‘কাইয়্যূমুয যামান’ উনার পরিচিতি!
“রওযাতুল কাইয়্যূমিয়াত” এর ১ম খ- ১৭২ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে, قیوم اس شخص کو کھتے ھیی کہ جس کے ما تحت تمام اسماء وصفات شیونات اعتبارات اور اصول ہوں اور تمام گزاشتہ اور انندہ مخلوقات کے عالم موجودات، انسان، وحوش، پرند، نباتات، ھرذی روح، پتھر، درخت، بروبحر کی برشی، عرش، کرسی، لوح، قلم، ستاررہ، ثوابت، سورج، چاند، اسمان، بروج سب اس کے سائے میں بوں. افلاک و بروج کی حرکت وسکون، سمندرون کی لہروں کی حرکت، در ختوں کے بتوں کا بلنا، بارش کس قطروں کا گرنا، پھلوں کا پکنا، پرندوں ک چونچ پھیالانا، دن، رات کا پیدا ہونا، اور گردش کنندہ اسمان کی موافق یا موافق رفتار سب کچہ اس کے حکم سے ہوتا ھے، بارش کا ایک قطرہ ایسا نہیں جو اسکی اطلاع بغیر کرتا ہو، زمیں پر حرکت وسکون اسکی مرض کے بغیر نھیں جور ام وخوشی اور ہے چینی اور رنج اھل زمین کو ہوتا ھے اس کے حکم بغیر نھی ہوتا. کوئی گھڑی، کوئی بفتہ، کوئی مھینہ، کوئی سال، ایسا نھیں جواس کے حم بغیر اپنے اپ میں نیکی بدی کا تصرف کر سکے، غلہ کی پیدائش، نباتات کا اکنا غرضیکہ جو کچہ بھی خیال میں اسکتا ہے وہ اسکی مرضی اور حکم بغیر ظھور میں نھیں اتا. روئے زمیں پر جس قدر زاھد، عابد، ابرار اور مقرب تسبیح، ذکر فکر تقدیس اور تنزیہ ھيں عبادت گاہوں، جھو نپڑوں کئیوں پھاڑ اور دریا کنارے زبان قلب روح سر خفی اخفی اور نفس سے شاغل اور معتکف ھیں اور حق طلبی کی راہ میں مشغول ھیں سب اسی کی مرض سے مشغول ھیں گو انہیں ھیں اس بان کا علم ہویا نہ ھو অর্থ: ‘ক্বইয়্যূম’ এমন মহান ব্যক্তিত্ব উনাকে বলা হয়, সমস্ত নাম, ছিফত এবং সমস্ত মহত্ত্ব তথা মর্যাদা এবং সমস্ত বিধি-বিধান উনার নিয়ন্ত্রণে। অতীত এবং ভবিষ্যৎ সৃষ্টি জগতের সমস্ত সৃষ্টি, যেমন মানুষ (জীব-জানোয়ার) পশু-পাখি, তরু লতা, প্রত্যেক জীব, পাথর, গাছ-পালা, পানি-স্থলের সব বস্তু, যেমন আরশ কুরসী লৌহ-কলম চন্দ্র, সূর্য, তারকারাজি আসমানের নক্ষত্রের প্রবাহ এবং স্থিরতা, এমনকি সমুদ্রের প্রবাহ এবং স্থিরতা এমন কি সমুদ্রের ঢেউ তরঙ্গ এবং গাছের পাতা ঝরে পড়া, এমনকি বৃষ্টিপাত হওয়া, পাখির ঠোঁট ফেলা, দিন রাতের সৃষ্টি হওয়া, আসমানের কক্ষপথে পরিভ্রমণকারী সমস্ত কিছুই ক্বইয়্যূমুয যামান উনার নির্দেশক্রমেই হয়ে থাকে। বৃষ্টির এক ফোঁটা পানিও উনার অজ্ঞাতসারে বর্ষিত হয় না, যমীনে ভূমিকম্প হওয়া ও যমীন স্থীর থাকা উনার ইচ্ছাতেই হয়ে থাকে। (এমনকি) আরাম-আয়িশ, অস্থিরতা যমীনবাসীর মৃত্যু উনার নির্দেশক্রমে হয়ে থাকে। কোনো ঘণ্টা, কোনো দিন, কোনো সপ্তাহ, কোনো মাস, এমনকি কোন বৎসর এমন নয় যে, উনার নির্দেশের বাইরে নিজে নিজেই তার ভালো মন্দের বিচার করে চলতে পারে এবং শস্যের সৃষ্টি, তরুলতার উৎপাদন; মোটকথা- যা কিছুই ধারণায় আসতে পারে তা সব কিছু উনার নির্দেশ ও ইচ্ছার বাইরে প্রকাশ পায় না। যমীনে যে পরিমাণ যাহিদ, আবিদ, নেকবখত, নৈকট্যপ্রাপ্তগণ, তাসবীহ, যিকির-ফিকির, পবিত্রতা ও পরিচ্ছন্নতা এবং ইবাদতখানা, পাহাড়, সমুদ্র, যবান, ক্বালব, রূহ, সির, খফি, আখফা, নফস ইত্যাদি লতিফাসমূহের মুরাকাবায় ব্যস্ত এবং মু’তাকিফ অর্থাৎ নিভৃতে অবস্থানকারী এবং সত্য সন্ধানে মশগুল আছেন এমন সব কিছুই ক্বইয়্যূমুয্ যামান উনার ইচ্ছাতেই হয়ে থাকে। যদিওবা তাদের এই বিষয়ে জ্ঞান থাকুক বা না থাকুক।” উল্লেখ্য, মুজাদ্দিদে আ’যম, ঢাকা রাজারবাগ শরীফ উনার হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনিও নিঃসন্দেহে কাইয়্যূমুয যামান বা কাইয়্যূমে আ’যম। সুবহানাল্লাহ!
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন