সোমবার, ১১ জুলাই, ২০১৬

ভূমিকম্পে বিধর্মীরা বিপর্যস্ত মুসলমানদের উচিত তওবা করে নেক আমলে ফিরে আসা।

ভূমিকম্পে বিধর্মীরা বিপর্যস্ত মুসলমানদের উচিত তওবা করে নেক আমলে ফিরে আসা।


(বিধর্মীদের দেশে ভূমিকম্পে ধ্বংস স্তূপ) ২০১৬ সালের এপ্রিল আরবিয়া বা বুধবার রাত ৭টা ৫৭ মিনিটে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে ৬.০৯ মাত্রার ভূমিকম্প হয়। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক এবং সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের অত্যন্ত দয়া এহ্্সানে এই ভূমিকম্পে বাংলাদেশে কোনো ক্ষয়-ক্ষতি হয়নি। বিগত ২৫ এপ্রিল ২০১৫ নেপালে ঘটে যায় ৭ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্প। ঐ ভূমিকম্পে নেপালে লক্ষ-লক্ষ মানুষ মারা যায় এবং পুরো নেপাল ধ্বংস্তূপে পরিণত হয়। গত ১৫ থেকে ১৬ এপ্রিল ২৪ ঘণ্টায় জাপানে ২৫২ বার ভূমিকম্প হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির আবহাওয়া কর্তৃপক্ষ। ভূমিকম্পের পর জাপানে বাড়িঘর ধসে কবরস্থানে পরিণত হয়েছে । ১৬ এপ্রিল ২০১৬ ইকুয়েডরে ৭.৮ মাত্রার ভূমিকম্পে ইকুয়েডর ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি রহমান, রাহীম এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি রহমাতুল্লিল আলামীন। তাহলে উনারা ভূমিকম্পের মতো গযব দিয়ে মুহূর্তের মধ্যে ধ্বংস করে দিচ্ছেন এর কারণ কি? খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে সৎকর্ম করে, সে নিজের উপকারের জন্যেই করে, আর যে অসৎকর্ম করে, এই অসৎকর্মের ফল তার নিজের উপরই বর্তাবে। হে আমার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আপনার রব (মহান আল্লাহ পাক) তিনি বান্দাদের প্রতি মোটেই যুলুম করেন না (পবিত্র সূরা হা-মীম-সেজদাহ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৪৬)। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যমীনে পানিতে যত ফিতনা-ফাসাদ সব মানুষের বদ আমলের কারনে। মহান আল্লাহ পাক তিনি মানুষকে বদ আমলের শাস্তি আস্বাদন করাতে চান, যাতে মানুষ নেক আমলে ফিরে আসে। (পবিত্র সূরা রুম শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৪১) উপরোক্ত পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার পবিত্র আয়াত শরীফ উনাদের মাধ্যমে সুস্পষ্টভাবে বুঝা যায় ভূমিকম্প, ভূমিধস, তুষারপাত, দাবানল, বন্যা, তুফানসহ যত রকমের গযব দুনিয়ার যমীনে নাযিল হয় তার মূলত প্রধান দুটি কারণ। প্রথম কারনটি হচ্ছে সারা দুনিয়াব্যাপী সমস্ত বিধর্মীরা মুসলমানদের উপর মারাত্মক যুলুম-নির্যাতন চালিয়ে লক্ষ-লক্ষ মুসলমান উনাদের শহীদ করে মুসলমানদের মাল-সম্পদ লুট করে যাচ্ছে। বিধর্মীদের এই বদ আমলের কারণে মহান আল্লাহ পাক তিনি শাস্তিস্বরূপ বিভিন্ন রকমের গযবে বিধর্মীদের ধ্বংস করে দিচ্ছেন। আর দ্বিতীয় কারনটি হচ্ছে গান-বাজনা, ছবি, টিভি-চ্যাণেল, বেহায়া-বেপর্দা, খেলাধুলাসহ বিভিন্ন প্রকারের হারাম কাজে মুসলমানরা লিপ্ত হয়ে পড়েছে। আর মহান আল্লাহ পাক এবং উনার প্রিয়তম হাবীব, নূরে মজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যেহেতু মুসলমানদের মুহব্বত করেন তাই উনারা চেয়ে থাকেন মুসলমানরা যেন তওবা করে সমস্ত হারাম কাজগুলি ছেড়ে দিয়ে নেককার আল্লাহওয়ালা হয়ে যায় তাই মুসলমানদের সতর্ককরার জন্য মুসলমানদের মধ্যে কিছু দুর্যোগ এসে থাকে। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যখন ঈমানদার উনাদের উপর বিপদ-আপদ আসে তখন ঈমানদার উনারা বলেন, নিশ্চয়ই আমরা মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তষ্টির জন্যই এবং আমরা মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট ফিরে যাবো। তাদের জন্য রয়েছে রব (মহান আল্লাহ পাক) উনার পক্ষ থেকে মাগফিরাত, রহমত এবং তারাই হিদায়েতপ্রাপ্ত।” (পবিত্র সূরা বাকারা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১৫৬-১৫৭) মুসলমানদের উচিত কালবিলম্ব না করে এই মুহূর্তে সর্বপ্রকার হারাম কাজ থেকে তওবা করে হক্বানী-রব্বানী একজন কামেল শায়েখ আলাইহিস সালাউনার কাছে বাইয়াত গ্রহণ করে ইলমে তাছাউফ অর্জন করা। আর বর্তমান যামানায় মহান আল্লাহ পাক উনার খাছ লক্ষ্যস্থল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খাস আওলাদ, হক্বানী-রব্বানী কামেল শায়েখ আলাইহিস সালাম হচ্ছেন ঢাকা রাজারবাগ শরীফ উনার সম্মানিত সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি। সুবহানাল্লাহ!



কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন