সোমবার, ১১ জুলাই, ২০১৬

মুজাদ্দিদে আ’যম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মকবুল মুনাজাত শরীফ উনার বেমেছাল রূহানীয়ত সমৃদ্ধ রোব মুবারক উনার ফলেই খোদায়ী গযবে পর্যুদস্ত বিশ্বের সকল কাফির-মুশরিকের দে শ

মুজাদ্দিদে আ’যম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মকবুল মুনাজাত শরীফ উনার বেমেছাল রূহানীয়ত সমৃদ্ধ রোব মুবারক উনার ফলেই খোদায়ী গযবে পর্যুদস্ত বিশ্বের সকল কাফির-মুশরিকের দে


নেপালে প্রায় শূন্যের কোঠায় পর্যটন শিল্প নেপালের পর্বতের পাদদেশ সংলগ্ন হ্রদ ফেওয়ার তীরে নৌকা নিয়ে বসে আছে মাঝি হেম গুরুং। তার অপেক্ষার প্রহর যেন শেষই হচ্ছে না। এই অপেক্ষা পর্যটকদের জন্য। মাঝি গুরুং এএফপি’কে জানায়, ভূমিকম্পের পর থেকে পোখরা প্রায় পর্যটকশূন্য হয়ে পড়েছে। হ্রদের তীরবর্তী রিসোর্টগুলো একসময় পর্যটকদের ভিড়ে গমগম করতো। হিমালয় দর্শনে আসা অতিথিদের বিচরণে মুখর হয়ে থাকতো পুরো অঞ্চলটি। পাশাপাশি পর্বত জয়ের অভিযানের নেশায় ছুটে আসা অভিযাত্রীদের সংখ্যাও নেহাত কম ছিল না। ৪৯ বছর বয়সী গুরুং ট্যুরিস্ট গাইড ও মাঝি হিসেবে প্রায় ১৫ বছর ধরে কাজ করছে পোখরায়। সে বলে যে, ‘পর্যটকরা না আসলে এখানে কোনো কাজই নেই। এই সময়ে আমরা দিনে কয়েক হাজার রুপি আয় করতাম। অথচ এখন দৈনিক ১০০ থেকে ২০০ রুপি (১ থেকে ২ ডলার) আয় হলেই নিজেকে সৌভাগ্যবান ভাবতে হচ্ছে।’ ২৫ এপ্রিলের প্রাকৃতিক দুর্যোগের পর নেপালে পর্যটকের সংখ্যা ব্যাপক হারে কমে গেছে। ভূমিকম্পে অসংখ্য লোক হতাহত হয়েছে, এরমধ্যে অনেক পর্যটকও ছিলো। ভূমিকম্পে পোখরার মনোরম ক্যাফে, হোটেল কিংবা আকর্ষণীয় হস্তশিল্পের দোকানগুলো ধসে পড়েছে। রিসোর্ট থেকে অন্নপূর্ণার দিকে সাপের মতো বেয়ে উঠা রাস্তাগুলোও হয়েছে বিধ্বস্ত। ২০১৪ সালের একই সময়ের তুলনায় বর্তমানে পোখরায় বুকিংয়ের হার কমেছে ৯৫ শতাংশ। হিমালয় অধ্যুষিত দেশটির অন্যান্য অঞ্চলের চিত্রও প্রায় একইরকম। দেশটির জিডিপি’র প্রায় ৪ শতাংশই আসে পর্যটন খাত থেকে। এছাড়া মোট কর্মসংস্থানের ৩ দশমিক ৫ শতাংশই পর্যটন শিল্প নির্ভর। কাঠমান্ডুভিত্তিক ট্রাভেল এজেন্ট ফাস্ট ট্রাভেল এন্ড ট্যুরসের স্বত্বাধিকারী দাল বাহাদুর লিম্বু বলেছে, ‘সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তাদের প্রায় ৯০ শতাংশ বুকিং বাতিল হয়েছে। চলতি মৌসুমের রাজস্ব আয়ের পথ বন্ধ হয়ে গেছে।’ ভূমিকম্প ও আফটার শকে নেপালের পর্যটকদের জন্য জনপ্রিয় অনেক স্থাপনাই ধ্বংস হয়ে গেছে। পরবর্তীতেও পাহাড় ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত হয় ট্রেকিংয়ের জন্য জনপ্রিয় অনেক এলাকা। প্রতিবেশী চীন ও ভারত থেকেই সবচেয়ে বেশি সংখ্যক পর্যটক আসে নেপালে। তবে এই দুটি দেশ ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন ও কানাডাসহ অনেক পশ্চিমা দেশ ও ট্রাভেল এজেন্সিগুলো এখনো স্বদেশীদের নেপাল ভ্রমণে নিরুৎসাহিত করছে। ফলে শিগগিরই নেপালের পর্যটন খাতের ক্ষত সেরে উঠছে না বলেই আশঙ্কা করছে বিশেষজ্ঞরা। (সূত্র- এএফপি)

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন