি বর্মটি নিয়ে এর হাদিয়াস্বরূপ সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত হাত মুবারক-এ ৫০০ দিরহাম দেন। সুবহানাল্লাহ! অতঃপর সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম তিনি নিজ হাত মুবারক-এ উক্ত বর্মটি সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার শির (মাথা) মুবারক-এ পরিয়ে দিয়ে বললেন, এই বর্ম মুবারক একমাত্র ‘আসাদুল্লাহ তথা শে’রে খোদ’ উনার মাথা মুবারকেই শোভা পায়। সুবহানাল্লাহ! এটা বলে সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম তিনি উক্ত বর্মটিও সাইয়্যিদুনা হযরত কাররমাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনাকে হাদিয়া মুবারক করেন। সুবহানাল্লাহ! অতঃপর সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি ৫০০ দিরহাম নিয়ে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত খিদমত মুবারক-এ পেশ করেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উক্ত অর্থ থেকে কয়েকটি মুদ্রা হযরত বেলাল রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার হাত মুবারক-এ দিয়ে আতর ও খুশবু কিনে আনতে বললেন। অবশিষ্ট মুদ্রাগুলো উম্মু সুলাইম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহা উনার হাত মুবারক দিয়ে উনাকে বললেন সম্মানিত নিসবতে আযীম শরীফ উনার সাজসজ্জা, সংসারের কিছু প্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনে আনতে। ‘মাদারেজুন নুবুওওয়াহ শরীফ’ উনার বর্ণনা অনুযায়ী হযরত উম্মু সুলাইম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহা তিনি দুটি চাদর, কাতানের দুটি নেহালী, চার বিঘত কাপড়, পরিধেয় বস্ত্র, রৌপ্যের দুটি বাযুবন্দ, গদী, বালিশ, একটি পেয়ালা, একটি চৌকি, একটি মশক এবং কিছু পানপাত্র ক্রয় করেন। অতঃপর সেগুলো এনে স্তরে স্তরে সাজিয়ে রাখেন। সুবহানাল্লাহ! কেনাকাটা করার পর অবশিষ্ট যেই মুদ্রা থাকে, সেগুলো আযীমুশ শান নিসবতে আযীম শরীফ অনুষ্ঠিত হওয়ার পর সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনাকে সম্মানিত হাদিয়া মুবারক করা হয়। সুবহানাল্লাহ! বায়তুল মামুরে সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার আযীমুশ শান নিসবতে আযীম শরীফ: কিতাবে বর্ণিত রয়েছে, মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে আদেশ দিলেন, উনারা যেনো সুন্দর পোশাকে সুসজ্জিত হন। তারপর জান্নাতের হুরদেরকেও সুন্দরভাবে সুসজ্জিত হওয়ার নির্দেশ দিলেন। তুবা বৃক্ষকে হুকুম দিলেন সুন্দরভাবে সুসজ্জিত হওয়ার জন্য। অতঃপর সমস্ত হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে চতুর্থ আসমান বাইতুল মামুরে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দিলেন। সেই বাইতুল মামুরের মেম্বর শরীফ-এ আবুল বাশার সাইয়্যিদুনা হযরত আদম ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি বসে খুতবাহ মুবারক দিলেন। তারপর মহান আল্লাহ পাক উনার ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদের মধ্যে মিষ্টভাষী ‘রাহিল’ ফেরেশতা আলাইহিস সালাম উনাকে মিম্বরে এসে আল্লাহ পাক উনার প্রশংসা করার নির্দেশ দিলেন। ‘রাহিল’ ফেরেশতা আলাইহিস সালাম যখন খুৎবাহ পাঠ করলেন উনার অতি সুমিষ্ট কণ্ঠের সুমধুর আওয়াযে আসমানের সমস্ত হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা তন্দ্রাচ্ছন্ন হলেন। অতঃপর মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত জিবরীল আলাইহিস সালাম উনাকে বললেন, আমি আমার খাছ মাহবুবাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ফাতিমাতুয যাহরা আলাইহাস সালাম উনার সাথে আমার আখাচ্ছুল খাছ প্রিয় বা মাহবূব ব্যক্তিত্ব মুবারক সাইয়্যিদুনা হযরত আলী ইবনে আবি ত্বলিব আলাইহিস সালাম উনার নিসবতে আযীম শরীফ সুসম্পন্ন করলাম। সুবহানাল্লাহ! হে হযরত জিবরীল আলাইহিস সালাম! আপনি এই সম্মানিত নিসবতে আযীম শরীফ হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালামগণ উনাদের মজলিসে সম্পাদন করে দিন। মহান আল্লাহ পাক উনার হুকুম মুতাবিক সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার ও সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ উনার আযীমুশ শান নিসবতে আযীম শরীফ উনার আক্বদ মুবারক হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে সাক্ষী বানিয়ে সম্পন্ন করা হলো। এই সম্মানিত আক্বদ মুবারক উনার অনুষ্ঠানের সমস্ত কার্যক্রম জান্নাতী রেশমী কাপড় মুবারক উনার মধ্যে লিখে রাখা হলো। হযরত জিবরীল আলাইহিস সালাম তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে সম্মানিত ওহী মুবারক নিয়ে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত খিদমত মুবারক-এ উপস্থিত হন। তারপর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সম্মানিত ওহী মুবারক অনুযায়ী উনাদের আযীমুশ শান নিসবতে আযীম শরীফ বাস্তবায়ন করেন। সুবহানাল্লাহ! দুনিয়ার যমীনে আযীমুশ শান মহাসম্মানিত নিসবতে আযীম শরীফ অনুষ্ঠান: নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের উপস্থিতিতে ‘মসজিদে নববী শরীফ’-এ সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত নিসবতে আযীম শরীফ পড়ান। এই সম্পর্কে কিতাবে বর্ণিত রয়েছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে লক্ষ্য করে ইরশাদ মুবারক করেন, হে হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু! আপনি যান। সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনাকে, সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনাকে, সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনাকে, সাইয়্যিদুনা হযরত ত্বলহা রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনাকে, সাইয়্যিদুনা হযরত যুবাইর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে এবং হযরত আনছার ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরকে ডেকে আনুন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নির্দেশ মুবারক-এ সকল ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা উপস্থিত হন। তারপর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সম্মানিত নিসবতে আযীম শরীফ পড়ান। সুবহানাল্লাহ! বিভিন্ন কিতাবের বর্ণনা অনুযায়ী নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত নিসবতে আযীম শরীফ-এ নিম্নোক্ত খুতবাহ মুবারক পাঠ করেন, الحمد لله المحمود بنعمته، المعبود بقدرته، المطاع بسلطانه، المرهوب من عذابه وسطوته، النافذ أمره فى سمائه وأرضه، الذى خلق الخلق بقدرته، وميزهم بأحكامه، وأعزهم بدينه، وأكرمهم بنبيه محمد- صلى الله عليه وسلم. إن الله تبارك اسمه وتعالت عظمته جعل المصاهرة سببا لا حقا، وأمرا مفترضا، أوشج به الأرحام، وألزم به الأنام، فقال عز من قائل وَهُوَ الَّذِي خَلَقَ مِنَ الْماءِ بَشَراً فَجَعَلَهُ نَسَباً وَصِهْراً وَكانَ رَبُّكَ قَدِيراً . فأمر الله تعالى يجرى إلى قضائه، وقضاؤه يجرى إلى قدره، ولكل قضاء قدر، ولكل قدر أجل، ولكل أجل كتاب، يمحو الله ما يشاء ويثبت وعنده أم الكتاب. ثم إن الله عزّ وجل أمرنى أن أزواج فاطمة من على بن أبى طالب، فاشهدوا أنى قد زوجته على أربعمائة مثقال فضة إن رضى بذلك على وفى رواية أرضيت يا على فقال على رضيت عن الله وعن رسوله فقال جمع الله شملكما وأسعد جدّكما وبارك عليكما وأخرج منكما كثيرا طيبا. আযীমুশ শান মহাসম্মানিত নিসবতে আযীম শরীফ অনুষ্ঠানে স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিজ হাত মুবারক সকলের উদ্দেশ্যে খেজুর মুবারক ছিটানো: শায়েখ আব্দুল হক্ব মুহাদ্দিছ দেহলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার ‘মাদারেজুন নুবুওওয়াহ শরীফ’ উনার মধ্যে উল্লেখ করেছেন, যখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন, হে সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম! আপনি কবূল করলেন এবং রাজি হলেন? সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি বললেন, আমি কবুল করলাম এবং রাজী হলাম। তারপর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি একপাত্র খেজুর মুবারক নিয়ে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাদের মাঝে ছিটিয়ে দিলেন। সুবহানাল্লাহ! তাই শাদী মুবারক অনুষ্ঠানে খেজুর ছিটানো খাছ সুন্নত উনার অন্তর্ভুক্ত। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পক্ষ থেকে আযীমুশ শান মহাসম্মানিত শাদী মুবারক-এ উম্মু আবীহা সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনাকে হাদিয়া আযীমুশ শান মহাসম্মানিত নিসবতে আযীম শরীফ-এ হাদিয়া মুবারক বিভিন্ন কিতাবের বর্ণনা অনুযায়ী নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পক্ষ থেকে আযীমুশ শান মহাসম্মানিত নিসবতে আযীম শরীফ-এ উম্মু আবীহা সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনাকে যেই সকল সম্মানিত বিষয় মুবারকগুলো হাদিয়া মুবারক করেছিলেন, তা নিম্নে উল্লেখ করা হলো, ১.একটি মাদুর মুবারক। যা মিশরীয় কাপড় মুবারক দ্বারা তৈরি ছিলো এবং যার ভিতর দেয়া হয়েছিলো পশম। ২.একটি বিছানা মুবারক, ৩. একটি চকি মুবারক, ৪. চামড়ার তৈরি একটি বালিশ যা খেজুরের ছালে পূর্ণ ছিলো, ৫. একটি অথবা দুইট মাটির তৈরি পাত্র, ৬. একটি পানির মশক- যা চামড়ার তৈরি ছিলো, ৭. একটি বাটি মুবারক, ৮. একটি শস্য ভাঙ্গানোর জাঁতা, ৯. কোনো বর্ণনায় দুটি জাঁতা, ১০. একটি নামাযের মাদুর, ১১. একটি খেজুর পাতার তৈরি চাটাই, ১২. ১টি তামার বদনা, ১৩. একটি কম্বল মুবারক, ১৪. দুই টুকরো কাপড়, ১৫. রুপার তৈরি দুটি বাহুবন্ধনী, ১৬. ২টি ঘোড়া ১৭. এগুলো ছাড়া আরেকটি চামড়ার পাট্টা দেয়া হয়েছিলো। যেটাতে কোরআন শরীফ উনার কয়েকটি সূরা শরীফ লিখা ছিলো।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন