বৃহস্পতিবার, ৭ জুলাই, ২০১৬

সম্মানিত ঈদের রাতে জাগ্রত থেকে ইবাদত-বন্দেগী করা প্রত্যেকের ঈমানী দায়িত্ব

সম্মানিত ঈদের রাতে জাগ্রত থেকে ইবাদত-বন্দেগী করা প্রত্যেকের ঈমানী দায়িত্ব


বছরে পাঁচ রাতে দোয়া বিশেষভাবে কবুল হয়। তার মধ্যে দু’ঈদের দু’রাত। এ রাতে জাগ্রত থেকে ইবাদত-বন্দেগী, তছবীহ্্ পাঠ, কুরআন শরীফ তিলাওয়াত, দুরূদ শরীফ ও যিকির-আযকারের মাধ্যমে অতিবাহিত করা অতি উত্তম। দিলের নেক মকছুদসমূহ মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট জানালে মহান আল্লাহ পাক তিনি তা কবুল করবেন। পবিত্র ঈদের রাত সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যে ব্যক্তি পবিত্র ঈদুল ফিত্্র ও পবিত্র ঈদুল আযহার রাতে জাগ্রত থেকে মহান আল্লাহ পাক উনার ইবাদতে মশগুল থাকবে, যেদিন অন্য সমস্ত দিল মরবে, সেদিন তার দিল মরবে না।” এর অর্থ হলো- ক্বিয়ামতের দিন অন্যান্য দিল পেরেশানীতে থাকলেও দু’ঈদের রাতে জাগরণকারী ব্যক্তির দিল শান্তিতে থাকবে। (তিবরানী শরীফ) তাই প্রত্যেক মুসলমান নর-নারীর ঈমানী দায়িত্ব হবে ঈদের রাতে বেহুদা কাজে মশগুল না থেকে, অলসভাবে না ঘুমিয়ে, এ রাতে জাগ্রত থেকে ইবাদত-বন্দেগী, তছবীহ্্ পাঠ ও অন্যান্য আমল যথা যিকির ও দোয়া-মুনাজাতের মাধ্যমে দিলের নেক মকছুদসমূহ মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট জানানো।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন