মঙ্গলবার, ১৯ জুলাই, ২০১৬

৯৮ ভাগ মুসলমানের দেশে জাতীয় পরিচয়পত্র, ড্রাইভিং লাইসেন্স, ব্যক্তিগত পরিচয়পত্র- এ প্রকার সমস্তÍ বিষয়ে ছবির পরিবর্তে ফিঙ্গারপ্রিন্ট পদ্ধতি ব্যবহার করতে হবে

৯৮ ভাগ মুসলমানের দেশে জাতীয় পরিচয়পত্র, ড্রাইভিং লাইসেন্স, ব্যক্তিগত পরিচয়পত্র- এ প্রকার সমস্তÍ বিষয়ে ছবির পরিবর্তে ফিঙ্গারপ্রিন্ট পদ্ধতি ব্যবহার করতে হবে


শতকরা ৯৮ ভাগ মুসলমানের দেশে জাতীয় পরিচয়পত্র, ড্রাইভিং লাইসেন্স, ব্যক্তিগত পরিচয়পত্র এ প্রকার সমস্ত বিষয়ে ছবির পরিবর্তে ফিঙ্গারপ্রিন্ট পদ্ধতি ব্যবহার করতে হবে। ছবির মতো হারাম পদ্ধতির ব্যবহার দিয়ে কখনোই অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছা সম্ভব নয়। অতএব, বাংলাদেশসহ সমস্ত মুসলমান সরকার এবং সমস্ত মুসলমানগণের শরঈ দায়িত্ব ও কতর্ব্য হলো- ছবির মতো হারাম আমল ও কবীরা গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা। ফিলিস্তিনের গাজা এবং তার পশ্চিম তীরের সঙ্গে ইসরাইলের সীমানা রয়েছে। সেই সীমানাগুলোতে রয়েছে বিশেষ দরজা- যা দিয়ে অনুমতিপ্রাপ্ত ফিলিস্তিনী নাগরিকরা আসা-যাওয়া করে। অনুমতিপ্রাপ্ত যে সকল ফিলিস্তিনী লোক এ দরজা দিয়ে আসা-যাওয়া করে, তাদের প্রত্যেকের রয়েছে ‘স্মার্ট কার্ড’। আর এই ‘স্মার্ট কার্ড’-এ থাকে প্রতিটি মানুষের হাতের জ্যামিতিসহ ফিঙ্গারপ্রিন্ট। এছাড়াও ইসরাইলের রাজধানী তেলআবিবের ‘বিন গেরিয়ন এয়ারপোর্ট’-এ যাত্রীদের দ্রুত চেক শেষ করার জন্যে রয়েছে একটি আধুনিক পদ্ধতি। এতেও হাতের জ্যামিতি এবং ফিঙ্গারপ্রিন্ট ব্যবহার করা হয়। এই ‘স্মার্ট কার্ড’ দিয়ে মাত্র দশ সেকেন্ডে পরীক্ষা শেষ করে একজন যাত্রী পার হয়ে যেতে পারে। ইহুদী-খ্রিস্টান-মুশরিক তথা বিধর্মীরা পৃথিবীর সমস্ত মুসলমান দেশগুলোতে ছবির ব্যবহার, ক্যামেরার ব্যবহার, সিসিটিভি’র ব্যবহার চালু করেছে। অথচ তারাই তাদের প্রয়োজনে ফিঙ্গারপ্রিন্ট পদ্ধতি ব্যবহার করে যাচ্ছে! যে ইহুদীরা ইসরাইলের নিরাপত্তার জন্য তাদের সীমান্তের গেইটগুলোতে হাতের জ্যামিতি এবং ফিঙ্গারপ্রিন্ট পদ্ধতি ব্যবহার করছে, তাদেরই প্ররোচনায় সউদী সরকার পবিত্র মক্কা শরীফ ও পবিত্র মদীনা শরীফ উনাদের নিরাপত্তার নামে সেখানে অসংখ্য সিসিটিভি স্থাপন করেছে। নাঊযুবিল্লাহ! অথচ পবিত্র মক্কা শরীফ ও পবিত্র মদীনা শরীফ উনাদের নিরাপত্তার দায়িত্ব স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক উনার এবং মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের জিম্মায়। বাংলাদেশ সরকার ও সউদী সরকারসহ সমস্ত মুসলিম দেশের শাসক এবং নাগরিকদের এ বিষয় থেকে নছীহত হাছিল করতে হবে এবং যেখানে প্রয়োজন হবে সেখানে ছবির পরিবর্তে ফিঙ্গারপ্রিন্ট পদ্ধতি চালু করতে হবে। অতএব, বাংলাদেশসহ সকল মুসলমান সরকার এবং সকল মুসলমানগণের শরঈ দায়িত্ব ও কর্তব্য হলো- ছবির মতো হারাম আমল ও কবীরা গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা।





কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন