রহমতপূর্ণ,বরকতপূর্ণ,সাকিনাপূর্ণ সুমহান ১লা রমাদ্বান শরীফ- ঈদে বিলাদতে হযরত বড়পীর ছাহিব রহমতুল্লাহি আলাইহি
<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘সাবধান! নিশ্চয় যাঁরা মহান আল্লাহ পাক উনার ওলী, উনাদের কোনো ভয় নেই এবং চিন্তা-পেরেশানীও নেই।’
সুমহান ঐতিহাসিক ও বরকতময় পবিত্র পহেলা রমাদ্বান শরীফ।
মহান আল্লাহ পাক উনার খালিছ ওলী সাইয়্যিদুল আউলিয়া, গাউছুল আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি
এই দিন উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন।
যে দিনটি কুল-কায়িনাতের সকলের জন্য ঈদ বা খুশির দিন। সুবহানাল্লাহ!
এ উপলক্ষে সকলের দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- উনার পবিত্র সাওয়ানেহে উমরী মুবারক আলোচনা করার লক্ষ্যে মাহফিল করে এবং পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ করে সর্বাত্মক ঈদ বা খুশি প্রকাশ করা।
এ উপলক্ষে সকলের দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- উনার পবিত্র সাওয়ানেহে উমরী মুবারক আলোচনা করার লক্ষ্যে মাহফিল করে এবং পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ করে সর্বাত্মক ঈদ বা খুশি প্রকাশ করা।
আর সরকারের জন্যও ফরয হচ্ছে- মাসব্যাপী মাহফিলসমূহের সার্বিক আনজাম দেয়ার সাথে সাথে উনার পবিত্র জীবনী মুবারক শিশুশ্রেণী থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ শ্রেণী পর্যন্ত সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সিলেবাসের অন্তর্ভুক্ত করা এবং উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করার দিবসে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা।
মাহবুবে সুবহানী, কুতুবে রব্বানী, গাউছুল আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া হযরত শায়েখ সাইয়্যিদ মুহিউদ্দীন আব্দুল কাদির জিলানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ থেকে পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ পর্যন্ত আমরা যে ওয়াকিয়া বা ইতিহাস দেখতে পাই; তার মধ্যে হাজারো নছীহত বা ইবরত রয়ে গেছে। মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “সাবধান! নিশ্চয় যাঁরা মহান আল্লাহ পাক উনার ওলী উনাদের কোনো ভয় নেই এবং চিন্তা-পেরেশানীও নেই।” সুবহানাল্লাহ!
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে উল্লেখ আছে, “প্রত্যেক হিজরী শতকের শুরুতে মহান আল্লাহ পাক তিনি এই উম্মতের ইছলাহর জন্য এমন একজন ব্যক্তিত্বকে প্রেরণ করবেন, যিনি পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার সংস্কার করবেন।” অর্থাৎ বিদয়াত, বেশরা এবং পবিত্র ইসলামী শরীয়ত উনার বিগর্হিত কাজগুলোর সংশোধন করবেন। সুবহানাল্লাহ!
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে উল্লেখ আছে, “প্রত্যেক হিজরী শতকের শুরুতে মহান আল্লাহ পাক তিনি এই উম্মতের ইছলাহর জন্য এমন একজন ব্যক্তিত্বকে প্রেরণ করবেন, যিনি পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার সংস্কার করবেন।” অর্থাৎ বিদয়াত, বেশরা এবং পবিত্র ইসলামী শরীয়ত উনার বিগর্হিত কাজগুলোর সংশোধন করবেন। সুবহানাল্লাহ!
সেই রকম একজন খাছ ও বিশিষ্ট ওলীআল্লাহ হলেন- সাইয়্যিদুল আউলিয়া, গাউছুল আ’যম সাইয়্যিদুনা হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি। তিনি ৪৭১ হিজরী সনের পবিত্র পহেলা রমাদ্বান শরীফ, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম শরীফ (সোমবার) শরীফ পবিত্র জিলান নগরে পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। আজ সেই পহেলা রমাদ্বান শরীফ। সুবহানাল্লাহ!
গাউছুল আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি সম্মানিত পিতা উনার দিক থেকে ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম হাসান আলাইহিস সালাম এবং সম্মানিত মাতা উনার দিক থেকে ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম হুসাইন আলাইহিস সালাম উনাদের বংশধর অর্থাৎ হযরত আওলাদে রসূল ছল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। সাইয়্যিদুল আউলিয়া, গাউছুল আ’যম হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সম্মানিত পিতা উনার নাম মুবারক হযরত সাইয়্যিদ আবু ছালেহ মুসা জঙ্গীদোস্ত রহমতুল্লাহি আলাইহি। যেহেতু তিনি জিহাদপ্রিয় ছিলেন সেহেতু উনাকে জঙ্গীদোস্ত বলা হয়। আর উনার সম্মানিত মাতা উনার নাম মুবারক হযরত উম্মুল খায়ের আমাতুল জাব্বার ফাতিমা রহমতুল্লাহি আলাইহা।
গাউছুল আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি সম্মানিত পিতা উনার দিক থেকে ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম হাসান আলাইহিস সালাম এবং সম্মানিত মাতা উনার দিক থেকে ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম হুসাইন আলাইহিস সালাম উনাদের বংশধর অর্থাৎ হযরত আওলাদে রসূল ছল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। সাইয়্যিদুল আউলিয়া, গাউছুল আ’যম হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সম্মানিত পিতা উনার নাম মুবারক হযরত সাইয়্যিদ আবু ছালেহ মুসা জঙ্গীদোস্ত রহমতুল্লাহি আলাইহি। যেহেতু তিনি জিহাদপ্রিয় ছিলেন সেহেতু উনাকে জঙ্গীদোস্ত বলা হয়। আর উনার সম্মানিত মাতা উনার নাম মুবারক হযরত উম্মুল খায়ের আমাতুল জাব্বার ফাতিমা রহমতুল্লাহি আলাইহা।
‘তাওয়ারিখে আউলিয়া’ নামক কিতাবে হযরত শায়েখ আব্দুল ফতেহ বাগদাদী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উল্লেখ করেন, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) দিবাগত রাত্রে অর্থাৎ ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম শরীফ (সোমবার) রাত্রে সাইয়্যিদুল আউলিয়া, গাউছুল আ’যম হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি গোসল করেন। গোসলান্তে পবিত্র ইশা উনার নামায আদায় করে তিনি উম্মতে হাবীবী উনাদের গুনাহখাতা মাফের জন্য ও তাদের উপর খাছ রহমতের জন্য দোয়া মুবারক করলেন। এরপর গায়েব হতে আওয়াজ আসলো, “হে প্রশান্ত নফস, আপনি সন্তুষ্টচিত্তে, সন্তুষ্টিপ্রাপ্ত হয়ে নিজ প্রতিপালক উনার দিকে প্রত্যাবর্তন করুন। আপনি আমার নেককার বান্দার মধ্যে শামিল হয়ে যান এবং বেহেশতে প্রবেশ করুন।” সুবহানাল্লাহ! এরপর তিনি পবিত্র কালিমা শরীফ পাঠ করে ৫৬১ হিজরী সনের ১১ই রবীউছ ছানী শরীফ, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম শরীফ (সোমবার) মহান আল্লাহ পাক উনার মহান দরবার শরীফ-এ তাশরীফ মুবারক গ্রহণ করেন। অর্থাৎ পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। আর এ দিনটিই সারাবিশ্বে ‘পবিত্র ফাতিহায়ে ইয়াযদাহম’ নামে মশহুর। সুবহানাল্লাহ!
মূলকথা হলো- আজ ঐতিহাসিক ও বরকতময় পবিত্র পহেলা রমাদ্বান শরীফ। মহান আল্লাহ পাক উনার খালিছ ওলী গাউছুল আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি এই দিন উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। যে দিনটি কুল-কায়িনাতের সকলের জন্য ঈদ বা খুশির দিন। সুবহানাল্লাহ! এ উপলক্ষে সকলের দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- উনার পবিত্র সাওয়ানেহে উমরী মুবারক আলোচনা করার লক্ষ্যে মাহফিল করে এবং পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ করে সর্বাত্মক ঈদ বা খুশি প্রকাশ করা। আর সরকারের জন্যও ফরয হচ্ছে- মাসব্যাপী মাহফিলসমূহের সার্বিক আনজাম দেয়ার সাথে সাথে উনার পবিত্র জীবনী মুবারক শিশুশ্রেণী থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ শ্রেণী পর্যন্ত সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সিলেবাসের অন্তর্ভুক্ত করা এবং উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করার দিবসে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা।
মূলকথা হলো- আজ ঐতিহাসিক ও বরকতময় পবিত্র পহেলা রমাদ্বান শরীফ। মহান আল্লাহ পাক উনার খালিছ ওলী গাউছুল আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি এই দিন উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। যে দিনটি কুল-কায়িনাতের সকলের জন্য ঈদ বা খুশির দিন। সুবহানাল্লাহ! এ উপলক্ষে সকলের দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- উনার পবিত্র সাওয়ানেহে উমরী মুবারক আলোচনা করার লক্ষ্যে মাহফিল করে এবং পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ করে সর্বাত্মক ঈদ বা খুশি প্রকাশ করা। আর সরকারের জন্যও ফরয হচ্ছে- মাসব্যাপী মাহফিলসমূহের সার্বিক আনজাম দেয়ার সাথে সাথে উনার পবিত্র জীবনী মুবারক শিশুশ্রেণী থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ শ্রেণী পর্যন্ত সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সিলেবাসের অন্তর্ভুক্ত করা এবং উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করার দিবসে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন