শুক্রবার, ১ জুলাই, ২০১৬

পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার শেষ দশকের প্রত্যেক বেজোড় রাত্রিতেই পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর তালাশ করতে হবে

পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার শেষ দশকের প্রত্যেক বেজোড় রাত্রিতেই পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর তালাশ করতে হবে

পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার শেষ দশ দিনের বিজোড় রাত্রিগুলোতে লাইলাতুল ক্বদর তালাশ করতে হয়। অর্থাৎ ২১, ২৩, ২৫, ২৭ ও ২৯শে পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার রাতে জাগ্রত থেকে ইবাদত-বন্দেগী, যিকির-ফিকির করে সময় অতিবাহিত করতে হবে। এতে পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর উনার ফযীলত লাভে ধন্য হওয়া যাবে। উল্লেখ্য যে, অনেকে শুধুমাত্র ২৭শে রমাদ্বান শরীফ উনার রাতে জাগ্রত থেকে পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর তালাশ করে থাকে। অথচ পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মধ্যে কোথাও শুধুমাত্র পবিত্র ২৭শে রমাদ্বান শরীফ রাতকে পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর উনার রাত বলে নির্দিষ্ট করা হয়নি। বরং বিজোড় ৫ রাত্রিতে জাগ্রত থেকে পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর তালাশ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার শেষ দশ দিন ই’তিকাফ করতেন এবং বিশেষভাবে জাগ্রত থাকতেন ও রাখতেন। সুবহানাল্লাহ! তবে পবিত্র ২৭শে রমাদ্বান শরীফ পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর হওয়ার বিষয়ে হানাফী মাযহাবের সম্মানিত ইমাম ইমামে আ’যম হযরত ইমাম আবু হানিফা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি প্রাধান্য দিয়েছেন। আর বিশ্বের বেশির ভাগ মুসলমান হানাফী মাযহাবের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার কারণেই সাধারণভাবে পবিত্র ২৭শে রমাদ্বান শরীফ উনার রাতকে পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর হিসেবে গুরুত্ব দেয়া হয়। আপনারা যারা পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর উনার পরিপূর্ণ ফযীলত লাভে ধন্য হতে চান আপনারা প্রত্যেকে বর্তমান যামানার একমাত্র সুন্নতের পরিপূর্ণ অনুসরণকারী যামানার সুমহান মুজাদ্দিদ রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার ছোহবত মুবারক-এ আসুন। কেননা তিনি পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার শেষ দশ দিন ই’তিকাফ করেন। বিজোড় ২১, ২৩, ২৫, ২৭ ও ২৯শে রমাদ্বান শরীফ উনার রাতে পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর তালাশ করেন যেভাবে অন্যান্য জায়গায় শুধু পবিত্র ২৭শে রমাদ্বান শরীফ রাতে লাইলাতুল ক্বদর তালাশ করা হয়

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন